1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
কাপড়ের রোলভর্তি কনটেইনার জালিয়াতির ঘটনায় জড়িত দুইজনকে গ্রেপ্তার - আজকের কাগজ
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ভারতের দিকে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব: বাংলাদেশে কেমন প্রভাব পড়বে? শ্যালিকাকে বিয়ে, মুখে চুনকালি মাখিয়ে যুবক ও তার দুই স্ত্রীকে এলাকাছাড়া করল গ্রামবাসী খুলনায় ১৭ ঘণ্টায় তিন স্থানে গুলি: আতঙ্কে স্থানীয়রা পিরোজপুরের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করল জামায়াতে ইসলামী বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণ অনুসন্ধানে পিজিসিবির ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি নওগাঁয় যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে কর্মী সমর্থকদের ঢল যুদ্ধ বন্ধে হুথিদের ১০০ কোটি ডলারের গোপন প্রস্তাব সৌদির বিএনপির এমপির ছেলে ৩ দিনের রিমান্ডে, পক্ষে দাঁড়াননি কোনও আইনজীবী মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের গডফাদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ আইজিপি ‌‘সহজ-সরল মানুষ’, তবে বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কাপড়ের রোলভর্তি কনটেইনার জালিয়াতির ঘটনায় জড়িত দুইজনকে গ্রেপ্তার

চট্টগ্রাম ব্যুরো
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ৭:৪৫ পিএম
শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরের কড়া নিরাপত্তার দেয়াল ভেদ করে জালিয়াতির চরম কারসাজিতে গায়েব হয়ে গেছে তিন কোটি টাকা মূল্যের আমদানিকৃত কাপড়ের রোলভর্তি একটি কনটেইনার। চাঞ্চল্যকর এই জালিয়াতির ঘটনায় জড়িত দুই সিএন্ডএফ কর্মচারীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার জিরি ইউনিয়নের উত্তর কৈয়গ্রামের মো. মোর্শেদ আলম (৩১) এবং পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার মো. সাইদুর রহমান (৫১)।

তারা উভয়েই চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ এলাকার ‘প্যারামাউন্ড ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল’ নামের একটি সিঅ্যান্ডএফ (C&F) প্রতিষ্ঠানের জেটি সরকার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে এসেছে জালিয়াতির রোমাঞ্চকর বিবরণ। গত ১১ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টা ৭ মিনিটে চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিনাল ম্যানেজারের দপ্তরের এফসিএল (FCL) সেকশনকে লক্ষ্য বানায় চক্রটি।

অভিযুক্ত মোর্শেদ ও সাইদুর তাদের অজ্ঞাতনামা সহযোগীদের সঙ্গে যোগসাজশ করে ভুয়া ডকুমেন্ট ও জাল স্বাক্ষরের আশ্রয় নেয়। অত্যন্ত চতুরতার সাথে তারা আসল ডকুমেন্টের মতো হুবহু অন-ডেট ও অন-চেসিস অ্যাসাইনমেন্টের কপি তৈরি করে জমা দেয়।

নথি যাচাইয়ে ফাঁকি দিয়ে সেই জাল কাগজপত্র ব্যবহার করেই বন্দর কর্তৃপক্ষের চোখ ফাঁকি দেয়া হয়। শেষ পর্যন্ত কনটেইনারটি চট্টগ্রাম বন্দরের ১ নম্বর গেট দিয়ে নির্বিঘ্নে বের করে নিয়ে যায় চক্রটি।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর বন্দর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রত্যক্ষ সহায়তায় টার্মিনাল ম্যানেজারের দপ্তরের সামনে থেকে ওই দু’জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুর রহিম জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার দুজন স্বীকার করেছে যে তারা অজ্ঞাতনামা সহযোগীদের সাথে মিলে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে পণ্যবাহী কনটেইনারটি বন্দর থেকে খালাস করে নিয়ে গিয়েছিল।

বন্দরের ভেতরে নিরাপত্তা ও নথিপত্র প্রক্রিয়াকরণের ফাঁক গলে এমন দুর্ধর্ষ চুরির পেছনে আর কোনো বড় চক্র বা কর্মকর্তা জড়িত আছে কি না, তা বের করতে তদন্ত ও অভিযান জোরদার করেছে পুলিশ।

এই বিভাগের আরো খবর