
গত ০৫ আগস্ট এর পর থেকে নিয়মতি বিদ্যালয়ে আসছেন না দপ্তরী কাম নৈশ্যপ্রহরী। প্রধান শিক্ষক বলেন ডেভিলহান্ট এর ভয়ে আসছে না। কিন্তু প্রধান শিক্ষকের প্রত্যয়ন দিয়ে নিয়মিত নিচ্ছেন বেতন-ভাতা।
বলছিলাম পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের চতলাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থশ্রেনী কর্মচারী (দপ্তরী কাম নৈশ্যপ্রহরী) মোঃ সোহাগ ভূইয়ার কথা।
সম্প্রতি বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, দপ্তরীর কাজ করছেন সহকারি শিক্ষকা জাহানারা আলো তিনি ছাত্র/ছাত্রীদের পড়ালেখা বাদ দিয়ে চা-বিস্কুট করে দিচ্ছেন বাকি শিক্ষক ও অতিথিদের ।
অভিভাবক ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকেই বিদ্যালয়ে নিয়মতি আসছেন না সোহাগ। আওয়ামী লীগ নেতাদের বলয়ে থেকে চাকরির পাশাপাশি করেছেন রাজনীতিও। আর রাজনীতির প্রভাব খাটিয়ে নানান অনিয়মে জড়িয়ে পরেন এই প্রহরী।
বিদ্যালয়ের জমিদাতা আবদুল জলিল খলিফা জানান, প্রধান শিক্ষকের সহযোগিতা বিদ্যালয়ে না গিয়েও নিয়মিত বেতন-ভাতা তুলেছেন হয়তো।
জমিদাতা খালেক ফরাজী বলেন বিগত সময় বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ছিলেন আব্দুল মান্নান হাওলাদার, তার বিশ্বস্ত হওয়ায় তিনি নৈশ্যপ্রহরী চাকুরী ভাগিয়ে নেন। সোহাগ চাকুরী নেওয়ার পর থেকেই নিয়মতি বিদ্যালয় না গিয়ে ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার করে গরীব অসহায় মানুষে কে টিউব-ওয়েলসহ বিভিন্ন অনুদান দেওয়া কথা বলে লুটপাট করেছেন লাখ লাখ টাকা।
বিদ্যালয়ের দায়িত্বে থাকা প্রধান শিক্ষকের বক্তব্য তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক কারনে আসতে পারেনি বিদ্যালয়ে কিন্তু বিনা বেতনে মেডিকেল ছুটিতে আছেন।
,ছুটির কাগজ আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন ফোনের মাধ্যমে জানিয়েছে ছুটিতে আছে, প্রধান শিক্ষকের দাবি ১৫-১৬ দিন যাবৎ তিনি বিদ্যালয়ে আসেনি কিন্তু হাজিরা সীট দেখতে চাইলে তিনি হাজিরা সীট দেখাতে পারেনি। হাজিরা সীট নাকি চতুর্থ শ্রেনী কর্মচারী (দপ্তরী কাম নৈশপ্রহরী)র কাছে থাকে ।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে একাধিক বার ফোন দিলেও ফোন রিসিভড করছেন না অভিযুক্ত সোহাগ ভূইয়া ।
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা .দেবাশীষ ঘোষ বলেন, নৈশ্য প্রহরী যারা আছেন অ্যাপয়েন্টিং অথরিটি হচ্ছে প্রধান শিক্ষক আমি প্রত্যয়ন সাপেক্ষে আমি বেতন ভাতা দিয়ে থাকি কোন কারনে অনুপস্থিত থাকলে অভিযোগের ভিত্তিকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করবো।