1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
কাপড়ের রোলভর্তি কনটেইনার জালিয়াতির ঘটনায় জড়িত দুইজনকে গ্রেপ্তার - আজকের কাগজ
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ভাইভার নম্বর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত থেকে সরে না এলে হাসিনার মতো পরিণতি হবে সরকারি চাকরিতে ভাইভার নম্বর বৃদ্ধির প্রতিবাদে কুবিতে মানববন্ধন ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয়ে মিরকাদিমে হেরোইন কিনতে গিয়ে জনতার হাতে আটক চৌদ্দগ্রামের ধোড়করা বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: নগদ অর্থ জরিমানা কাপড়ের রোলভর্তি কনটেইনার জালিয়াতির ঘটনায় জড়িত দুইজনকে গ্রেপ্তার সাপাহারে ওসি বদলি, নতুন ওসি যোগদান, তবু চার্জ হস্তান্তর হয়নি, ভোগান্তিতে সেবাপ্রার্থীরা চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে ইলেকট্রিক ট্রেন চালু হচ্ছে হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যু হাজার ছাড়ালো ইসরায়েলি অবৈধ বসতির পণ্য নিষিদ্ধ করলেও যুক্তরাজ্যের নীতিতে ফাঁকফোকর যেখানে বারবার প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধি ঠেকাতে নতুন নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর

কাপড়ের রোলভর্তি কনটেইনার জালিয়াতির ঘটনায় জড়িত দুইজনকে গ্রেপ্তার

চট্টগ্রাম ব্যুরো
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ৭:৪৫ পিএম
শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরের কড়া নিরাপত্তার দেয়াল ভেদ করে জালিয়াতির চরম কারসাজিতে গায়েব হয়ে গেছে তিন কোটি টাকা মূল্যের আমদানিকৃত কাপড়ের রোলভর্তি একটি কনটেইনার। চাঞ্চল্যকর এই জালিয়াতির ঘটনায় জড়িত দুই সিএন্ডএফ কর্মচারীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার জিরি ইউনিয়নের উত্তর কৈয়গ্রামের মো. মোর্শেদ আলম (৩১) এবং পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার মো. সাইদুর রহমান (৫১)।

তারা উভয়েই চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ এলাকার ‘প্যারামাউন্ড ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল’ নামের একটি সিঅ্যান্ডএফ (C&F) প্রতিষ্ঠানের জেটি সরকার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে এসেছে জালিয়াতির রোমাঞ্চকর বিবরণ। গত ১১ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টা ৭ মিনিটে চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিনাল ম্যানেজারের দপ্তরের এফসিএল (FCL) সেকশনকে লক্ষ্য বানায় চক্রটি।

অভিযুক্ত মোর্শেদ ও সাইদুর তাদের অজ্ঞাতনামা সহযোগীদের সঙ্গে যোগসাজশ করে ভুয়া ডকুমেন্ট ও জাল স্বাক্ষরের আশ্রয় নেয়। অত্যন্ত চতুরতার সাথে তারা আসল ডকুমেন্টের মতো হুবহু অন-ডেট ও অন-চেসিস অ্যাসাইনমেন্টের কপি তৈরি করে জমা দেয়।

নথি যাচাইয়ে ফাঁকি দিয়ে সেই জাল কাগজপত্র ব্যবহার করেই বন্দর কর্তৃপক্ষের চোখ ফাঁকি দেয়া হয়। শেষ পর্যন্ত কনটেইনারটি চট্টগ্রাম বন্দরের ১ নম্বর গেট দিয়ে নির্বিঘ্নে বের করে নিয়ে যায় চক্রটি।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর বন্দর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রত্যক্ষ সহায়তায় টার্মিনাল ম্যানেজারের দপ্তরের সামনে থেকে ওই দু’জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুর রহিম জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার দুজন স্বীকার করেছে যে তারা অজ্ঞাতনামা সহযোগীদের সাথে মিলে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে পণ্যবাহী কনটেইনারটি বন্দর থেকে খালাস করে নিয়ে গিয়েছিল।

বন্দরের ভেতরে নিরাপত্তা ও নথিপত্র প্রক্রিয়াকরণের ফাঁক গলে এমন দুর্ধর্ষ চুরির পেছনে আর কোনো বড় চক্র বা কর্মকর্তা জড়িত আছে কি না, তা বের করতে তদন্ত ও অভিযান জোরদার করেছে পুলিশ।

এই বিভাগের আরো খবর