
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলা সদরে ধর্মপাশা ইউনিয়ন ও সেলবরষ ইউনিয়নের সমন্বয়ে পরিচালিত ৩০ টি মৌজা নিয়ে ভূমি সংক্রান্ত কাজ- কর্ম চলে আসছে, ধর্মপাশা ইউনিয়ন ভূমি অফিস। এই ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা মোঃ হাফিজ উদ্দিন তার গ্রামের বাড়ি বিশম্ভরপুর ও সুনামগঞ্জ জেলা সদরের মোহাম্মদপুরে তার বাসা। তিনি দুদান্ত প্রতাবের সঙ্গে অনিয়ম ও দুর্নীতি চালিয়ে আসছে।
গত ০৮-১২-২০২৪ ইং তারিখে ২য় বারের মত এ অফিসে বদলি হয়ে যোগদান করেন।আসার পর থেকে অধ্যবধি পর্যন্ত প্রতি সাপ্তাহে বৃহস্পতিবার সকালে সুনামগঞ্জে তার বাসায় চলে যায় এবং রবিবার বিকেলে অথবা সোমবার সকালে এসে কর্মস্থলে যোগদান করেন।এতে করে জনসাধারণের ভোগান্তির চরমে পৌঁচেছে। বিগত ৪ মাসে জনগণের খাজনা প্রদান, দাগ- খতিয়ান দেখা থেকে শুরু করে সকল কার্যক্ষমে বাড়তি টাকা গুনতে হয় যাহা অপেন সিক্রেট।
বিগত ২০ মার্চ বৃহস্পতিবার সকাল ১১ ঘটিকায় ভূমি অফিসে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি, তিনি সুনামগঞ্জে বাসায় চলে গেছেন এবং ২৩ মার্চ রবিবার সকাল ১০ টায় তার অফিসে গিয়ে দেখা যায় অফিসের সামনে জাতীয় পতাকা উড়ানো হয়নি এবং তাকে গিয়ে অফিসে পাওয়া যায়নি। অফিস সহায়ক সাইদুর রহমানের কাছ থেকে জানা যায়, সুনামগঞ্জ থেকে রওনা হয়ে অফিসের দিকে আসিতেছে। প্রায় ৩ ঘন্টা অপেক্ষা করার পর দুপুর ১২ টা ৪০ মিনিটে কর্মস্থলে এসে হাজির হন। ইতিমধ্যেই কাজের প্রয়োজনে অনেক লোকজন অফিসে এসে তাকে না পেয়ে ফেরত যান। তার নিকট এহেন অনিয়ম ও গড়ে ৪ দিন কর্মস্থলে বেআইনি ভাবে অফিসে অনুপস্থিত থাকার কথা জানতে চাইলে, তিনি রেগে গিয়ে জানান, প্রতি সাপ্তাহে বৃহস্পতিবার থেকে রবিবার পর্যন্ত কর্মস্থলে না থাকার কথা উপজেলা কর্তৃপক্ষ অবহিত আছেন। অথচ বিনা ছুটিতে কর্মস্থল ত্যাগ করা বেআইনি।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত উপজেলা সহকারী কমিশনার ( ভূমি) জনাব জনি রায় বলেন, বিষয়টি আমি অবগত নই,তবে বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখছি।
ভুক্তভোগী মহল অনতিবিলম্বে তার অপসারণের দাবি জানান।