1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
শেরপুরের ঘটনায় পুলিশসহ গোটা প্রশাসনের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ : জামায়াত - আজকের কাগজ
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
নতুন মামলায় ইরানি নির্মাতা জাফর পানাহিকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে সব ম্যাচ জয়ের ছক কষছেন কোচ ডুলি বাংলাদেশ-জাপান ৬টি চুক্তি স্বাক্ষর, ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা মোশাররফ ও তাঁর স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব তলব বিএফআইইউর উখিয়ায় নলকূপের গ্যাসে আগুন, ৪০ ঘণ্টাতেও অধরা নিয়ন্ত্রণ জুলাইকে বাঁচিয়ে রাখলে টেন্ডার বাজি-চাঁদাবাজি করা যাবে না: জাবের উৎপাদন খরচের চেয়ে দুধ-মাংসের বাজারমূল্য অনেক বেশি, সংসদীয় কমিটির নজরদারি গুম প্রতিরোধে সংবিধানে নতুন কিছু যুক্ত করার প্রয়োজন নেই: সালাহউদ্দিন আহমদ পল্টন হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি, কুড়িগ্রাম-উলিপুরে জামায়াত-শিবিরের বিক্ষোভ ছাগলনাইয়ায় গৃহবধূ ও দুই শিশুকন্যাকে জিম্মি করে সম্পদ সংক্রান্ত ঘটনায়

শেরপুরের ঘটনায় পুলিশসহ গোটা প্রশাসনের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ : জামায়াত

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২৬ ৭:১৮ পিএম
শেয়ার করুন

জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেছেন, শেরপুর-৩ আসনে ঘটে যাওয়া অপ্রত্যাশিত ঘটনা পুলিশসহ গোটা প্রশাসনের ভূমিকাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। আমরা অবিলম্বে শহীদ রেজাউল করিমের হত্যার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় নিয়ে আসার দাবি জানাচ্ছি। সেই সঙ্গে ঝিনাইগাতি উপজেলা প্রশাসনের ব্যর্থতা তদন্তপূর্বক তাদের বিরুদ্ধে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শেরপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংস ঘটনার প্রতিবাদে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম ও অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা তোফাজ্জল হোসেন মিয়াজী, এলডিপির সাংগঠনিক সম্পাদক এইচ এম নূরে আলম ও যুব বিষয়ক সম্পাদক আমান সুবহান, খেলাফত মজলিসের প্রচার সম্পাদক আবদুল আজিজ খসরু, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক এইচ এম জিয়াউল আনোয়ার ও গণসংযোগ ও মিডিয়া বিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাবলু, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির দপ্তর সম্পাদক শহিদুল আলম, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও জামায়াত নেতা জাহিদুর রহমান এবং বিশিষ্ট সাংবাদিক অলিউল্লাহ নোমান।

অ্যাডভোকেট জুবায়ের বলেন, বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেলের উসকানি ও সরাসরি নির্দেশে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। সেখানে বিএনপির সন্ত্রাসীরা আগেই জামায়াত ও ১১ দলীয় প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলকে হত্যার উদ্দেশ্যে অবস্থান করছিল।

তিনি উদ্বেগের সঙ্গে বলেন, ঘটনাস্থলে কর্তব্যরত ইউএনও ও পুলিশ প্রশাসন সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অবস্থান না নিয়ে নীরবতা পালন করেছে।

এতে প্রমাণিত হয়, প্রশাসন একদিকে হেলে পড়েছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বলে কিছু থাকবে না এবং পুরো নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে। সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে এখনই সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে বিএনপির সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশ একটি উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে যাওয়ার কথা ছিল।

জুলাই বিপ্লবের পর দেশের রাষ্ট্র কাঠামো ও রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তনের মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহমর্মিতা ও সহযোগিতার পরিবেশ বজায় থাকার কথা ছিল। কিন্তু গতকাল (২৮ জানুয়ারি) শেরপুরের ঝিনাইগাতি উপজেলায় ঘটে যাওয়া ঘটনা সেই পরিবেশকে ম্লান করে দিয়েছে।
উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ঝিনাইগাতি ও শ্রীবরদী উপজেলা সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী আসনের প্রার্থীদের নিয়ে ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বিএনপির একদল উগ্র ও উচ্ছৃঙ্খল নেতাকর্মীর উসকানিতে ১১ দলীয় জোট ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। সংঘর্ষের একপর্যায়ে জামায়াতে ইসলামীর শ্রীবরদী উপজেলা সেক্রেটারি রেজাউল করিমকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

পরে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেলসহ নেতাকর্মীরা স্টেডিয়াম থেকে বের হয়ে দক্ষিণে ঝিনাইগাতি বাজারে অবস্থান নেন, আর জামায়াত ও ১১ দলীয় প্রার্থী ও সমর্থকরা মাঠে অবস্থান করেন।

এ সময় বিএনপি সমর্থক ফাহমী গোলন্দাজ সোহেল ফেসবুকে ‘জামায়াতের বাদলকে পেলে জবাই করা হবে’ এমন উসকানিমূলক স্ট্যাটাস দেন।
ঘটনাপ্রবাহে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের ব্যর্থতার চিত্র স্পষ্ট হয়েছে। প্রথম দফায় পুলিশ সক্রিয় হলে পরিস্থিতি এত দূর গড়াত না। বরং পুলিশ নিষ্ক্রিয় দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে, যদিও পরে সেনাবাহিনী এসে সংঘর্ষ থামানোর চেষ্টা করে।

সাম্প্রতিক সময়ে সারা দেশে জামায়াত ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের প্রচারণায় বাধা, নারী কর্মীদের ওপর হামলা ও নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে। প্রশাসনকে বারবার জানানো হলেও দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে লিখিত বক্তব্যে দাবি করা হয়।

এই বিভাগের আরো খবর