1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
রামিসা হত্যা মামলায় অপরাধ স্বীকার করে ক্ষমা চাইলেন সোহেল - আজকের কাগজ
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন

রামিসা হত্যা মামলায় অপরাধ স্বীকার করে ক্ষমা চাইলেন সোহেল

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬ ৮:৩৮ পিএম
শেয়ার করুন

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছর বয়সী শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা জেল আপিলে নিজের অপরাধ স্বীকার করে আদালতের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এই আসামি দাবি করেছেন, আর্থিক সংকট, পারিবারিক অশান্তি এবং দীর্ঘদিনের মাদকাসক্তির কারণে অবচেতন অবস্থায় এ নৃশংস ঘটনা ঘটেছে।

রোববার (১৪ জুন) হাইকোর্টে দাখিল করা জেল আপিলের বক্তব্যে সোহেল রানা বলেন, তিনি আর্থিকভাবে অসচ্ছল এবং একটি অটোরিকশা গ্যারেজে মিস্ত্রির কাজ করতেন। পাশাপাশি তিনি নিয়মিত ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকে আসক্ত ছিলেন।

জেল আপিলে তিনি উল্লেখ করেন, মাদকাসক্তির কারণে তার পরিবারে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকত। এর আগে তিনি কখনও কোনো অপরাধে জড়িত ছিলেন না বলেও দাবি করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ভিকটিমের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি মাদকাসক্ত ও নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ঘটেছে।

সোহেল রানা আরও বলেন, আমার আর্থিক অভাব, পারিবারিক অশান্তি এবং মাদকাসক্তির কারণেই ঘটনাটি সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত ও অবচেতনভাবে ঘটেছে। কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, আমি বুঝতে পারিনি। আমার একটি মাত্র ছেলে রয়েছে। তার লেখাপড়ার খরচ ও পরিবারের ভরণপোষণের দায়িত্ব নেওয়ার মতো আর কেউ নেই। আমি ভুল করেছি, আমি ক্ষমা চাই।

অন্যদিকে, একই মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার জেল আপিলে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন। তিনি আদালতের কাছে খালাস প্রার্থনা করেছেন।

এর আগে গত ১১ জুন কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে হাইকোর্টে জেল আপিল করেন সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার। রোববার হাইকোর্ট তাদের আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পল্লবীর বাসা থেকে বের হয় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিবেশী স্বপ্না খাতুন তাকে কৌশলে নিজেদের বাসায় ডেকে নেন।

পরবর্তীতে রামিসাকে খুঁজে না পেয়ে তার পরিবার অনুসন্ধান শুরু করে। একপর্যায়ে সোহেলের বাসার দরজার সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তার মা। কোনো সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং একটি বালতির ভেতরে তার কাটা মাথা দেখতে পান বাবা-মা।

খবর পেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্বপ্নাকে আটক করে। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ঘটনার পরদিন, ২০ মে রাতে শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

এই বিভাগের আরো খবর