
আবাসন বৃত্তির প্রথম কিস্তিতেই ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ অর্থাৎ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ২০ তম আবর্তনের শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে প্রশাসন ও জকসু প্রতিনিধিদের নিকট ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে আবাসন বৃত্তি থেকে বঞ্চিত জবির ২০ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) ২০ ব্যাচের অধিকার বঞ্চিত শিক্ষার্থীদের এক যৌথ বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়।
বিবৃতিতে শিক্ষার্থীরা জানান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট নিরসনে প্রাশাসনের আবাসন বৃত্তির উদ্যোগকে তারা স্বাগত জানান।তবে নবীনতম ২০ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ১ম কিস্তিতে অন্তর্ভুক্ত না করা চরম বৈষম্যমূলক আচরণ বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।প্রকাশিত প্রথম তালিকায় ৮,৩৩০ জন শিক্ষার্থীর নাম থাকলেও সেখানে নেই ২০ ব্যাচের কোন শিক্ষার্থীর নাম যা চরম বৈষম্যমূলক বলে উল্লেখ করা হয়েছে।দাবী মানা না হলে রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ১০ টা থেকে ভিসি ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
জকসুর ভোটার তালিকার পরিসংখ্যান অনুযায়ী বলা হয়,ছাত্রীহলে অবস্থানরত প্রায় ১২৪২ জনের বেশি শিক্ষার্থী রয়েছে যারা একই সাথে হলের সিট এবং আবাসন বৃত্তির আর্থিক সুবিধা ভোগ করার সুযোগ পাচ্ছেন। আবাসন বৃত্তির মূল উদ্দেশ্য যেখানে শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট লাঘব করা সেখানে একদল শিক্ষার্থী দ্বৈত সুবিধা পাচ্ছেন এবং ২০ ব্যাচের মতো নবীব শিক্ষার্থীদের বৃত্তি থেকে সম্পূর্ণ বঞ্চিত করা কোন ভাবেই যৌক্তিক নয় বলে জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
বিবৃতিতে শিক্ষার্থীরা বলেন, আবাসন বৃত্তির ২য় খসরা তালিকায় ২০ ব্যাচের ১,৯৮৯ জন শিক্ষার্থী রয়েছেন। প্রথম কিস্তিতেই এই শিক্ষার্থীদের যুক্ত করতে হবে।এর সমাধান হিসাবে প্রথম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছাত্রী হলে অবস্থানরত ও ক্যাম্পাসের আশেপাশের এলাকায় যারা স্থানীয়দের মধ্যে যারা প্রকৃত অর্থে সংকটে নেই,তাদের বাদ দিয়ে সেই ফান্ড থেকে ২০ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সংস্থান করা হোক।প্রয়োজনে গড় প্রতি শিক্ষার্থীকে ৩০০০ টাকার পরিবর্তে ২৫০০ বা তার কাছাকাছি পরিমাণ অর্থ বা বিকল্প কোন উত্তম পন্থা অবলম্বন করে এই সংকট দুর করা হোক এটাই তাদের স্পষ্ট দাবী।
উল্লেখ্য, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অর্থাৎ ২৫ জানুয়ারি রবিবার সকাল ৯ টার মধ্যে আবাসন বৃত্তির প্রথম কিস্তিতে ২০ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা না হলে রবিবার সকাল ১০ টা থেকে ভিসি ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে শিক্ষার্থীরা এবং এর সম্পূর্ণ দায়ভার প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের বহন করতে হবে বলে জানান তারা।