1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
রাউজানে ফলের দোকানের ভেতর যুবদল কর্মীকে গুলি করে হত্যা - আজকের কাগজ
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
যৌক্তিক হারে গণপরিবহন ভাড়া না বাড়ালে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি জাতীয় ক্যানসার হাসপাতালের উপপরিচালককে ছুরিকাঘাত ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছি: প্রধানমন্ত্রী কুড়িগ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে বৃদ্ধ পিতাকে পিটিয়ে ঘরে বন্দি ইরানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর আজ, দাবি ট্রাম্পের মন্ত্রীদের প্রটোকল দিতে ডিসি-এসপিদের নতুন নির্দেশনা ‎পদোন্নতি সংকটে উত্তাল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়: পরশু থেকে পূর্ণাঙ্গ একাডেমিক শাটডাউনের ঘোষণা চৌদ্দগ্রামে বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে জামায়াত-শিবিরের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন নওগাঁয় হাম টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু জবির কেন্দ্রীয় মসজিদে তালা, ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা

রাউজানে ফলের দোকানের ভেতর যুবদল কর্মীকে গুলি করে হত্যা

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ৯:৫৪ পিএম
শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের রাউজানে বাজারে প্রকাশ্যে যুবদলের এক কর্মীকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার পূর্ব গুজরা ইউনিয়নের অলিমিয়াহাট বাজারে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলটি পূর্ব গুজরা পুলিশ তদন্তকেন্দ্র থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে। ঘটনার পরই দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।

নিহত ব্যক্তির নাম মুহাম্মদ আবদুল মজিদ (৫০)। তিনি অলিমিয়াহাট বাজার এলাকার আবদুল মোনাফের ছেলে। দলীয় নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন, তিনি পূর্ব গুজরা ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী ছিলেন। মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তরা গুলি করে পালিয়ে গেছে। হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাঙ্গুনিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন। স্বজনরা জানিয়েছেন, আবদুল মজিদ যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। এ ছাড়া বিয়ের ঘটক হিসেবেও কাজ করতেন।

নিহতের স্ত্রী শাহনাজ বেগম বলেন, ‌‘ইফতার শেষ করে বাসা থেকে বের হন আবদুল মজিদ। অলিমিয়াহাট বাজারে একটি দোকানে বসা ছিলেন। সেখান থেকে বের হওয়ার পর গুলি করে হত্যা করা হয়। এর আগেও আমার স্বামীর ওপর হামলা করা হয়েছিল। তখন বেঁচে যান। এবার গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।’

নিহতের ছোট ভাই মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমার ভাই যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। রাউজান থেকে নির্বাচিত বিএনপির এমপি গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর অনুসারী ছিল। আওয়ামী লীগের ১৭ বছরে আমার ভাইয়ের ওপর দুবার হামলা করা হয়েছিল। সেসময় বেঁচে যান। এবার আর বাঁচতে দেয়নি তারা।’

উপজেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. বেলাল বলেন, ‘দুর্বৃত্তরা তাকে গুলি করার পর আমার ওপরও হামলা করতে চেয়েছিল। ভাগ্যক্রমে আমি পালিয়ে রক্ষা পেয়েছি। গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক টিপলু কান্তি দে বলেন, ‘হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। শরীরে তিনটি গুলি লেগেছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মৃত্যু হয়। বাকিটা ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর জানা যাবে।’

এর আগে গত ৫ জানুয়ারি একই বাজার থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে মুহাম্মদ জানে আলম (৪৮) নামের আরেক যুবদল নেতাকে একই কায়দায় মোটরসাইকেলে এসে গুলি করে হত্যা করা হয়। ওই ঘটনার দেড় মাস পার হলেও এখনও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে রাউজানে ২১টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এর মধ্যে ১৫টি রাজনৈতিক সংশ্লিষ্ট। এ সময়ে শতাধিক গোলাগুলি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে এবং গুলিবিদ্ধসহ আহত হয়েছেন সাড়ে তিন শতাধিক মানুষ।

এই বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *