1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
ডিএনএ পরীক্ষার অনুমতি চেয়ে আদালতে আবেদন - আজকের কাগজ
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
ডলারের নতুন দর নির্ধারণ করলো মানি চেঞ্জার এসোসিয়েশন কালিয়াকৈর হাইটেক সিটি থেকে চোরাই মালামালসহ ৬ জন আটক ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা পাচ্ছে এপিবিএন প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যের নামে ভুয়া ফেসবুক আইডি, গ্রেপ্তার ১ বাবার লাশ বারান্দায়, কবরের জমি নিয়ে দুই ভাইয়ের সংঘর্ষ ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় জ্বলছে রুশ দ্বিতীয় বৃহৎ ই-কমার্সের ৬ ডিপো হাসপাতালসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চউকের অভিযান অব্যাহত, অনিয়মে কঠোর ব্যবস্থা ভোলাহাটে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার! টেকনাফে বিদেশি এসএমজি উদ্ধার, ৩২৭ রাউন্ড গুলিসহ নারী আটক চট্টগ্রামের হালিশহর এলাকায় মহাসড়কে অবৈধভাবে নির্মাণ সামগ্রী রাখায় চসিক’র অভিযান

ডিএনএ পরীক্ষার অনুমতি চেয়ে আদালতে আবেদন

কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬ ৭:১৯ পিএম
শেয়ার করুন

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী সোহাগী জাহান তনু হত্যার ১০ বছর পর তিনজনের ডিএনএ প্রোফাইল পরীক্ষার (ক্রস ম্যাচ) অনুমতি চেয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।সোমবার (০৬ এপ্রিল) কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই ঢাকার পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম।আবেদনে সার্জেন্ট জাহিদ, ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান ও সৈনিক জাহাঙ্গীর আলমের ডিএনএ প্রোফাইল তনুর পোশাকে পাওয়া ডিএনএ নমুনার সঙ্গে মিলিয়ে দেখার অনুমতি চাওয়া হয়েছে। কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোমিনুল হক আবেদনটি গ্রহণ করে পর্যালোচনার জন্য রেখেছে।
কুমিল্লা আদালতের কোর্ট পরিদর্শক মামুনুর রশিদ বলেন, তনু হত্যা মামলার তদন্তের অগ্রগতি জানতে তদন্ত কর্মকর্তাকে সোমবার হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন আদালত। সেই অনুযায়ী তদন্ত কর্মকর্তা হাজির হয়ে এ আবেদন করেন।এদিকে আজ আদালতে উপস্থিত ছিলেন তনুর বাবা ইয়ার আহম্মেদ। তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে তার মেয়ে হত্যার বিচার দাবি করেন।উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ রাতে কুমিল্লা ময়নামতি সেনানিবাসের অদূরে একটি জঙ্গল থেকে তনুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরদিন তার বাবা ইয়ার আহম্মেদ কোতোয়ালি মডেল থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। দীর্ঘ সময় সিআইডি এই মামলার তদন্ত করলেও কোনো কূলকিনারা করতে পারেনি। পরে ২০২০ সালে মামলার তদন্তভার দেওয়া হয় পিবিআইকে।
এ পর্যন্ত তনু হত্যা মামলার তদন্ত করেছে চারটি পৃথক সংস্থা। মামলায় মোট ছয় তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন হলেও এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এমনকি দুই দফা ময়নাতদন্ত করা হলেও তনুর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ দীর্ঘ সময়ে মামলার একমাত্র উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি ছিল সিআইডির ফরেনসিক ল্যাবে ডিএনএ পরীক্ষা। তনুর পোশাকে তিনজন পুরুষের ডিএনএ পাওয়া যায়।

এই বিভাগের আরো খবর