দেশজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় এডিস মশাবাহী ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়েছে আরও ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে চলতি বছর মশাবাহিত রোগটিতে মোট প্রাণহানি ৬৫ জনে দাঁড়াল। অন্যদিকে গত একদিনে নতুন করে ৬৯৩
সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ের মধ্যে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৬৩ জন। রোববার স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১৯ শিশু। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের
গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হামের উপসর্গে আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১১৫ শিশুর হাম শনাক্ত হয়েছে, হাম উপসর্গ দেখা গেছে এক হাজার ২২ শিশুর মধ্যে। আর
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে হাম ও হামের উপসর্গে প্রাণহানি বেড়ে ৮১৬ জনে দাঁড়িয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে
সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও আট শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একইসময়ে সন্দেহজনক হাম উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে ৯৭৪ জন। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য
চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক সেবন এবং নির্ধারিত কোর্স সম্পন্ন না করার কারণে দেশে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) একটি বড় জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পরিণত হচ্ছে। এ কারণে বিনা প্রেসক্রিপশনে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি রোধে বিদ্যমান
সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হামে আক্রান্ত হয়েছে ৯৯০ জন। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) এসব তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে,
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে নতুন করে আরও ৬৯৬ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ দেখা গেছে। রোববার (১২
গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম উপসর্গে নিয়ে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ২৯ জন। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে ১০ জুলাই