1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
  4. : temp-login-BxH6QyEPU5XH7Ed :
রাজশাহীর চারঘাটে বিকল্প ফসল চাষে আয়ের নতুন স্বপ্ন - আজকের কাগজ
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
গাজীপুরে বেতন বৃদ্ধির দাবিতে তৃতীয় দিনেও মহাসড়ক অবরোধ ক্যাডেট কলেজে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি আবেদন শুরু, পরীক্ষা ২০০ নম্বরে ইসরাইলি নির্বাচনে অচলাবস্থা, কেন ব্যালটে ছিল না গাজা সঞ্চয়পত্র, এফডিআর ও ডাকঘর সঞ্চয়: কোথায় কত মুনাফা ও কেমন ঝুঁকি ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে তেল কোম্পানিগুলো মুনাফা লুটছে: বার্নি স্যান্ডার্স বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার মৃত্যু: তদন্তে নতুন রহস্যময় তরুণী দাবি না মানলে এক দফা অনিবার্য হবে: কুষ্টিয়ায় শফিকুর রহমান নতুন পে-স্কেল ও উৎসব ভাতার দাবিতে সিলেটে শিক্ষকদের বিক্ষোভ ঢাবি যদি অক্সফোর্ড হয়, রাবিকে ক্যামব্রিজ করতে হবে: রিজভী পল্টনে সাবেক আইজিপির ছেলের গাড়ির ধাক্কায় রিকশাচালক আহত

রাজশাহীর চারঘাটে বিকল্প ফসল চাষে আয়ের নতুন স্বপ্ন

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ৯:১৮ এএম
শেয়ার করুন

রাজশাহীর কৃষিপ্রধান চারঘাটে দীর্ঘ সময় ধরে কৃষকরা মূলত ধান, আখ ও আম চাষের ওপর নির্ভরশীল ছিলেন। তবে উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি, শ্রমিকের মজুরি এবং বাজারে পণ্যের দামের অস্থিতিশীলতার কারণে লাভের মুখ দেখা কঠিন হয়ে পড়ছিল। বর্তমান সময়ে মাটি ও আবহাওয়ার উপযোগী ফসল নির্বাচন করে বিকল্প কৃষির দিকে ঝুঁকছেন স্থানীয়রা। এর ফলে কম খরচে অধিক লাভের পাশাপাশি জমির বহুমুখী ব্যবহারের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হচ্ছে। কম খরচে বেশি লাভ, জমির বহুমুখী ব্যবহার এবং বাজারের চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়ে প্রায় ২৫০ হেক্টর জমিতে সম্প্রসারিত হচ্ছে বিকল্প ফসলের চাষ। এমন পরিস্থিতিতে মাটি, আবহাওয়া, পানির প্রাপ্যতা ও বাজারের চাহিদা বিবেচনায় বিকল্প ফসল চাষে আগ্রহ বাড়ছে।

উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে প্রায় ২৫০ হেক্টর জমিতে নতুন ধরনের চাষাবাদ শুরু হয়েছে। এসবের মধ্যে মাল্টা, স্ট্রবেরি, আঙুর, কমলা, বারোমাসি আম, মিষ্টি আমড়া, তুলা ও উচ্চমূল্যের বিভিন্ন সবজি রয়েছে। এছাড়া আধুনিক পলিনেট পদ্ধতিতে চারা উৎপাদনের মতো প্রযুক্তিও যুক্ত হয়েছে স্থানীয় কৃষিতে। এসব উদ্যোগ শুধু কৃষকদের আয়ই বাড়াচ্ছে না, বরং গ্রামীণ কর্মসংস্থানের নতুন ক্ষেত্র তৈরি করছে।

তরুণ উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ এই পরিবর্তনকে আরও ত্বরান্বিত করেছে। উদাহরণস্বরূপ, ফতেহপুর গ্রামের হানিফ মণ্ডলের কথা বলা যায়। উচ্চশিক্ষার পর চাকরির পেছনে না ছুটে ২০১৯ সালে তিনি ১৬ বিঘা জমিতে গড়ে তোলেন ফলের বাগান। বর্তমানে তার ‘হানিফ এগ্রোফার্ম ও নার্সারি’ থেকে মাল্টা, কমলা, আঙুর, আতা ও আনারের পাশাপাশি বিভিন্ন গাছের চারা বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি হচ্ছে। তার এই সাফল্য দেখে এলাকার অনেক তরুণ এখন ফল চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন। এছাড়া বাণিজ্যিক ভিত্তিতে আনার চাষেও ইতিবাচক সাফল্য পাওয়া যাচ্ছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও কৃষিবিদ আল মামুন হাসান জানান, কৃষিকে টেকসই ও লাভজনক করতে ফসল নির্বাচন, উৎপাদন খরচ ব্যবস্থাপনা এবং বাজার সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান থাকা আবশ্যক। চারঘাটের মাটি বিকল্প ফসল চাষের জন্য যথেষ্ট উর্বর। তিনি মনে করেন, পরিকল্পিতভাবে এসব উচ্চমূল্যের ফসলের আবাদ বাড়াতে পারলে কৃষকরা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারবেন।

এই বিভাগের আরো খবর