1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
  4. : temp-login-BxH6QyEPU5XH7Ed :
যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটদের জয়ে ট্রাম্পের চ্যালেঞ্জ - আজকের কাগজ
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ইউটিউব দেখে জাল টাকা তৈরির কারখানা: হায়দরাবাদে আটক ৪ বার্ষিক ৯ হাজার কোটি টাকার বাণিজ্যে মুখর খুলনার প্রাচীন বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটদের জয়ে ট্রাম্পের চ্যালেঞ্জ যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে জয়ী গাজায় চিকিৎসাসেবা দেওয়া সেই চিকিৎসক ভারতের রাজত্বে ভাগ বসাবে কে: সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ইয়েমেনে সৌদি জোটের হামলায় ২০ জনের প্রাণহানি: হুথিদের দাবি কিশোরগঞ্জে সাবেক এমপি আখতারুজ্জামানের ছেলেকে আঘাত, ঢাকায় স্থানান্তর ইরান যুদ্ধে নতুন অর্থ বন্ধের দাবি ডেমোক্র্যাট সিনেটরের যুক্তরাষ্ট্রে আসছে দুই বছরের তীব্র সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক সংকট পোশাকশিল্পে অস্থিরতা পরিকল্পিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন

যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটদের জয়ে ট্রাম্পের চ্যালেঞ্জ

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬ ১০:৪১ এএম
শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে বড় জয় পেয়েছে ডেমোক্রেটিক পার্টি এবং তারা কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পথে রয়েছে। তবে আগামী জানুয়ারির আগে দলটি আনুষ্ঠানিকভাবে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারবে না। দায়িত্ব নেওয়ার পরও রিপাবলিকানদের দলীয় সহযোগিতা ছাড়া ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে অনেক আইন পাস করা কঠিন হবে, কারণ মার্কিন সিনেটে যেকোনো সাধারণ বিল পাস করাতে সাধারণত ৬০টি ভোটের প্রয়োজন হয়। সিনেটে কোনো বিল পাস করাতে সাধারণত ৬০ ভোট প্রয়োজন হয়। তবে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ পাওয়ায় ডেমোক্র্যাটদের হাতে নতুন কিছু ক্ষমতাও আসছে। এ ছাড়া ১৯৭৩ সালের ওয়ার পাওয়ারস অ্যাক্ট অনুযায়ী, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া শুরু করা কোনো সামরিক সংঘাত ৬০ দিনের বেশি চালানোর ক্ষেত্রে আইনপ্রণেতাদের তা বন্ধের উদ্যোগ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত অভিশংসন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোনো প্রেসিডেন্টকে পদ থেকে সরানো হয়নি। যুদ্ধ চালিয়ে যেতে আ অর্থের প্রয়োজন হলে সেটি সামান্য কোনো অঙ্ক হবে না, যা সহজেই অন্য খাত থেকে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব।’। ইরানে মার্কিন সামরিক তৎপরতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে দলটির সমর্থকেরা একে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপের প্রতি নীরব সমর্থন হিসেবে দেখতে পারেন।

ডেমোক্র্যাটদের বিজয়ের মুখে বিরোধী রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতোমধ্যেই কঠোর অবস্থান প্রকাশ করেছেন। সোমবার একটি পডকাস্টে তিনি হুমকি দিয়ে বলেছেন, ‘আমি সবকিছুতে ভেটো দেব।’ এ পরিস্থিতিতে আগামী দুই বছরে ডেমোক্র্যাটরা বাস্তবে কী করতে পারবে এবং কোন কোন প্রতিশ্রুতি পূরণে বাধার মুখে পড়বে, তা নিয়ে নতুন রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ শুরু হয়েছে। তবে নতুন ক্ষমতার বলে সিনেটে বিভিন্ন পদে নিয়োগ অনুমোদন এবং তদারকি কমিটির মাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টির সুযোগ পাবে তারা। এখন প্রশ্ন, নির্বাচনি প্রচারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো কতটা বাস্তবায়ন করতে পারবে তারা। বুধবার সাংবাদিকদের তিনি বলেন, এ নিয়ে তিনি ‘একটুও’ উদ্বিগ্ন নন।

জীবনযাত্রার ব্যয় ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ

ভোটারদের প্রধান উদ্বেগের বিষয় ছিল সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর ইকোনমিক অ্যান্ড পলিসি রিসার্চের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও অর্থনীতিবিদ ডিন বাকেরের মতে, ইরান সংঘাতের মতো বৈদেশিক ঘটনা এবং হরমুজ প্রণালিতে জ্বালানি সরবরাহের সমস্যার কারণে দাম বাড়ছে। তবে প্রশাসনিক তদন্ত ও তদারকির ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর এই যুদ্ধ বন্ধের চাপ তৈরি করা সম্ভব। মঙ্গলবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ভোটারদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি ছিল জীবনযাত্রার ব্যয়। গত ফেব্রুয়ারি থেকে চলা এই সংঘাতের কারণে জ্বালানির দাম বেড়েছে। গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি বাণিজ্যপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ইরান। এতে তেল ও গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। তবে ত্রিতা পারসির মতে, এ বিষয়ে নিষ্ক্রিয় থাকা রাজনৈতিকভাবে দলটির জন্য টেকসই হবে না।

স্বাস্থ্যসেবা ব্যয় নিয়ন্ত্রণেও উভয় দলের মধ্যে সমঝোতার সুযোগ রয়েছে বলে মনে করেন ডিন বাকের। ২০২৫ সালে সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা আইন বা অ্যাফোর্ডেবল কেয়ার অ্যাক্টের আওতায় দেওয়া বর্ধিত ভর্তুকির মেয়াদ শেষ হওয়ায় অনেক মার্কিন নাগরিকের স্বাস্থ্যবিমার প্রিমিয়াম উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বাকের বলেন, ‘ট্রাম্প-পরবর্তী সময়ে থাকা রিপাবলিকানরা মানুষের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া বন্ধ করা কিংবা স্বাস্থ্যসেবার জন্য বেশি অর্থ ব্যয় করতে বাধ্য করার পক্ষে থাকতে চাইবেন বলে মনে হয় না।’ সরকারের ব্যয়সংক্রান্ত বিলে এসব পদক্ষেপ যুক্ত করে রিপাবলিকানদের সায় পেতে পারেন ডেমোক্র্যাটরা।

উদারপন্থি অর্থনৈতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্রাউন্ডওয়ার্ক কোলাবোরেটিভের নীতি ও প্রচারবিষয়ক প্রধান অ্যালেক্স জ্যাকেজ আলজাজিরাকে বলেন, ‘দাম রকেটের মতো দ্রুত বাড়ে, কিন্তু পালকের মতো ধীরে কমে।’ তিনি মনে করেন, কেবল প্রেসিডেন্টের অনুমোদনের ওপর নির্ভর না করে কংগ্রেসে তদন্ত চালিয়ে কর্পোরেট কারসাজি রোধ করা সম্ভব। আলজাজিরাকে জ্যাকেজ বলেন, ‘কমিটির নেতৃত্বের ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে এবং প্রধান নির্বাহীদের তলব করে কংগ্রেসে হাজির করানোর মাধ্যমে বাস্তব কিছু ফল পাওয়ার অনেক নজির রয়েছে।’ এর ফলে কোম্পানিগুলোর অন্যায্য মূল্য নির্ধারণের প্রবণতা কমানো যেতে পারে। এমনকি শুল্ক প্রত্যাহার করা গেলেও বাজারে পণ্যের দাম কমতে সময় লাগতে পারে।

ট্রাম্প প্রশাসন ও ট্রাম্প পরিবারের সম্পদের তদন্ত

জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের গভর্নমেন্ট অ্যাফেয়ার্স ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ ফেলো লরা ব্লেসিং মনে করেন, নতুন কংগ্রেসে ট্রাম্প প্রশাসনের জবাবদিহি নিশ্চিতে ব্যাপক তৎপরতা দেখা যাবে। আলজাজিরাকে ই-মেইলে তিনি বলেন, ‘সময় ব্যয় এবং সংবাদপত্রের শিরোনামের বিচারে ডেমোক্র্যাটদের সবচেয়ে বেশি তৎপরতা দেখা যাবে এই ক্ষেত্রেই।’ হোয়াইট হাউসের সরাসরি অনুমতি ছাড়াই কংগ্রেস নিজস্ব ক্ষমতা বলে এই তদন্ত পরিচালনা করতে পারবে।

আগামী জানুয়ারিতে নতুন কংগ্রেসের কার্যক্রম শুরুর পর ট্রাম্প পরিবারের সম্পদের উৎস নিয়ে তদন্তের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন অনেক ডেমোক্র্যাট। চলতি বছরের শুরুর দিকে প্রকাশিত আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী, ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ শুরুর পর তাঁর ব্যক্তিগত সম্পদ প্রায় ২২০ কোটি ডলার বেড়েছে। এই সময়ে ক্রিপ্টোকারেন্সি, ড্রোন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তি খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ট্রাম্প পরিবারের ব্যবসার প্রসার ঘটে। ভোক্তাদের ব্যয় বাড়ানোর আরেকটি কারণ ট্রাম্পের শুল্কনীতি। কারণ, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব ট্রাম্পের অধীন বিচার বিভাগের। পারসি বলেন, ‘তখন এটি আর শুধু ট্রাম্পের যুদ্ধ থাকবে না। চলতি বছরের শুরুর দিকে করা এক জনমত জরিপে দেখা গেছে, ৬৫ শতাংশ মার্কিন নাগরিক মনে করেন, অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগ সংস্থা বা আইসিই তাদের কার্যক্রমে ‘সীমা ছাড়িয়ে গেছে’।

সম্ভাব্য তদন্তের অংশ হিসেবে ডেমোক্র্যাট সিনেট সদস্যরা ইতোমধ্যে বিভিন্ন কোম্পানি ও সরকারি দপ্তরে চিঠি পাঠানো শুরু করেছেন। এসব চিঠিতে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র সংরক্ষণের দাবি জানানো হয়েছে। তদন্তের সম্ভাব্য বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে হোয়াইট হাউসের বলরুম নির্মাণে অনুদান দেওয়া ব্যক্তিরা সরকারের কাছ থেকে কোনো বিশেষ সুবিধা পেয়েছেন কি না। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা আদালতে সমন চ্যালেঞ্জ করতে পারেন এবং পরিবারটির ঘনিষ্ঠ সদস্যরা ব্যক্তিগতভাবে হাজির নাও হতে পারেন। তদন্তে কোনো অনিয়ম পেলেও ব্যবস্থা নেওয়ার আইনি সিদ্ধান্ত বিচারে সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে।

এর পাশাপাশি প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের অভিশংসনের প্রস্তাবও আসতে পারে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের কিছু সাম্প্রতিক পদক্ষেপের কারণে তাকে অভিশংসন করার দাবি উঠছে। রিপাবলিকান প্রতিনিধি পরিষদ সদস্য থমাস ম্যাসি জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহে বিদায়ী কংগ্রেসের অধিবেশন শুরু হলে তিনি হেগসেথের বিরুদ্ধে এই উদ্যোগ নিতে পারেন। তবে নিজের প্রথম মেয়াদে দুবার অভিশংসিত হওয়া ট্রাম্প তৃতীয়বার অভিশংসনের ভয়কে গুরুত্ব দিচ্ছেন না। ট্রাম্প দাবি করেছেন, ‘আমার মনে হয়, তারা এমনটা করলে ডেমোক্রেটিক পার্টি ধ্বংস হয়ে যাবে। কারণ, কোনো কারণ ছাড়াই তারা আমাকে দুবার অভিশংসিত করেছিল।’ একইসঙ্গে হেগসেথের সমর্থনে তিনি বলেছেন, প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে তিনি ‘খুব ভালো কাজ করছেন’।

অভিবাসন নীতি ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার বাজেট

ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অভিবাসন নীতির তদারকি করাও ডেমোক্র্যাটদের অন্যতম মূল লক্ষ্য। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইমিগ্রেশন ল সেন্টারের নীতিবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট হেইডি অল্টম্যান বলেন, এসব তদন্তে মূল নজর থাকবে আটককেন্দ্রগুলোর পরিবেশ, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ এবং অভিবাসন আইন প্রয়োগে করদাতাদের বিপুল অর্থ কীভাবে ব্যয় করা হচ্ছে।

অল্টম্যানের মতে, গত দুই বছরে ট্রাম্প প্রশাসনকে অভিবাসন আইন প্রয়োগের জন্য প্রায় ২৪ হাজার কোটি ডলার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বিপুল পরিমাণ অর্থ পাওয়ার কারণে অভিবাসন আইন প্রয়োগকারী সংস্থা আইসিই (ICE) প্রায় কোনো বাধা ছাড়াই বিভিন্ন জায়গায় ব্যাপক অভিযান চালাতে পারছে।

তিনি মনে করেন, এসব কড়া অভিযানের গতি কমাতে হলে অর্থ বরাদ্দ পুনর্মূল্যায়ন করতে হবে। অল্টম্যান বলেন, ‘অভিযানের গতি কমানো এবং প্রকৃত অর্থে সিদ্ধান্ত গ্রহণ, অগ্রাধিকার নির্ধারণ ও আইন প্রয়োগে নিয়ন্ত্রণ আনতে হলে আগের অধিবেশনে দেওয়া অর্থের বড় অংশ ফিরিয়ে নিয়ে তাদের বাজেট উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে হবে।’

রাজনৈতিক বাধা সত্ত্বেও ক্ষমতার পূর্ণ ব্যবহার করার আহ্বান জানিয়েছেন আইনপ্রণেতা ও পর্যবেক্ষকরা। অল্টম্যান দৃঢ়তার সাথে বলেন, ‘আমাদের জন্য সবচেয়ে খারাপ হবে হাত গুটিয়ে বসে থাকা এবং বলা যে আমাদের ক্ষমতা সীমিত।’ ডেমোক্র্যাটদের উচিত জনসম্পৃক্ত আইন ও বিল পাসের মাধ্যমে ট্রাম্পকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানানো—মার্কিন জনগণের বিপুল সমর্থন রয়েছে, এমন কোনো বিলে তিনি নিজের ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ করার সাহস দেখাবেন কি না। স্বাস্থ্যসেবাও এমন একটি বিষয়, যা সরাসরি মানুষের পকেটে প্রভাব ফেলে। কোনো নির্বাচিত কর্মকর্তাকে পদ থেকে সরাতে সিনেটের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থন লাগবে।

এই বিভাগের আরো খবর