1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
১০ বছরের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপন করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী - আজকের কাগজ
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনায় ৬ কমিটি গঠন হাম উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১০৬৩ নওগাঁয় আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উপলক্ষে র‍্যালী ও আলোচনা সভা রোটারী ক্লাব অব চিটাগাং পার্ল এর বৃক্ষরোপন কর্মসুচী সম্পন্ন সাপাহারে ৩০ তরুণকে নিয়ে শুরু মাসব্যাপী মোবাইল সার্ভিসিং প্রশিক্ষণ সাদুল্লাপুরে অপহরন মামলার আসামী বাবা ছেলে আশুলিয়া থেকে গ্রেপ্তার মেঘনায় ভেসে উঠল নারী-পুরুষের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার কটিয়াদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধে এক প্রবাসীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা মোহনগঞ্জে মাটি কেটে খাল ভরাট সরকারি নির্দেশে অপসারণ শুরু রিক্সা ভ্যান ও অটোচালক দল মিরপুর থানা’র আহ্বায়ক আমিনুল ও শহীনকে সদস্য সচিব করে কমিটি অনুমোদন

১০ বছরের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপন করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬ ৬:০৯ পিএম
শেয়ার করুন

আগামী ১০ বছরের জন্য দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের পরিকল্পনা জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশের স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল, শিল্পকারখানা ও বাসাবাড়িতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি যানবাহনের জন্য প্রয়োজনীয় গ্যাসের ব্যবস্থাও করা হবে বলে জানান তিনি।

রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে চট্টগ্রামের বাঁশখালীর বাহারছড়া ইউনিয়নের সমুদ্রসৈকতে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, বিগত স্বৈরাচার সরকারের সময়ে দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাত গুটিকয়েক ব্যক্তির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। তাদের স্বার্থ হাসিলের জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল, যা দেশের মানুষের স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। এখন জ্বালানি ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থাকে জনগণের স্বার্থে পরিকল্পিতভাবে সাজাতে কিছুটা সময় প্রয়োজন। সরকার ইতোমধ্যে সেই কাজ শুরু করেছে।

তিনি বলেন, আগামী ১০ বছরে বাংলাদেশের জ্বালানি পরিকল্পনা কী হবে এবং দেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা কীভাবে পরিচালিত হবে, সেই প্রস্তাবনা জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হবে। সংসদে পরিকল্পনা উপস্থাপনের মধ্য দিয়েই এ কার্যক্রম শুরু হবে।

জ্বালানি খাত নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত কিছুদিন ধরে গুটিকয়েক মানুষ এ বিষয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছেন। বিএনপি সরকার সংসদে পরিকল্পনা উপস্থাপন করবে। কারও কোনো পরিকল্পনা থাকলে তা জনগণের সামনে উপস্থাপন করতে হবে। তবে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিয়ে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও জনগণের শান্তি নষ্ট করা যাবে না।

দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে জ্বালানি ও নিরাপত্তার সম্পর্ক তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আনতে হলে শান্তি-শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে হবে। বিনিয়োগকারীরা চান, তাদের কারখানায় উৎপাদিত পণ্য নির্বিঘ্নে বন্দরে পৌঁছাবে এবং প্রয়োজনীয় কাঁচামালও সঠিকভাবে দেশে আসবে। শিল্পকারখানা সচল রাখতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি।

আনোয়ারায় চীনের বিনিয়োগ প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, চীনকে আনোয়ারায় একটি বড় জায়গা দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি চীন সফরে গিয়ে তিনি দেশটির সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেছেন। সেখানে কয়েকশ মিল-কারখানা তৈরি করা হবে বলে জানান তিনি। এসব শিল্পকারখানায় চট্টগ্রামের বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, এর ফলে একদিকে বেকারত্ব কমবে, অন্যদিকে বাংলাদেশ বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারবে। অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব হবে।

সমাবেশে ফ্যামিলি কার্ডের পাশাপাশি কৃষক কার্ড চালুর কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী। বাঁশখালীর লবণ চাষিদেরও কৃষক কার্ডের আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি।

তারেক রহমান বলেন, শুধু ধান, পাট, শাকসবজি বা অন্যান্য ফসলের চাষিরাই কৃষক কার্ড পাবেন—এমন নয়। বাঁশখালীর লবণ চাষিরাও ইনশাআল্লাহ কৃষক কার্ড পাবেন।

লবণের মূল্য নির্ধারণের বিষয়ে তিনি বলেন, সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে লবণের এমন একটি মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে লবণ চাষিরা স্বাবলম্বী হতে পারেন এবং অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছলতা অর্জন করতে পারেন। আগামী কিছুদিনের মধ্যে নির্ধারিত মূল্য সবাইকে জানিয়ে দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

এ ছাড়া বাঁশখালী উপজেলা হাসপাতালকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি আরও জানান, চলতি অর্থবছরে সারাদেশে প্রায় ৪১ লাখ পরিবারের মায়ের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেওয়া হবে। এর আওতায় বাঁশখালী এলাকায় ১০ থেকে ১২ হাজার পরিবারের হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

এই বিভাগের আরো খবর