1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
  4. : temp-login-BxH6QyEPU5XH7Ed :
ট্রাম্পের: পুরো ইরানকে ‘ধ্বংস’ করে দেওয়ার - আজকের কাগজ
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
অলিম্পিয়াডে স্বর্ণজয়ী শিশুদের সাফল্য ও দেশের শিক্ষার বাস্তব চিত্র দিল্লিতে থাকা হাসিনা আর রাজনীতি করতে পারবেন না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মরিশাসে কাচের বাক্স চাপায় তিন বাংলাদেশির মর্মান্তিক মৃত্যু সংবিধান সংশোধনে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও অংশগ্রহণ কেন জরুরি পদ্মা সেতু হয়ে প্রথমবারের মতো রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের চালান ট্রাম্পের: পুরো ইরানকে ‘ধ্বংস’ করে দেওয়ার সংস্কার বাস্তবায়নে জাতীয় কমিটি গঠনের পথে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দল হ্যাটট্রিকের সুবর্ণ সুযোগ হারিয়ে হতাশ হাসান মাহমুদ দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমাল বাজুস অন্যের সন্তানকে স্তন্যদান: যে সতর্কতাগুলো মানা জরুরি

ট্রাম্পের: পুরো ইরানকে ‘ধ্বংস’ করে দেওয়ার

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬ ১২:০৯ পিএম
শেয়ার করুন

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক সংঘাত আরও বিস্তৃত করা হবে কি না, সেই বিষয়ে শিগগিরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, এই সংঘাতের প্রয়োজনে ইরানের ‘বাকি অংশও ধ্বংস করে দিতে হতে পারে’। তার এই মন্তব্য এমন এক সময়ে প্রকাশ্যে এল, যখন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয়ের পর ইরান যুদ্ধ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। আগামী জানুয়ারি মাসে নতুন কংগ্রেসের অধিবেশন শুরুর আগ পর্যন্ত ট্রাম্প প্রশাসন কতটা স্বাধীনভাবে সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারবে, তা নিয়েও সংশয় তৈরি হয়েছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, ইরান ইন্টারন্যাশনালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডেমোক্র্যাটদের বিজয় যুদ্ধ পরিচালনায় ট্রাম্পের ওপর কংগ্রেসের নজরদারিকে আরও জোরালো করতে পারে। তবে বিশ্লেষকদের একাংশের আশঙ্কা, নতুন কংগ্রেস ক্ষমতা গ্রহণের আগেই ট্রাম্প সামরিক অভিযানকে বড় মাত্রায় জোরদার করতে পারেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের এক অতিথি মন্তব্য করেছেন, আগামী দুই মাসের মধ্যে ট্রাম্প ইরানে বড় ধরনের হামলা চালাতে পারেন। যদিও অন্য বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন যে, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণে পরিবর্তন এলেই যে যুদ্ধ থেমে যাবে এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই।

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের অবস্থানে কিছুটা অস্পষ্টতা ও অসঙ্গতিও দেখা যাচ্ছে।

একদিকে তিনি সামরিক অভিযান আরও বাড়ানোর ইঙ্গিত দিচ্ছেন, অন্যদিকে বড় ধরনের নতুন কোনো হামলার পরিকল্পনা এই মুহূর্তে নেই বলেও দাবি করেছেন তিনি। ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, আপাতত বড় আকারের হামলার পরিকল্পনা না থাকলেও প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র পুরোপুরি প্রস্তুত। পলিটিকোকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজের সামরিক সিদ্ধান্তের পক্ষে সাফাই গেয়ে তিনি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর সিদ্ধান্তটি সঠিক ছিল। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের সঙ্গে আলাপকালে তিনি স্বীকার করেন, মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফলের পেছনে যুদ্ধের একটি প্রভাব ছিল। তবে ফক্স নিউজকে দেওয়া বক্তব্যে তিনি যুদ্ধের চেয়ে জ্বালানি তেলের দামকেই ডেমোক্র্যাটদের জয়ের প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, আমার ধারণা এর মূল কারণ পেট্রলের দাম। তবে প্রয়োজন হলে যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত রয়েছে।

এই বিভাগের আরো খবর