1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
রফিক ভবনে মৃত্যু ঝুঁকিতে জবি শিক্ষার্থীরা, এক যুগেও হয়নি প্রয়োজনীয় সংস্কার - আজকের কাগজ
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
অনুমোদনহীন নির্মাণের অভিযোগে কুয়াকাটায় ইস্তানবুল হোটেলের কাজ বন্ধ নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি কি ক্ষমতা হারাচ্ছে? উত্তেজনায় ইসরায়েলি নির্বাচন ঢাকায় নতুন দুই মেট্রোরেল প্রকল্পে ঠিকাদার নিয়োগে ৪ চুক্তি সই হুথিদের হামলা বন্ধে ১০০ কোটি ডলারের প্রস্তাব দিল সৌদি আরব ঢামেক হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট: চরম ভোগান্তিতে রোগী ও স্বজনরা ভারতের দিকে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব: বাংলাদেশে কেমন প্রভাব পড়বে? শ্যালিকাকে বিয়ে, মুখে চুনকালি মাখিয়ে যুবক ও তার দুই স্ত্রীকে এলাকাছাড়া করল গ্রামবাসী খুলনায় ১৭ ঘণ্টায় তিন স্থানে গুলি: আতঙ্কে স্থানীয়রা পিরোজপুরের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করল জামায়াতে ইসলামী বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণ অনুসন্ধানে পিজিসিবির ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি

রফিক ভবনে মৃত্যু ঝুঁকিতে জবি শিক্ষার্থীরা, এক যুগেও হয়নি প্রয়োজনীয় সংস্কার

রোকুনুজ্জামান
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৫ আগস্ট, ২০২৫ ৯:৫৩ পিএম
শেয়ার করুন

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) রফিক ভবনের ছাদ ও দেয়ালের আবরন খুলে পড়ছে যত্রতত্র। যার ফলে ভবনের নিরাপত্তা নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা শিক্ষার্থীদের। ২০১৩ সাল থেকে বুয়েটের প্রতিনিধি কর্তৃক ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষনা হলেও আশ্বাসেই সীমাবদ্ধ জবি প্রশাসন, বাস্তবায়ন নেই সংস্কার কার্যক্রমের।

গত বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) রফিক ভবনের আবারণ ঘসে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেছে জবির বাংলা বিভাগের এক শিক্ষার্থী। প্রায় প্রতিদিনই বিভিন্ন অংশের প্লাস্টার স্তরও ভেঙ্গে পড়ছে। ২০১৩ সালেই রানা প্লাজা ধসের পর জবির কোন কোন ভবন বেশি ঝুঁকিপূর্ণ তা নির্ণয়ের জন্য কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কয়েকজন বিশেষজ্ঞকে দায়িত্ব প্রদান করে। তারা জরিপ চালিয়ে প্রতিবেদনে ৫টি ভবনকে বেশি ঝূঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেন। তার মধ্যে রফিক ভবন, বিজ্ঞান ভবন, কলা ভবন ছিলো অন্যতম। প্রায় এক যুগ পরেও যথাযথ সংস্কার ব্যতিতই বর্তমানে রফিক ভবনে বাংলা ও ইতিহাস বিভাগের শ্রেণিকক্ষ, কিছু অফিস ও নিচ তলায় মেডিকেল সেন্টারের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী হাবিবুল্লাহ বাবুল বলেন, “আজকে সকালে আমরা যাচ্ছিলাম এমন সময় আকস্মিকভাবে দেয়ালের আবরনের একাংশ আমাদের সামনে এসে পড়ে। আর একটু হলে সেটি আমাদের মাথায় পড়ত। সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে বেঁচে গেছি। দীর্ঘদিন ধরে ভবনের রক্ষণাবেক্ষণে অবহেলা করা হচ্ছে। প্রশাসনের এই গাফিলতির কারনে আমরা কোনো দুর্ঘটনার স্বীকার হতে চাই না। তাই আমরা চাই যথাসম্ভব দ্রুত বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে সমাধান করা হোক।”

এছাড়াও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী সুমন চন্দ্র রায় বলেন,“প্রায়ই ছাদ থেকে চুন ও প্লাস্টার খসে পড়ে। আমরা আতঙ্কে ক্লাস করি। পুরাতন ভবনগুলোর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ ও তদারকি প্রয়োজন। অন্যথায় যেকোনো সময় আমরা বড় কোনো দুর্ঘটনার সম্মুখীন হতে পারি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। কারণ সামান্য ভূমিকম্প হলেই রানা প্লাজার মতো ভয়াবহ দূর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতে পারে।”

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল দপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী হেলাল উদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, “আসলেই এটা চরম সত্য যে রফিক ভবনের অবস্থা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। আমরা একটা কোম্পানিকে দিয়ে রফিক ভবনসহ কয়েকটি ভবন অ্যাসেসমেন্ট করিয়েছি। বর্তমানে সীমিত আকারে রফিক ভবন সহ কিছু সংস্কার কাজ আমরা করবো। পাশাপাশি বড় ধরনের সংস্কার কাজ করার জন্য আমরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুতসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছি।”

এই বিভাগের আরো খবর