1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
নারী নির্যাতনের মামলায় শীর্ষে পশ্চিমবঙ্গ, অভিযোগে জড়িত ব্যক্তি ১৮৭ জন জনপ্রতিনিধি - আজকের কাগজ
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
রাশিয়া: ত্রিপক্ষীয় আলোচনা শুরু হলেও ইউক্রেনে সামরিক অভিযান থামবে না নির্দেশ পেলেই ৯৬ ঘণ্টায় ইরানে হামলার প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রের নারী নির্যাতনের মামলায় শীর্ষে পশ্চিমবঙ্গ, অভিযোগে জড়িত ব্যক্তি ১৮৭ জন জনপ্রতিনিধি গাজীপুরের কোনাবাড়িতে ঝুট গুদাম ও পানি ফ্যাক্টরিতে আগুন ক্রসফায়ার ঘিরে আইজিপির মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিলো পুলিশ সদর দপ্তর চৌদ্দগ্রামে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকায় নবজাতক বিক্রির অভিযোগ: চার ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস অভিযানে উদ্ধার,গ্রেপ্তার ৪ বিজিবির অভিযানে ২১৫ কেজি কষ্টিপাথর উদ্ধার, মূল্য ১ কোটি ৭ লাখ টাকা ভবন নির্মাণে অনিয়মের বিরুদ্ধে সিডিএর অভিযান অব্যাহত ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি টিআইবির আইজিপির বক্তব্য প্রত্যাহার ও ক্ষমা চাওয়ার দাবি হাসনাত আবদুল্লাহর

নারী নির্যাতনের মামলায় শীর্ষে পশ্চিমবঙ্গ, অভিযোগে জড়িত ব্যক্তি ১৮৭ জন জনপ্রতিনিধি

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬ ৯:৫৫ পিএম
শেয়ার করুন

ভারতের বর্তমান সংসদ সদস্য ও বিধায়কদের মধ্যে নারী নির্যাতনের মামলায় রাজ্যগুলোর মধ্যে শীর্ষে অবস্থান করছে পশ্চিমবঙ্গ। নির্বাচন ও জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে গবেষণা করা সংস্থা অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মস (এডিআর)-এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এই উদ্বেগজনক তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। গবেষণায় দেশের মোট ৭৭২ জন সংসদ সদস্য এবং ৪ হাজার ১০৯ জন রাজ্য বিধায়কের হলফনামা বিশ্লেষণ করা হয়েছে, যার ভিত্তিতে জানা যায় যে বর্তমান মোট ১৮৭ জন জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে নারীদের ওপর নির্যাতনের মামলা চলমান রয়েছে।

তালিকায় শীর্ষে পশ্চিমবঙ্গ

বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ভারতের সব রাজ্যের মধ্যে অভিযুক্ত জনপ্রতিনিধির সংখ্যায় শীর্ষে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। এ রাজ্যে সর্বোচ্চ ৬৯ জন বর্তমান সংসদ সদস্য ও বিধায়কের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে অন্ধ্র প্রদেশ, যেখানে এই সংখ্যা ২২ জন এবং ১৭ জন অভিযুক্ত জনপ্রতিনিধি নিয়ে তৃতীয় স্থানে অবস্থান করছে ওড়িশা। রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই তথ্য ভারতের জনপ্রতিনিধিদের নৈতিক অবস্থানের ওপর বড় ধরনের প্রশ্ন তুলেছে।

রাজনৈতিক দল ও অপরাধের পরিসংখ্যান

  • সর্বোচ্চ ১০৬ জন সংসদ সদস্য ও বিধায়কের বিরুদ্ধে নারীঘটিত অপরাধের মামলা রয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতাদের বিরুদ্ধে।
  • দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা কংগ্রেসের ২০ জন এবং তৃতীয় অবস্থানে থাকা তেলেগু দেশম পার্টির (টিডিপি) ১৮ জন জনপ্রতিনিধি এই ধরনের মামলায় অভিযুক্ত।
  • দলীয় সদস্য সংখ্যার শতকরা হারে বিচার করলে এই হার সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে টিডিপিতে, যা প্রায় ১১ দশমিক ৬ শতাংশ।
  • বিজেপির ক্ষেত্রে এই হার ৪ দশমিক ৯ শতাংশ এবং কংগ্রেসের ক্ষেত্রে ২ দশমিক ৬ শতাংশ।

ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ ও সুপারিশ

সবচেয়ে উদ্বেগজনক তথ্য হলো, নারী নির্যাতনের দায়ে অভিযুক্ত ১৮৭ জনের মধ্যে ১৪ জন জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে ধর্ষণের মতো গুরুতর অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। এই ১৪ জনের মধ্যে ২ জন লোকসভার সাংসদ এবং ১২ জন বিধায়ক। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিজেপি এবং কংগ্রেসের ৪ জন করে সদস্যের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা রয়েছে। এছাড়াও টিডিপি, সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস, বিজেডি, এনপিপি, ভারত আদিবাসী পার্টি এবং অল ইন্ডিয়া সেক্যুলার ফ্রন্টের একজন করে বিধায়কের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ রয়েছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এডিআর বেশ কিছু কঠোর সুপারিশ করেছে।

সংস্থাটির মতে, অপরাধমূলক প্রেক্ষাপট থাকা ব্যক্তিদের ভোটে দাঁড়ানো নিষিদ্ধ করা উচিত। পাশাপাশি ধর্ষণের মতো গুরুতর অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তিদের আজীবন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে বাদ দেওয়া প্রয়োজন। এছাড়া, যাদের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে, তাদের কোনোভাবেই মন্ত্রিসভায় জায়গা দেওয়া উচিত নয় বলে এডিআর উল্লেখ করেছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে প্রার্থীর অপরাধের রেকর্ড জনসমক্ষে প্রকাশ না করলে রাজনৈতিক দলগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর আর্থিক জরিমানা করার দাবিও জানিয়েছে সংস্থাটি। এ ধরনের পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে জনপ্রতিনিধিদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়বে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

এই বিভাগের আরো খবর