1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
জবির সাবেক ছাত্রদল সভাপতি রেজার উদ্যোগে মশা নিধন ও ড্রেনেজ পরিষ্কার কার্যক্রম - আজকের কাগজ
সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ০২:৫৬ অপরাহ্ন

জবির সাবেক ছাত্রদল সভাপতি রেজার উদ্যোগে মশা নিধন ও ড্রেনেজ পরিষ্কার কার্যক্রম

জবি প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬ ৮:৫৩ পিএম
শেয়ার করুন

রাজধানীর পুরান ঢাকার ইসলামপুর এলাকায় জনদুর্ভোগ কমাতে এবং স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করতে সপ্তাহব্যাপী মশা নিধন ও ড্রেনেজ পরিষ্কার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কোতোয়ালি থানার ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এ.বি.এম পারভেজ রেজার উদ্যোগে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেলে “ক্লিন ঢাকা, গ্রীন ঢাকা” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্যক্রম শুরু হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ওয়ার্ডের গণ্যমান্য ব্যক্তি, যুবসমাজ এবং স্থানীয় বাসিন্দারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। এ সময় বিএনপি ও এর অঙ্গ-সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজকরা জানান, ইসলামপুরসহ পুরান ঢাকার ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে ড্রেনেজ ব্যবস্থার অব্যবস্থাপনা ও অপরিচ্ছন্নতার কারণে মশার উপদ্রব মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমকে সামনে রেখে এ সমস্যা আরও প্রকট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই স্থানীয় উদ্যোগে এই কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে এলাকার বিভিন্ন সড়ক ও গলির ড্রেন পরিষ্কার করা হচ্ছে, জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা অপসারণ করা হচ্ছে এবং মশা নিধনে স্প্রে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি বাসিন্দাদের সচেতন করতে প্রচারণাও চালানো হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ রনি বলেন, “আমাদের এলাকায় অনেক দিন ধরেই ড্রেনগুলো পরিষ্কার করা হয়নি। ফলে পানি জমে থাকে এবং মশার বংশবিস্তার হয়। এই উদ্যোগটি খুবই সময়োপযোগী। নিয়মিত এমন কার্যক্রম হলে আমরা উপকৃত হবো।”

এ বিষয়ে আয়োজক এ.বি.এম পারভেজ রেজা বলেন, “এলাকার মানুষ ধীরে ধীরে মৌলিক নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ড্রেনেজ ব্যবস্থার অবনতি এবং মশার উপদ্রব জনজীবনে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি করছে। জনস্বার্থের কথা বিবেচনা করেই আমি ব্যক্তিগত উদ্যোগে এই কর্মসূচি গ্রহণ করেছি।”

তিনি আরও বলেন, “শুধু সরকারি উদ্যোগের অপেক্ষায় না থেকে আমাদের সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। একটি পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগর গড়তে জনগণের অংশগ্রহণই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।”

স্থানীয়রা আশা করছেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে অন্তত সাময়িকভাবে হলেও মশার উপদ্রব কমবে এবং এলাকার পরিবেশ কিছুটা উন্নত হবে। একই সঙ্গে তারা এ ধরনের কার্যক্রম নিয়মিত চালু রাখার দাবি জানিয়েছেন।

এই বিভাগের আরো খবর