1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
বঙ্গবন্ধু শান্তি পদক চালু, সম্মানি কোটি টাকারও বেশি - আজকের কাগজ
শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ০২:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
রাতের মধ্যে ব্যাপক ঝড়-বৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরেও সতর্কতা ব্যাংকক সফর সংক্ষিপ্ত করে শুক্রবার দেশে ফিরছেন স্পিকার গোপালগঞ্জে নারী আইনজীবীকে ঢিল ছুড়ে আঘাত করা সেই বিচারক প্রত্যাহার ইসরায়েলকে স্বীকৃতির শর্তেই সৌদি আরবের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি: ট্রাম্প মিরপুর বিআরটিএতে অভিযান, আটক ৮ টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়ন বিভক্তি নিয়ে মতবিনিময় সভায় হামলা-ভাঙচুর, আহত কয়েকজন কালিয়াকৈরে বন্যপ্রাণী অপরাধ দমনে জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত বাল্যবিয়ে রোধে ৭৩ যুব সংগঠনের নজির কুড়িগ্রামে টেকনাফে র‌্যাবের অভিযানে ৪ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক মাদক মামলার আসামি গ্রেপ্তার চরফ্যাশনে ডিজিটাল লেনদেনে ক্যাশলেস বাংলাদেশ ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

বঙ্গবন্ধু শান্তি পদক চালু, সম্মানি কোটি টাকারও বেশি

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২০ মে, ২০২৪ ২:৪৪ পিএম
শেয়ার করুন

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে আন্তর্জাতিক শান্তি পদক দেবে বাংলাদেশ। এজন্য ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আন্তর্জাতিক শান্তি পদক নীতিমালা, ২০২৪’-এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এ পুরস্কারের আর্থিক সম্মানি দেওয়া হবে ১ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ কোটি ১৭ লাখ ১৮ হাজার ৮৯০ টাকা (১ ডলারের দাম ১১৭ দশমিক ১৯ টাকা হিসাবে)।

আজ সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৈঠকের বিষয়ে আজ বিকেলে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘১৯৭৩ সালের ২৩ মে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জুলিও কুরি শান্তি পদকে ভূষিত করা হয়েছিল। এটির ৫০ বছর পূর্তি আমরা গত বছর উদ্‌যাপন করেছি। সেখানে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন যে বঙ্গবন্ধুর নামে একটি শান্তি পুরস্কার তিনি প্রবর্তন করতে চান। সেই পরিপ্রেক্ষিতে আজকে একটি নীতিমালা আমরা উপস্থাপন করেছি। মন্ত্রিসভা সেটি আজকে অনুমোদন করেছে।’

তিনি বলেন, ‘এই নীতিমালার আওতায় বাংলাদেশ ও বিশ্বের যে কোনো প্রান্ত বা বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সংস্থাকে কয়েকটি ক্ষেত্রে অবদানের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শান্তি পুরস্কার দেওয়া যাবে।’

মাহবুব হোসেন বলেন, বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখা, যুদ্ধ নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ ও অবদান রাখা, দ্বন্দ্ব-সংঘাতময় পরিস্থিতিতে শান্তি প্রতিষ্ঠায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা, ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বিশ্ব গঠনে কার্যকর ভূমিকা রাখা, টেকসই সামাজিক পরিবেশগত অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাধ্যমে রাষ্ট্র ও সমাজের সামগ্রিক কল্যাণ সাধন- এ ক্ষেত্রগুলো পুরস্কার দেওয়ার ক্ষেত্রে বিবেচনায় নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, ৫০ গ্রাম ওজনের ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের একটি পদক এবং ১ লাখ মার্কিন ডলার সমপরিমাণ মূল্যের পুরস্কার দেওয়া হবে। ‌একই সঙ্গে একটি সনদপত্রও দেওয়া হবে। পুরস্কারটি প্রতি দুই বছরে একবার দেওয়া হবে। পুরস্কার দেওয়ার ক্ষেত্রে পৃথিবীর যেকোনো দেশ থেকে প্রস্তাব নেওয়া যাবে।

কারা কারা প্রস্তাব করতে পারবে নীতিমালায় সেটিরও বর্ণনা দেওয়া আছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, একটি দেশের সরকারপ্রধান, রাষ্ট্রপ্রধান বা সে দেশের সংসদ সদস্যরা প্রস্তাব পাঠাতে পারবেন। নোবেল বা অন্য কোনো আন্তর্জাতিক শান্তি পুরস্কারপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি কারও নাম প্রস্তাব করতে পারবেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে অবস্থিত বিদেশি যত দূতাবাস রয়েছে সেই দূতাবাসের প্রধানরা বা আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানরা পুরস্কারের জন্য নাম প্রস্তাব করতে পারবেন। বিদেশে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশন বা দূতাবাসের প্রধানরাও প্রস্তাব পাঠাতে পারবেন। জাতিসংঘের কোনো সংস্থাপ্রধানও নাম প্রস্তাব করতে পারবেন। তবে কোনো ব্যক্তি নিজে পুরস্কারের জন্য দাবি জানাতে পারবেন না।

মাহবুব হোসেন বলেন, নীতিমালা অনুযায়ী একটি জুরিবোর্ড গঠন করা হবে। জুরিবোর্ডের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। নিরপেক্ষ ও খ্যাতিসম্পন্ন লোকদের দ্বারাই জুরিবোর্ড গঠন হবে। ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবসে পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নাম ঘোষণা করা হবে। ২৩ মে বা কাছাকাছি সময়ে এ পুরস্কার প্রদান করা হবে।

তিনি বলেন, অর্থ বিভাগ এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দ দেবে। আগামী বছর (২০২৫) প্রথমবারের মতো এ পুরস্কার দেওয়া হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, মন্ত্রিসভা থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে- নীতিমালা দিয়ে কাজটি যেন শুরু করা হয়। এটিকে (নীতিমালা) যেন পরবর্তীকালে আইনে রূপান্তর করা হয়। আইনের মধ্যে একটি তহবিল তৈরি করতে বলা হয়েছে। যে তহবিলে সরকার বা বাইরের যে কোনো ব্যক্তি অনুদান দিতে পারবেন। পরবর্তীকালে তহবিল থেকেই ব্যয়ভার নির্বাহ করা হবে। তার আগ পর্যন্ত সরকারই এ ব্যয়ভার বহন করবে।

এই বিভাগের আরো খবর