1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
৬০ লাখ টাকায়ও মেলেনি মুক্তি, আরও ২৭ লাখ দিতে দেরি হওয়ায় হত্যা - আজকের কাগজ
শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০২:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
নিজে গাড়ি চালিয়ে ঢাকা উত্তরের নগর ব্যবস্থাপনা পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী নতুন কুঁড়ির চ্যাম্পিয়ন কিসকুর মাকে চাকরির আশ্বাস যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর গ্যাসের দাম বাড়ালে পেট্রোবাংলা ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি নাহিদের শাহপরীরদ্বীপ সংলগ্ন সাগরে নৌকাডুবি: ১৮ রোহিঙ্গা জীবিত উদ্ধার, চিকিৎসা শেষে থানায় হস্তান্তর ডোবায় ভাসছিল গৃহবধূর লাশ, গলায় ওড়নায় বাঁধা কংক্রিটের ব্লক অ্যাসাইনমেন্টে শিক্ষকের নাম ভুল- ৩০০ বার লিখিয়ে শিক্ষার্থীকে শাস্তি ,সোস্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার ঝড় ৬৮ বছরের বন্দিদশা পেরিয়ে এক যুগের বাংলাদেশ, তবু ইউনিয়নের অপেক্ষায় দাসিয়ারছড়া গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে গণতান্ত্রিক চর্চার আহ্বান সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর পল্লবীতে মিছিলের চেষ্টার অভিযোগে নিষিদ্ধ আ. লীগ-ছাত্রলীগের ১৭ নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার সাপাহারে যাত্রা শুরু করল প্রেসিডেন্ট ডায়াগনস্টিক সেন্টার

৬০ লাখ টাকায়ও মেলেনি মুক্তি, আরও ২৭ লাখ দিতে দেরি হওয়ায় হত্যা

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬ ১০:১৩ পিএম
শেয়ার করুন

ইতালিতে পাঠানোর স্বপ্ন দেখিয়ে লিবিয়ায় নিয়ে বন্দি করে মানবপাচারকারীরা। পরে তাদের দাবি অনুযায়ী ৬০ লাখ টাকা দিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি মাদারীপুরের রাজৈরের যুবক সোহাগ মুন্সীর। আরও ২৭ লাখ টাকা দিতে দেরি হওয়ায় গুলি করে হত্যার পর গুম করা হয় তার লাশ।

বুধবার (২৯ জুলাই) খবর পেয়ে আহাজারিতে ভেঙে পড়েন নিহতের পরিবারের সদস্যরা।

বৃহস্পতিবার সরেজমিনে গেলে পরিবার ও স্বজনরা জানান, বাংলাদেশে রং মিস্ত্রীর কাজ করতেন মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার মজুমদারকান্দি গ্রামের আশরাফ আলী মুন্সীর ছেলে সোহাগ মুন্সী। ইতালি গিয়ে ভাগ্য পরিবর্তনের আসায় স্থানীয় মানবপাচারকারী দালাল ময়না আক্তার ও জুলহাস সরদারের খপ্পরে পড়েন তিনি। চুক্তি অনুযায়ী তাদের হাতে ২২ লাখ টাকা তুলে দিয়ে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বাড়ি ছাড়েন সোহাগ। প্রথমে তাকে সৌদি আরব ও পরে লিবিয়ার ত্রিপলি নিয়ে বন্দি করে চালানো হয় অমানুষিক নির্যাতন। সেই ভিডিও পরিবারের কাছে পাঠিয়ে কয়েক ধাপে আরও ৩৮ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় দালাল চক্র।

একপর্যায়ে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য আরও দুই লাখ টাকা নিলেও সোহাগকে ফেরত না পাঠিয়ে গত ২৩ জুলাই দাবি করা হয় আরও ২৭ লাখ টাকা। ২৪ জুলাই সকাল ৮ টার মধ্যে দাবিকৃত টাকা দিতে না পারায় সোহাগকে গুলি করে হত্যা করে মানবপাচারকারী মাফিয়ারা। পরে বুধবার (২৯ জুলাই) তার মৃত্যুর খবর পেয়ে আহাজারিতে ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা।

শুধু সোহাগ মুন্সীই নয়, এখনো লিবিয়ায় ওই মানবপাচারকারী মাফিয়াদের হাতে জিম্মি রয়েছে আরও ১১ যুবক। মানবপাচারকারী দালাল ও মাফিয়াদের সর্বোচ্চ শাস্তিসহ নিহত সোহাগের লাশ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী।

মাদারীপুরের সহকারী পুলিশ সুপার বিমল চন্দ্র বর্মন বলেন, এ ঘটনায় বুধবার রাতেই নিহত সোহাগের মা শাহিনুর বেগম বাদী হয়ে রাজৈর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। ইতোমধ্যে প্রধান আসামি জুলহাস সরদারকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। বাকি আসামিদের ধরতে চলছে অভিযান। তবে মূল হোতারা অধিকাংশই দেশের বাইরে থাকায় ধরা সম্ভব হচ্ছে না। আর যারা দেশে আছে তারা প্রতিমুহূর্তে স্থান পরিবর্তন করছে, যে কারণে তাৎক্ষণিক গ্রেফতার করা যাচ্ছে না।

এই বিভাগের আরো খবর