1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
শাহআলী থানা পুলিশের হেফাজত থেকে হাতকড়াসহ সুমন পলাতক, "দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ পুলিশের.! - আজকের কাগজ
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
মেরিনড্রাইভে ২৫০ অবৈধ রিসোর্ট: অভিযানে নামছে কক্সবাজার প্রশাসন আজকের শিক্ষার্থীরাই দেশের ভবিষ্যৎ কর্ণধার: রাষ্ট্রপতি শাহআলী থানা পুলিশের হেফাজত থেকে হাতকড়াসহ সুমন পলাতক, “দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ পুলিশের.! সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির প্রার্থী এলিজা জামান দিল্লির জামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবি মানল কর্তৃপক্ষ যৌতুকের জন্য স্ত্রী-কন্যা নিহতের ঘটনায় স্বামী মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শ্রীপুরে মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ার করবে পুলিশ: আইজিপি ট্রাইব্যুনালে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন দুই আইনজীবী ট্রাম্প নির্দেশ দিলে ৯৬ ঘণ্টার মধ্যে ইরানে বড় হামলার প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রের

শাহআলী থানা পুলিশের হেফাজত থেকে হাতকড়াসহ সুমন পলাতক, “দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ পুলিশের.!

এস এম রাসেল
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬ ৪:২৩ পিএম
শেয়ার করুন

রাজধানীর শাহআলী থানা পুলিশের হেফাজত থেকে হাতকড়া পরা অবস্থায় সুমন নামে এক ছিনতাইকারি আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় পুলিশের দায়িত্বে চরম অবহেলার অভিযোগ উঠেছে।এরকম ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পেশাদারিত্ব ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলছে সচেতনমহল।

সূত্রে জানা গেছে, মিরপুরের বুদ্ধিজীবী এবং মাজার এলাকার চিহ্নিত ছিনতাইকারী চক্রের মূল হোতা সুমনকে গ্রেফতারে অভিযান চালায় শাহ্আলী থানা পুলিশের এস আই আমির হামজা সহ তার সঙ্গী ও ফোর্স। বুদ্ধিজীবী কবর স্থান এবং মাজার এলাকার চিহ্নিত ছিনতাইকারী হিসেবে তালিকায় ছিলেন সুমনসহ তার সহযোগীদের নাম। সুমন গ্রেফতার হলে থানায় আনার পর থানা হেফাজত থেকেই পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে সবার সামনেই হাতকড়া সহ পালিয়ে যায় সে। এ ঘটনা নিমিসেই ছড়িয়ে পড়লে তা ধামাচাপা দিতে চেষ্টা করে শাহআলী থানা পুলিশ।

শুক্রবার ২৩ অক্টোবর রাত ৮’ টার দিকে মাজার সামনে থেকে সুমনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় শাহ্আলী থানা পুলিশের এসআই আমির হামজা ও তার টিমের সদস্যরা। গ্রেফতারের পর সুমনকে হাতকড়া পরিয়ে থানায় নিয়ে আসা হয় ,থানা ফটকে আনার পর গাড়ি থেকে নামানো হলে চালাক চতুর চিহ্নিত ছিনতাইকারী সুমন পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে সুকৌশলে হাতকড়া নিয়ে থানা ফটকের সামনে থেকে দ্রুত পালিয়ে যায়।

একজন আসামি কীভাবে হাতকড়া পরা অবস্থায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাত থেকে পালিয়ে যায়, তা নিয়ে জনমনে ব্যাপক প্রশ্ন ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, পুলিশের অসতর্কতা ও দায়িত্বে গাফিলতির কারণেই এই পলায়নের ঘটনা ঘটেছে। এতে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কা দেখা দিয়েছে। একজন ছিনতাইকারী এভাবে প্রকাশ্যে পালিয়ে গেলে সে আরও বড় ধরনের অপরাধে জড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

পালাতক আসামী সুমন তার পিতার নাম-সৈয়দ আলী, দারুস সালাম থানা এলাকার জহুরাবাদের বাসিন্দা। হাতকড়া সহ পালিয়ে যাওয়ার পর গভীর রাতে দুই গাড়ি পুলিশ নিয়ে দারুসালামের জহুরাবাদের বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে কিন্তু সেখান থেকেও চিহ্নিত ছিনতাইকারী সুমনকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ উদ্ধার হয়নি খুইয়ে যাওয়া হাতকড়া।

এ বিষয়ে শাহআলী থানার এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, পলাতক আসামিকে ধরতে অভিযান চলছে। তবে সচেতন মহলের মতে, শুধু অভিযান নয়, দায়িত্বে অবহেলাকারী পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। অন্যথায় আইনের প্রতি মানুষের আস্থা কমে যাবে। এ ধরনের ঘটনা রোধে আসামি পরিবহন ও হেফাজতে রাখার ক্ষেত্রে আরও বেশি সতর্কতা, পর্যাপ্ত জনবল নিশ্চিত করা এবং জবাবদিহিতা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন সচেতন  নাগরিকরা। তারা বলছেন, একজন আসামি হাতকড়া পরা অবস্থায় কীভাবে পালিয়ে যায়, তা প্রশাসনের জন্য অত্যন্ত বিব্রতকর। এটি শুধু দায়িত্বে অবহেলা নয়, পুরো পুলিশের নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতাকেই সামনে আনে।

আসামি পলায়নের তিনদিন অতিবাহিত হলেও গ্রেফতার হয়নি সুমন। তবে হাতকড়া উদ্ধারের গুঞ্জন উঠেছে এ ঘটনা নিয়েও রহস্যে দেখা দিয়েছে। চাবি ছাড়া কিভাবেই বা হাতকড়া খুলল আসামি সুমন! আর হাতকড়া উদ্ধারি বা কিভাবে করল পুলিশ ! তা নিয়ে নানা রহস্যের জন্ম দিয়েছে। হাত করা কি ভাঙ্গা ছিল নাকি পুলিশ কারও সাথে আঁতাত করে আসামিকে গ্রেফতার না করা শর্তে হাতকড়া উদ্ধারের নাটক করল এমন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে সচেতন নাগরিকদের মাঝে।

এ বিষয়ে শাহ্আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজিব হোসেন “আজকের কাগজকে” বলেন, দিয়াবাড়ি ঘাট থেকে পরিত্যক্ত লক ভাঙ্গা অবস্থায় হ্যান্ডকাফ উদ্ধার করা হয়েছে তবে আসামি গ্রেফতার করা হয়নি অভিযান চলছে। সুমনকে গ্রেপ্তারে একাধিক স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে অতি দ্রুতই তাকে গ্রেফতার করা হবে। এদিকে এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দায়িত্বে অবহেলা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই বিভাগের আরো খবর