1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
সুনামগঞ্জের মধ্যনগরে দৃষ্টিহীন রহিমা বেগমের কুঁড়েঘরে কষ্টের জীবন - আজকের কাগজ
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
যৌক্তিক হারে গণপরিবহন ভাড়া না বাড়ালে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি জাতীয় ক্যানসার হাসপাতালের উপপরিচালককে ছুরিকাঘাত ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছি: প্রধানমন্ত্রী কুড়িগ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে বৃদ্ধ পিতাকে পিটিয়ে ঘরে বন্দি ইরানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর আজ, দাবি ট্রাম্পের মন্ত্রীদের প্রটোকল দিতে ডিসি-এসপিদের নতুন নির্দেশনা ‎পদোন্নতি সংকটে উত্তাল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়: পরশু থেকে পূর্ণাঙ্গ একাডেমিক শাটডাউনের ঘোষণা চৌদ্দগ্রামে বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে জামায়াত-শিবিরের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন নওগাঁয় হাম টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু জবির কেন্দ্রীয় মসজিদে তালা, ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা

সুনামগঞ্জের মধ্যনগরে দৃষ্টিহীন রহিমা বেগমের কুঁড়েঘরে কষ্টের জীবন

ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬ ৪:৪৯ পিএম
শেয়ার করুন

মধ্যনগর উপজেলার ১নং উত্তর বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামের মোছাঃ রহিমা বেগম (৭০) দীর্ঘদিন ধরে দৃষ্টিহীনতায় ভুগছেন। দারিদ্র্য, চিকিৎসাহীনতা ও আর্থিক অক্ষমতার কারণে তার জীবনযাপন একেবারেই দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।

পরিবার ও প্রতিবেশী সূত্রে জানা যায়, হতদরিদ্র রহিমা বেগম একসময় ভিক্ষা করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। কিন্তু বেশ কিছুদিন ধরে তিনি সম্পূর্ণ দৃষ্টিশক্তি হারানোর কারণে কোথাও যেতে পারেন না। চোখের অপারেশন বা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করানোর মতো সামর্থ্য না থাকায় প্রতিনিয়ত কষ্টে দিন কাটছে তার। অনেক সময় উপোস থেকেও থাকতে হয় তাকে।

স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, রহিমা বেগমের নিজস্ব কোনো জমি বা স্থায়ী বসতভিটা নেই। বর্তমানে তিনি অন্যের একটি ভাঙা কুঁড়েঘরে বসবাস করছেন। খাদ্য ও চিকিৎসার অভাবে তার শারীরিক অবস্থা দিন দিন অবনতি হচ্ছে।

প্রতিবেশী মোঃ আব্দুল গনি বলেন, “তারা ঠিকমতো খেতে পারছে না। মাঝে মধ্যে গ্রামবাসী সহযোগিতা করে। কিন্তু চিকিৎসার অভাবে চোখের অবস্থা আরও খারাপ হচ্ছে।”

অসুস্থ রহিমা বেগম জানান, “আমাদের দেখাশোনা করার কেউ নেই। যদি দেশ-বিদেশের কোনো হৃদয়বান মানুষ সাহায্য করেন, হয়তো আমার দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেতে পারি। বিশেষ করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা যদি চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন, তাহলে বাঁচার আশা জাগবে।”

স্থানীয়দের দাবি, সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে জরুরি ভিত্তিতে রহিমা বেগমের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। মানবিক সহায়তা ও চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত হলে অন্তত জীবনের শেষ সময়টুকু একটু স্বস্তিতে কাটাতে পারবেন এই দৃষ্টিহীন বৃদ্ধা।

এই বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *