1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
ক্রেতা-বিক্রেতা কেউই খুশি নন - আজকের কাগজ
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
এমপিওভুক্ত শিক্ষক, দ্বৈত নাগরিক, ঋণখেলাপিরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না: ইসি পুলিশের ৪ ডিআইজিসহ ১৪ কর্মকর্তাকে বদলি চিকিৎসক নেই, ওষুধ নেই—দুই বছর ধরে বন্ধ স্বাস্থ্যকেন্দ্র শালিসকারীকে হাতুড়ি দিয়ে হত্যাচেষ্টা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার এইচএসসি পরীক্ষায় পুরোনো প্রশ্ন বিতরণ, ফুলবাড়ীতে সচিবসহ ৪ জনকে অব্যাহতি গজারিয়ায় মাথাভাঙ্গা খালের কচুরিপানা পরিষ্কার করলেন এমপি কামরুজ্জামান রতন চট্টগ্রামে শিশু বলাৎকারের মামলায় মাদ্রাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তার ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের মোদীর বাসভবনের সামনে থেকে আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কা কেউ ভালো না করলে দপ্তর পুনর্বণ্টন করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা

চামড়ার

ক্রেতা-বিক্রেতা কেউই খুশি নন

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৭ জুন, ২০২৫ ৩:০৮ পিএম
শেয়ার করুন

ঈদের দিন দুপুর থেকে রাজধানীর মোহাম্মদপুর, সায়েন্সল্যাব, গুলশান-২ ও পুরান ঢাকার পোস্তা এলাকা থেকে চামড়া সংগ্রহ শুরু করেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। প্রতিবারের মতো এবারও প্রত্যাশিত দাম না পেয়ে হতাশ তারা। অন্যদিকে বিক্রেতারা বলছেন, চাহিদা মতো চামড়ার দাম পাচ্ছি না।  গরুর চামড়া মানভেদে ৬০০-৭৫০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে ছাগলের চামড়া কিনতে আগ্রহ নেই।

শনিবার বিকেলে গুলশান-২ মোড়ে গিয়ে দেখা যায়, বিভিন্ন এতিমখানার লোকজন ভ্যানে চামড়া এনে জড়ো করছে। চাহিদা মতো দাম না পাওয়া বিক্রি করছেন না তারা।

২০টি চামড়া বেচতে আসা কবির বলেন, একটি বড় গরুর চামড়া কিনে এনেছি ৮০০ টাকা দিয়ে। আর তারা বলছে ৭০০ টাকা। তাহলে কীভাবে বিক্রি করব।

সায়েন্স ল্যাবরেটরি এলাকায় ১৫টি কাঁচা চামড়া বিক্রির জন্য নিয়ে এসেছেন মৌসুমি ব্যবসায়ী জাফর আহমেদ। তিনি বলেন, কোরবানিদাতাদের কাছ থেকে এসব চামড়া ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা দরে কিনে এনেছি। কিন্তু কোনো আড়তদার বা ট্যানারি প্রতিষ্ঠান ৭৫০ টাকার ওপরে দাম দিতে চায় না। তাই বাধ্য হয়ে ৭৫০ টাকা দরেই সব চামড়া বিক্রি করেছি।

মোহাম্মদপুর টাউন হল এলাকায় থেকে চামড়া ক্রয় করেন মৌসুমি ব্যবসায়ী শেখ বাবুল। তিনি বলেন, বিকেল পর্যন্ত ৬০টির বেশি চামড়া কিনেছেন। প্রতিটি চামড়া গড়ে ৭০০ টাকা পড়েছে।

আরেক ব্যবসায়ী বাবু বলেন, এক হাজার চামড়া আছে। বিক্রি হয়নি। সর্বোচ্চ ৭০০ টাকা পর্যন্ত দাম উঠেছে। গতবার তো ৯০০–১০০০ টাকা দিয়েছিল। এবার চরম ক্ষতিতে যাচ্ছি।

আড়তদার চামড়া সংগ্রহ করে লবণ মিশিয়ে তা সংরক্ষণ করেন। পরে লবণ মেশানো চামড়া যায় ট্যানারিতে। ট্যানারি ব্যবসায়ীরা এবার ঢাকায় লবণযুক্ত প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়া ৬০ থেকে ৬৫ টাকায় কিনবেন, গত বছর এই দাম ছিল ৫৫ থেকে ৬০ টাকা। আর ঢাকার বাইরে লবণযুক্ত প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়ার দাম হবে ৫৫ টাকা ৬০ টাকা গতবছর যা ৫০ থেকে ৫৫ টাকা ছিল।

এছাড়া সারাদেশে লবণযুক্ত খাসির চামড়া প্রতি বর্গফুট ২২ থেকে ২৭ টাকা দরে বিক্রি হবে ট্যানারিতে, যা গত বছর ছিল ২০ টাকা থেকে ২৫ টাকা। আর বকরির চামড়া প্রতি বর্গফুটের দাম ২০ থেকে ২২ টাকা, যা আগের বছর ছিল ১৮ টাকা থেকে ২০ টাকা।

এই বিভাগের আরো খবর