1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
  4. : temp-login-BxH6QyEPU5XH7Ed :
কুয়েতে বাংলাদেশি প্রবাসীকে মৃত্যুদণ্ড দিলেন আদালত - আজকের কাগজ
রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১০:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
নেশার নৃশংসতায় রক্তাক্ত কুড়িগ্রাম, স্বজনের হাতেই ঝরছে প্রাণ! অফিসে নয়, রাজনৈতিক দলের প্রতি সমর্থনের প্রতিফলন ঘটবে ব্যালটে: প্রধানমন্ত্রী প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০ ইউপিতে ভোট, ইভিএম আর নয়: ইসি সচিব নতুন বছরে বই-ড্রেস-জুতা-ব্যাগ পাবে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা পল্লবী থানার ভেতরে ককটেল বিস্ফোরণ নড়াইলের কাজলা নদীতে নারীদের অভূতপূর্ব নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা ঢাবির পাঁচটি স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ, পালানোর সময় আটক ২ রমজান সামনে রেখে পণ্য আমদানির এলসি খোলার শর্ত শিথিল টেকনাফে অসময়ে বাজারে লাল-হলুদ তরমুজ, মাচায় চাষ করে লাভের স্বপ্ন দেখছেন চার বন্ধু রাতেও ছিলেন ঘরে, সকালে মিলল বাগানে নিথর দেহ

কুয়েতে বাংলাদেশি প্রবাসীকে মৃত্যুদণ্ড দিলেন আদালত

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬ ৫:১২ পিএম
শেয়ার করুন

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্ত্রীর ছবি দেওয়া নিয়ে দ্বন্দের জেরে কুয়েতে নিজ বন্ধুকে নৃসংসেভাবে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় এক প্রবাসী বাংলাদেশিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন দেশটির ফৌজদারি আদালত। আদালতের বিচারে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ইচ্ছাকৃত ও পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে গত মঙ্গলবার এই সর্বোচ্চ শাস্তির রায় ঘোষণা করা হয়।

মামলার নথি ও বিচার প্রক্রিয়ার বিস্তারিত বিবরণ থেকে জানা যায়, আসামির অনুপস্থিতিতে তাঁর স্ত্রীর ছবি তোলেন ভুক্তভোগী ব্যক্তি। পরবর্তী সময়ে সেই ছবিগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেন তিনি। ওই ছবিতে বেশ কিছু আপত্তিকর মন্তব্য আসা শুরু হলে আসামির সঙ্গে তাঁর বন্ধু অর্থাৎ ভুক্তভোগীর মারাত্মক বিরোধের সৃষ্টি হয়।

আসামি আদালতে নিজের অপরাধ স্বীকার করে জানান, তিনি বন্ধুকে বারবার সেই ছবিগুলো মুছে ফেলার অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু ভুক্তভোগী ছবি সরাতে অস্বীকৃতি জানান এবং উল্টো আরও ছবি পোস্ট করতে থাকেন। লাগাতার এমন কর্মকাণ্ডের ফলে আসামি ও তাঁর স্ত্রীর মধ্যে চরম মানসিক চাপ ও তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এই ঘটনার প্রতিশোধ নিতেই তিনি চরম পথ বেছে নেন।

পরিকল্পনা অনুযায়ী অভিযুক্ত ব্যক্তি একটি ধারালো ছুরি নিয়ে তাঁর সাবেক বন্ধুর কর্মস্থলের বাইরে আগে থেকেই ওত পেতে থাকেন। ভুক্তভোগী কর্মস্থল থেকে বাইরে বেরিয়ে আসামাত্রই আসামি তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালান। এলোপাতাড়ি মাথার অংশ ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক ছুরিকাঘাত করা হলে ঘটনাস্থলেই আঘাতের কারণে ভুক্তভোগীর মৃত্যু ঘটে। আদালত উভয় পক্ষের যুক্তি ও আসামির স্বীকারোক্তি বিচার-বিশ্লেষণ করে এই প্রাণঘাতী হামলার ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডের সিদ্ধান্ত বজায় রাখেন।

এই বিভাগের আরো খবর