
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ঘটনাস্হলে তিন জন নিহত ও পাঁচ জন আহত হয়েছে। আহত পাঁচ জনকে চৌদ্দগ্রাম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক এক জনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে এবং আশংকাজনক অবস্হায় চারজনকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রেরন করে।
তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন ফায়ার সার্ভিসের ষ্টেশন কর্মকর্তা মেহেদী হাসান সুজন।
পুলিশ ও স্হানীয়রা জানায়, সোমবার(১০ নভেম্বর) সন্ধ্যার পর উপজেলার লাকসাম- চৌদ্দগ্রাম আঞ্চলিক সড়কের ফেলনা কাজী বাড়ীর সামনে ইউটার্নে বাঙ্গড্ডা থেকে দ্রুতগতিতে আসা একটি ট্রাক নাঙ্গলকোট গামী যাত্রীবাহী একটি সিএনজি ও একটি অটোর রিকশাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলে তিনজন নিহত ও অপর পাঁচ জন আহত হয়েছে । এতে সিএনজি ও অটোরিকশাটি ট্রাকের নীচে পড়ে ধুমড়ে মুছড়ে যায়। সংবাদ পেয়ে চৌদ্দগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দুর্ঘটনাস্হলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। নিহতরা হচ্ছে, নাঙ্গলকোট উপজেলার মৌকারা ইউনিয়নের মহিশ্বর গ্রামের আবুল বশর (৫০), তার স্ত্রী মোর্শেদা বেগম(৪০), ও চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার নাটাপাড়া গ্রামের মন্তাজ মিয়া (৫১)। আহতরা হচ্ছে, নাঙলকোট উপজেলার যুগিরখীল গ্রামের আবুল কাসেমের ছেলে কবীর (৪০), শ্যামপুর গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে মাহবুবুল হক (৩৮), মাহিনী গ্রামের আবুল কালামের স্ত্রী আনোয়ারা বেগম (৫০), গান্ধাচি গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে আবদুর রহমান (২৭), মহিশ্বর গ্রামের নিহত আবুল বশরের ছেলে আবু তৈয়ব (৩০)।
চৌদ্দগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের ষ্টেশন কর্মকর্তা মেহেদী হাসান সুজন জানান, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছে কার্যক্রম শুরু করি ও নিহত ৩ জনের লাশ উদ্ধার করার পর আহত ৫ জনকে দ্রুত চৌদ্দগ্রাম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়।
চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিলাল উদ্দিন আহাম্মদ বলেন, দূর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে যায়। ট্রাক, সিএনজি ও অটো রিকশার সংঘর্ষে রাত দশটা পর্যন্ত ৩ জন নিহত ও আহত হয়েছে ৫ জন।