
যুক্তরাষ্ট্রের সম্প্রতি অনুষ্ঠিত মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটিক পার্টি কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ ছিনিয়ে নেওয়ার পর ওয়াশিংটনে ইসরাইলের দীর্ঘদিনের শক্তিশালী ভূরাজনৈতিক অবস্থান ব্যাপক হুমকির মুখে পড়েছে। এই নির্বাচনি ফলাফলের কারণে ট্রাম্প প্রশাসনের পররাষ্ট্রনীতি এবং বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য নীতি নিয়ে খোদ রিপাবলিকানদের অভ্যন্তরীণ তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ পাচ্ছে। বেশ কয়েকজন শীর্ষ দলীয় নেতা নির্বাচনে ভরাডুবির পেছনে ইরানের সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় সংঘাত ও মার্কিন জীবনযাত্রার চরম ব্যয়বৃদ্ধিকে মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করছেন। তার এই অবস্থান রিপাবলিকানদের অতীতের মধ্যবর্তী নির্বাচনি প্রচারে ব্যবহৃত ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ বার্তার সঙ্গে অনেকটাই মিলে যায়। তবে ভ্যান্সের বক্তব্য অন্তত একটি বিষয় স্পষ্ট করেছে—নেতানিয়াহুর সঙ্গে রিপাবলিকানদের সম্পর্কেও ফাটল তৈরি হচ্ছে।
নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর রিপাবলিকান পার্টির ভেতরের কোন্দল ও দায় চাপানোর প্রক্রিয়া জোরদার হয়েছে। দলটির ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক বক্তব্যে মন্তব্য করেন যে, মধ্যবর্তী নির্বাচনে তাদের দলের এ ধরনের বিপর্যয়কর ফলাফলের প্রকৃত কারণ রাজনীতিসচেতন মার্কিন নাগরিকদের কাছে অত্যন্ত পরিষ্কার। মূলত মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক সংঘাত তীব্র হওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানি তেলের দাম অস্বাভাবিক বেড়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে সামগ্রিক জীবনযাত্রার ওপর। এরপর রিপাবলিকান শিবিরে পরাজয়ের কারণ নিয়ে শুরু হয় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইরানের বিরুদ্ধে এই সামরিক তৎপরতায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি তহবিল থেকে প্রায় ৪৭ বিলিয়ন ডলার অর্থ ব্যয় হয়েছে। রিপাবলিকান নেতাদের একাংশের ধারণা, ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনকে ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি হামলা ও সামরিক সংঘাতে টানার ক্ষেত্রে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকার বড় ধরনের প্রভাব বিস্তার করেছিল। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন সামরিক অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্তের পেছনে নেতানিয়াহু প্রশাসনের সরাসরি প্ররোচনা ছিল বলে মনে করেন ওয়াশিংটনের অনেক রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ। সেসময় ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল যে তেহরান পারমাণবিক বোমার তৈরির চূড়ান্ত পর্যায়ের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে, যদিও সেই দাবির পক্ষে কোনো গ্রহণযোগ্য তথ্য বা প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।
জেডি ভ্যান্স আরও জানান, সুইং ভোটার বা যারা এবার দল পরিবর্তন করে ডেমোক্র্যাটদের ভোট দিয়েছেন, তাদের ওপর চালানো এক জরিপে দেখা গেছে তারা রিপাবলিকানদের দিকে ফিরে আসার জন্য চারটি পূর্বশর্ত দিয়েছেন। তার মধ্যে প্রথম ও প্রধান শর্তটি হলো অবিলম্বে ইরানের সঙ্গে সব ধরনের যুদ্ধের অবসান ঘটানো এবং সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক বোঝা কমাতে জীবনযাত্রার খরচ হ্রাস করা। এ ছাড়া ‘আমেরিকা ফাস্ট’ নীতির সঠিক বাস্তবায়ন চান তারা। তবে এসব গণদাবি ডোনাল্ড ট্রাম্পের আগের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির একেবারেই বিপরীতমুখী, কারণ তিনি বিদেশের মাটিতে আমেরিকানদের রক্ত ও অর্থ ব্যয় বন্ধের আশ্বাস দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন।
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) পরিচালিত একটি বিস্তৃত জরিপের তথ্যে প্রকাশ পেয়েছে যে, মধ্যবর্তী নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রতি ১০ জন মার্কিন ভোটারের মধ্যে প্রায় ৬ জনই স্পষ্ট মত দিয়েছেন যে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন বাহিনীর যুদ্ধ পরিচালনার সিদ্ধান্তটি পুরোপুরি ভুল ছিল। লন্ডনের বিখ্যাত গবেষণাপ্রতিষ্ঠান চ্যাথাম হাউসের আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ অ্যান্ড্রিউ পেইন আলজাজিরাকে জানান, সাধারণ ভোটাররা হয়তো ভূরাজনৈতিক সংঘাতের সব কারিগরি বা কৌশলগত বিশদ বিবরণ বিশ্লেষণ করেননি, তবে সামরিক বাজেটের ধাক্কায় তাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার খরচ যেভাবে বেড়েছে—তার সঙ্গে এই যুদ্ধের প্রত্যক্ষ যোগাযোগ তারা সুস্পষ্টভাবে বুঝতে পেরেছেন।
গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর অব্যাহত হামলা এবং লেবাননে আগ্রাসনের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের বিপুল অর্থায়নে দেশটির বহু সাধারণ নাগরিক অনেক আগে থেকেই ক্ষুব্ধ ছিলেন। বিশেষ করে মিশিগান অঙ্গরাজ্যে ডেমোক্র্যাটদের হয়ে সিনেটে জয় পাওয়া প্রথম মুসলিম সদস্য আবদুল আল-সাইয়েদের বিজয় ইসরাইলবিরোধী জনমতের এক শক্তিশালী প্রতিফলন ঘটিয়েছে। এই আসনে তাকে থামাতে ইসরাইলপন্থী লবিগোষ্ঠী আমেরিকান ইসরাইল পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কমিটি (এআইপ্যাক) বিপুল পরিমাণ অর্থ ঢাললেও শেষ রক্ষা হয়নি। ইসরাইলবিরোধী অবস্থানেও জয় ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর।
নির্বাচনে অভাবনীয় জয়ের পর সমর্থকদের সামনে ভাষণে আল-সাইয়েদ স্পষ্ট ভাষায় বলেন যে, মার্কিন জনগণের ট্যাক্সের টাকা কোনোভাবেই বর্ণবাদী শাসনব্যবস্থা, গণহত্যা বা বিদেশের মাটিতে বেআইনি যুদ্ধে ব্যয় হওয়া উচিত নয়। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক নীতির আমূল পরিবর্তনের দাবি তোলেন। রাজনৈতিক আদর্শের দিক থেকে জেডি ভ্যান্স ও আবদুল আল-সাইয়েদ সম্পূর্ণ ভিন্ন অবস্থান ধরে রাখলেও, উভয়ের রাজনৈতিক বার্তা একটি জায়গায় এসে মিলেছে—নেতানিয়াহু সরকারের নীতি যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব নির্বাচনি রাজনীতিতে এখন বড় ধরনের বোঝা হিসেবে দেখা দিয়েছে। রাজনৈতিক অবস্থানের দিক থেকে ভ্যান্স ও আল-সাইয়েদ দুই বিপরীত মেরুর মানুষ।
মধ্যপ্রাচ্য বিশেষজ্ঞ ড্যানিয়েল লেভির মতে, মার্কিন লবিগোষ্ঠীগুলো এখন ইসরাইলের ওপর সরাসরি চাপ কমাতে কৌশল বদলাতে পারে। তারা ইসরাইলের প্রতি মার্কিন জনমতের চরম অসন্তোষকে আড়াল করতে পুরো দোষ নেতানিয়াহু কিংবা তার মন্ত্রিসভার উগ্র ডানপন্থী নেতা ইতামার বেন গভির এবং বেজালেল স্মতরিচের ওপর চাপানোর চেষ্টা করবে। একই ধরনের যুক্তি তুলে ধরেছেন ইসরাইলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইয়ার লাপিদ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে যারা ইসরাইলি নীতির সমালোচনা করছেন, তারা মূলত ইসরাইল রাষ্ট্রের বিরোধী নন, বরং নেতানিয়াহু সরকারের উগ্র আচরণ এবং তাদের ডেমোক্র্যাটদের বাদ দিয়ে কেবল রিপাবলিকানদের প্রকাশ্য সমর্থন দেওয়ার যে দলীয় ভুল রাজনৈতিক পদক্ষেপ ছিল—তার বিরুদ্ধে কথা বলছেন। একই ধরনের আরেকটি উদ্যোগে ১ হাজার পাউন্ড ওজনের বোমা বিক্রির বিরোধিতা করেন ৩৬ জন। ম্যাবন আরো বলেন, ইসরাইলের প্রতি জনসমর্থন কমে আসার বিষয়টি কাজে লাগাতে পারেন ডেমোক্র্যাটরা।
অন্যদিকে, মধ্যবর্তী নির্বাচনে বড় অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগ করেও এআইপ্যাক বেশ চাপের মুখে রয়েছে। যদিও নির্বাচনের পরপরই এআইপ্যাক দাবি করেছে যে তাদের সমর্থিত ২৩৪ জনেরও বেশি প্রার্থী জয়লাভ করেছেন এবং তারা ডেমোক্র্যাটিক নেতা চাক শুমার ও হাকিম জেফরিসকে বিজয়ের শুভেচ্ছা জানিয়েছে। তবে রাজনৈতিক গবেষণাপত্র ‘রেসপনসিবল স্টেটক্রাফট’-এর প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ২০২৬ সালের নির্বাচনে এআইপ্যাকের সংযুক্ত তহবিল ইউনাইটেড ডেমোক্রেসি প্রজেক্ট (ইউডিপি) কেবল তাদের পছন্দের প্রাক-প্রাথমিক প্রার্থীদের জয় নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়নি, বরং তাদের সফলতার হার অতীত রেকর্ডের তুলনায় তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। মিশিগানে আল-সাইয়েদকে পরাজিত করতে ইউডিপির রেকর্ড অর্থ ব্যয় পুরোপুরি পানিতে গেছে। বুধবার রাতে এআইপ্যাক দাবি করেছে, তাদের সদস্যদের সমর্থন পাওয়া ২৩৪ জনের বেশি প্রার্থী নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন। গবেষণাপত্র রেসপনসিবল স্টেটক্রাফটের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এআইপ্যাকের সুপার পিএসি ইউনাইটেড ডেমোক্রেসি প্রজেক্ট (ইউডিপি) এবং সংশ্লিষ্ট কয়েকটি রাজনৈতিক কমিটি বিভিন্ন নির্বাচনি প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৮ কোটি ৪১ লাখ ডলার ব্যয় করে। এর মধ্যে ৫ কোটি ৫৩ লাখ ডলার ব্যয় করা হয়েছে এমন প্রার্থীদের পক্ষে, যারা শেষ পর্যন্ত হেরে গেছেন। তুলনায়, ২০২২ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে ইউডিপির ব্যয়ের যথাক্রমে ৬৯ ও ৮৭ শতাংশ গেছে তাদের পছন্দের প্রার্থীদের জয় পাওয়া নির্বাচনি লড়াইয়ে। রেসপনসিবল স্টেটক্রাফটের হিসাব অনুযায়ী, প্রাথমিক ও সাধারণ নির্বাচন মিলিয়ে আল-সাইয়েদকে পরাজিত করতে ইউডিপি ৩ কোটি ১৪ লাখ ৭০ হাজার ডলার ব্যয় করেছে।
নির্বাচনের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনুধাবন করতে পেরে ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেও ইসরাইলকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে সুর পরিবর্তন করেছেন। ভোটিংয়ের দিনে তিনি এক বক্তব্যে ইঙ্গিত দেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে ইসরাইলকে চিরকাল ধরে বিনামূল্যে সামরিক অনুদান দেওয়া সম্ভব নয়। বর্তমান আইনগত ও দ্বিপাক্ষিক চুক্তি অনুসারে, ২০২৮ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত ওয়াশিংটন প্রতি বছর ইসরাইলকে ৩৮০ কোটি ডলার মূল্যের সামরিক সহায়তা প্রদান করতে বাধ্য। তবে হোয়াইট হাউস চাইলে এই অনুদান নবায়ন না করার কিংবা এতে নানা শর্ত জুড় দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। তবে নির্ধারিত সময়ের আগেই কীভাবে এই অর্থ দেওয়া বন্ধ করা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি ট্রাম্প। আলজাজিরাকে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, কমিটির শুনানি ও তদন্তের মাধ্যমে গাজায় যুক্তরাষ্ট্রের সরবরাহ করা অস্ত্র কীভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে পারেন আইনপ্রণেতারা। বর্তমান প্রশাসন এমনভাবে এই ক্ষমতা ব্যবহার করছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতার ভারসাম্য ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করছে।
কংগ্রেসের উভয় কক্ষে ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় এখন থেকে তেল আবিবকে অস্ত্র সরবরাহের ক্ষেত্রে চরম নজরদারির মুখোমুখি হতে হবে। মার্কিন কংগ্রেস ভবিষ্যতে ইসরাইলের কাছে মারাত্মক কোনো অস্ত্র বিক্রির ক্ষেত্রে কঠোর শর্ত আরোপ করতে পারে অথবা নির্দিষ্ট মেয়াদে অস্ত্র হস্তান্তর পুরোপুরি স্থগিত রাখার বিল পাস করতে পারে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে ইসরাইলের মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে রিপোর্ট পেশ করার আহ্বান জানানো হয়েছিল এবং ওই বছরের এপ্রিলে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক বুলডোজার রপ্তানির বিরুদ্ধে ৪০ জন সিনেটর প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে ইসরাইলের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরকে প্রতিবেদন দিতে বাধ্য করার একটি প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন ১১ জন সিনেটর। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে ইসরাইলের কাছে অস্ত্র বিক্রি বন্ধের প্রস্তাবটি পরবর্তী পর্যায়ে নেওয়ার পক্ষে ভোট দেন ২৭ জন সিনেটর। প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সামরিক প্রযুক্তি এবং বৃহত্তর অর্থনীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইসরাইলের সম্পর্কও দেশটিকে চাপ সামলে উঠতে সহায়তা করতে পারে।
যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে ডেমোক্র্যাটরা ইসরাইল-বিরোধী কোনো ‘উন্মাদ’ বিল পাস করলে তিনি প্রেসিডেন্সিয়াল ভেটো ক্ষমতা ব্যবহার করে তা বাতিল করবেন, তবুও ওয়াশিংটনের রাজনীতিতে ইসরাইল ইস্যুতে পরিবর্তন ঠেকানো কঠিন হবে। সাবেক কূটনীতিক ড্যানিয়েল লেভি স্মরণ করিয়ে দেন যে, মার্কিন নির্বাহী বিভাগের সীমিত ক্ষমতার তোয়াক্কা না করে নতুন সংখ্যাগরিষ্ঠ ডেমোক্র্যাটরা বাজেট পাসের প্রক্রিয়ায় কঠোর শর্ত যুক্ত করতে পারে। ফলে আগামী ২০২৮ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারণায় যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্য নীতি ও বিশেষ করে ইসরাইল-ইরান যুদ্ধ অন্যতম প্রধান জাতীয় ইস্যুতে পরিণত হতে যাচ্ছে।