দেশে হামে আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে একদিনে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২৯ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে। অধিদপ্তর জানায়, বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল
ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে ছুটির আমেজ। প্রতিবছরের মতো এবারও ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছাড়ছেন লাখো মানুষ। অনেকেই পরিবার ও শিশু সন্তানদের নিয়ে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছেন, আবার ঈদের দিনে অনেকেই
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে ১৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ২২৪ জন শিশু। সোমবার (২৪ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক প্রতিবেদনে
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আরও ১৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে একজন শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছিল। একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি
দেশে ভয়াবহ হামের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত প্রতিদিনই হাম ও উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংবাদ দিচ্ছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এই ৬৮ দিনে মৃত্যু ৫০০ ছুঁই ছুঁই হয়ে
গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৪৮৮ জনে দাঁড়ালো। বৃহস্পতিবার (২১ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের
কঙ্গোতে (গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গো) ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী ইবোলা ভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সংস্থাটির কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন, প্রাথমিক ধারণার চেয়েও দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়ছে এই
সারাদেশে গেলো ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আরও ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে দুইজন এবং হামের উপসর্গে ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটির সময়ে দেশের হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহে চিকিৎসা সেবা নিরবচ্ছিন্ন রাখতে বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। আগামী ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত এই ছুটির সময়ে
রাজধানীসহ সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৪৯৪ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে। সোমবার