1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
ঢাকা ওয়াসার প্রকল্পের কাজে দুর্নীতির কোনো সুযোগ নেই :ভারপ্রাপ্ত এমডির - আজকের কাগজ
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০১ অপরাহ্ন

ঢাকা ওয়াসার প্রকল্পের কাজে দুর্নীতির কোনো সুযোগ নেই :ভারপ্রাপ্ত এমডির

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২২ ২:০৬ পিএম
শেয়ার করুন

ঢাকা ওয়াসার ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এ কে এম সহিদ উদ্দিন দাবি করেছেন, ঢাকা ওয়াসার প্রকল্পগুলোতে কোনো দুর্নীতি হয়নি। প্রকল্পের কাজে দুর্নীতির কোনো সুযোগ নেই।

আজ বুধবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ দাবি করেন।

ভারপ্রাপ্ত এমডি আরও বলেন, প্রতিটি প্রকল্পে কনসালটেন্ট থাকে। তারাই প্রকল্পের বাস্তবায়ন কাজ দেখাশুনা করেন। প্রকল্পের কাজ শেষ করাই তাদের দায়িত্ব। তাদের সুপারিশেই সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের বিল প্রদান করা হয়। এর বাইরে এক টাকাও দেওয়া হয়নি।

সাংবাদিকদের তিনি জানান, দুদক কর্মকর্তারা অভিযোগ সম্পর্কে যা যা জানতে চেয়েছেন সেসব বলা হয়েছে।
ঢাকা ওয়াসায় অবৈধভাবে নিয়োগ, পদোন্নতি ও প্রকল্পের কাজে দুর্নীতির অভিযোগে আজ দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক সৈয়দ নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে বিশেষ অনুসন্ধান টিমের সদস্যরা ভারপ্রাপ্ত এমডিসহ দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। ওয়াসার কো-অর্ডিনেশন অফিসার শেখ এনায়েত আবদুল্লাহকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। বিদেশে অবস্থান করায় হাজির হননি পরিচালক (উন্নয়ন) মো. আবুল কাশেম।

আগামীকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা ওয়াসার আরও চার কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে। তারা হলেন, প্রধান প্রকৌশলী মো. কামরুল হাসান, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আক্তারুজ্জামান, ডেপুটি চিফ ফাইন্যান্স অফিসার রত্নদ্বীপ বর্মণ ও সহকারী সচিব মৌসুমী খান।

নিয়োগ, পদোন্নতি, বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়ম ও নানা ক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে ঢাকা ওয়াসার এমডি প্রকৌশলী তাকসিম এ খানের বিরুদ্ধে। এই অভিযোগটির অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে ওইসব কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাকসিম এ খান ছুটিতে থাকায় বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত এমডির দায়িত্ব পালন করছেন ডিএমডি এ কে এম সহিদ উদ্দিন।

ভারপ্রাপ্ত এমডিসহ দু’জন কর্মকর্তা বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে আসেন। এই সাত কর্মকর্তাকে অবৈধভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ও পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে বলে দুদকের কাছে তথ্য রয়েছে। গত ১৭ অক্টোবর সাত কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চিঠি পাঠানো হয়েছিল। পর্যায়ক্রমে তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

২০০৯ সালে প্রকৌশলী তাকসিম এ খান ঢাকা ওয়াসার এমডি হিসেবে নিয়োগ পান। অভিযোগ রয়েছে, এরপর তিনি তদবির করে ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে চাকরির মেয়াদ বাড়িয়ে নেন। এভাবে তিনি এখন পর্যন্ত এমডির দায়িত্বে আছেন। তার পুণ:নিয়োগের ক্ষেত্রেও বিধিবিধান মানা হয়নি। তার বিরুদ্ধে প্রকল্প ব্যয় বাড়ানো, ঠিকাদার নিয়োগে স্বজনপ্রীতি, ঘুষ লেনদেন, বেআইনিভাবে পদ সৃষ্টি করে পছন্দের লোককে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া, অপছন্দের কর্মকর্তাদের ওএসডি করাসহ হয়রানির অভিযোগ রয়েছে।

তাকসিম এ খানের নির্দেশেই ঢাকা ওয়াসা কর্মচারী বহুমুখী সমবায় সমিতির ১৩২ কোটি ৪ লাখ ১৭ হাজার ৪৬০ টাকা ছয়টি ব্যাংক থেকে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন চেকের মাধ্যমে উত্তোলন করে আত্মসাতের অভিযোগও রয়েছে।

এই অভিযোগে তাকসিম এ খানসহ নয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলার আবেদন জমা পড়েছে। পরে অভিযোগটি দুদকের এখতিয়ারভুক্ত বলে আদালত রায় দেন। আদালতের ওই আদেশ ও মামলার আবেদনকে ভিত্তি করেই দুদক অভিযোগটি অনুসন্ধান শুরু করেছে।

এই বিভাগের আরো খবর