1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
মিল্টন সমাদ্দারের বিরুদ্ধে তদন্ত করে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ - আজকের কাগজ
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়ন বিভক্তি নিয়ে মতবিনিময় সভায় হামলা-ভাঙচুর, আহত কয়েকজন কালিয়াকৈরে বন্যপ্রাণী অপরাধ দমনে জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত বাল্যবিয়ে রোধে ৭৩ যুব সংগঠনের নজির কুড়িগ্রামে টেকনাফে র‌্যাবের অভিযানে ৪ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক মাদক মামলার আসামি গ্রেপ্তার চরফ্যাশনে ডিজিটাল লেনদেনে ক্যাশলেস বাংলাদেশ ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত নওগাঁয় নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের ১৪ লক্ষ টাকার শিক্ষাবৃত্তি ৪৯ বাইসাইকেল বিতরণ ঊর্ধ্বতন ১৭ পুলিশ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে শুক্রবার ভারতজুড়ে বিক্ষোভের ডাক সিজেপির, উত্তেজনা চরমে চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে ৫ জনকে পুশইনের চেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি বাজেটের সাফল্য নির্ভর করছে বাস্তবায়নের ওপর: অর্থমন্ত্রী

মিল্টন সমাদ্দারের বিরুদ্ধে তদন্ত করে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৪ ৩:১৪ পিএম
শেয়ার করুন

সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে মানবসেবার আড়ালে মিল্টন সমাদ্দারের নির্মম ও বর্বরোচিত চিত্র ফুটে উঠেছে। এ বিষয়ে তদন্ত করে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন।

সংস্থা দুটিকে দ্রুত তদন্ত শেষে আগামী ৩০ মের মধ্যে কমিশন বরাবর প্রতিবেদন পাঠাতে বলা হয়েছে। আজ রবিবার বিষয়টি আমলে নিয়ে কমিশনের এ নির্দেশনার কথা জানিয়েছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইউশা রহমান।

ইউশা রহমান স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৫ এপ্রিল একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় ‘মানবিক মুখোশের আড়ালে ভয়ংকর মিল্টন সমাদ্দার’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের নজরে এসেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, মিল্টন সমাদ্দার নামক এক ব্যক্তি ‘চাইল্ড অ্যান্ড ওল্ড এজ কেয়ার’ নামের বৃদ্ধাশ্রম গড়ে রাস্তা থেকে অসুস্থ কিংবা ভবঘুরেদের কুড়িয়ে সেখানে আশ্রয় দেন। সেসব নারী, পুরুষ ও শিশুকে নিয়ে ভিডিও তৈরি করে প্রায়ই তাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করতে দেখা যায়। মানুষের অসহায়ত্ব তুলে ধরে তাদের জন্য বিত্তবানদের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, তার আবেদনে সাড়া দিয়ে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ১৬টির বেশি নম্বর এবং তিনটি ব্যাংক হিসাবে প্রতি মাসে প্রায় কোটি টাকা জমা হয়। এর বাইরে অনেকেই তার প্রতিষ্ঠানে সরাসরি অনুদান দিয়ে আসেন। মানবিক কাজের জন্য এখন পর্যন্ত তিনটি রাষ্ট্রীয় পুরস্কারও পেয়েছেন মিল্টন সমাদ্দার। কিন্তু মানবিকতার আড়ালে ভয়াবহ প্রতারণার জাল বিস্তার করেছেন তিনি। প্রকৃতপক্ষে তিনি যে কয়জনকে লালন-পালন করছেন, প্রচার করছেন তার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি। মরদেহ দাফন করার যে হিসাব দিচ্ছেন, তাতেও আছে বিরাট গরমিল। সবচেয়ে ভয়ঙ্কর তথ্য হচ্ছে, মিল্টনের বিরুদ্ধে রয়েছে অসহায় মানুষকে আশ্রয় দেওয়ার নামে তাদের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিক্রির অভিযোগ।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে মানবসেবার অন্তরালে যে নির্মম ও বর্বরোচিত চিত্র ফুটে উঠেছে তা অত্যন্ত ভয়াবহ। মানবসেবা পরম ধর্ম। কিন্তু মানবসেবার নামে মুখোশের আড়ালে রাস্তা থেকে অসুস্থ, অসহায় ও নিরীহ মানুষকে তুলে এনে চিকিৎসার নামে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিক্রির যে অভিযোগ মিল্টন সমাদ্দারের বিরুদ্ধে উঠেছে তা অত্যন্ত ভীতিকর, ন্যক্কারজনক ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। গুরুতর অসুস্থদের হাসপাতালে না নিয়ে নিজ প্রতিষ্ঠানে আটকে রাখা, ভুয়া ডাক্তার দিয়ে মৃত্যু সার্টিফিকেট তৈরি করা কিংবা মরদেহের শরীরে কাটাছেঁড়ার যে তথ্য প্রতিবেদনে উঠে এসেছে তার যথাযথ তদন্ত হওয়া উচিত বলে মনে করে কমিশন।

এ অবস্থায় অভিযোগের বিষয়টি নিবিড়ভাবে তদন্ত করে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নিয়ে দ্রুত কমিশনে প্রতিবেদন পাঠানোর জন্য ডিএমপি কমিশনারকে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সম্পর্কে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে কমিশনে প্রতিবেদন পাঠানোর জন্য সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে বলা হয়েছে। আগামী ৩০ মে প্রতিবেদনের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।

এই বিভাগের আরো খবর