
কৃষিজমি ও পরিবেশ রক্ষায় জনস্বার্থে অ্যাডভোকেট মো. আবুল কালাম আজাদের রিট পিটিশনের নির্দেশনা বাস্তবায়নের প্রতিবেদন দিতে কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা প্রশাসনকে নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট। সোমবার (২৪ আগস্ট) বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমেদ ভূঁইয়ার দ্বৈত বেঞ্চ এ রিপোর্ট দাখিলের আদেশ দেন।আদেশে কুমিল্লার জেলা প্রশাসক, কুমিল্লার পুলিশ সুপার, মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, মুরাদনগরের সহকারী কমিশনার (ভূমি), মুরাদনগর ও বাংগরা বাজার থানার ওসিদের অগ্রগতি রিপোর্ট দাখিল করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়।
ইউএনও এবং সহকারী কমিশনারের (ভূমি) প্রতি নির্দেশনায় বলা হয়েছে- উর্বর মাটি খননের ড্রেজার, যন্ত্রপাতি জব্দ করা। অবৈধ ব্রিক ফিল্ড বন্ধ করা, ড্রেজারে ক্ষতিগ্রস্ত আবাদি জমি ও বালুর গর্ত তদন্ত করা, সময় নির্দিষ্ট করে আবাদি জমি রক্ষায় কর্মপরিকল্পনা করা, ড্রেজার, ব্রিক ফিল্ডের মাটি কাটায় ক্ষতিগ্রস্ত গর্ত পূর্বের আবাদি জমিতে ফেরাতে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা।
রিটকারী কৃষি ও পরিবেশ ফাউন্ডেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আবুল কালাম আজাদ উজ্জ্বল বলেন, ‘বাংলাদেশের সংবিধান অনুচ্ছেদ ২১(১), ১৬, ১৮ক, ৩২ পালনে কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলায় অবৈধ ড্রেজার, অবৈধ ব্রিক ফিল্ড বন্ধ, কৃষি জমির উর্বর মাটি কেটে ইটভাটায় ব্যবহার রোধ করে খাদ্যসংকট মোকাবিলায় কৃষি রক্ষায় দীর্ঘদিন ধরে মুরাদনগরবাসীর প্রাণপণ চেষ্টা থাকলেও অসাধু ব্যবসায়ীরা কর্তৃপক্ষকে নিষ্ক্রিয় রেখে তাদের বেআইনি কর্ম চালিয়ে যাচ্ছিল। বিষয়টি দেশবাসীর নজরে আনতে স্থানীয় সাংবাদিকরা বিভিন্ন সময় সংবাদ পরিবেশন করেছেন।’তিনি এলাকাবাসীর মতামত নিয়ে বছরব্যাপী মুরাদনগর উপজেলায় সচেতনতা বৃদ্ধি ও পরিবেশ রক্ষায় পদক্ষেপ নিতে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।