1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
দলে দলে বাড়ি ফিরছে গাজার মানুষ - আজকের কাগজ
মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ০৩:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ইসরাইলের আয়রন ডোম ধ্বংস করল হিজবুল্লাহ শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার পথে এমপি আমির হামজার পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ, আহত ২ খুরশীদ আলমকে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদ থেকে সরানো হচ্ছে না: বাংলাদেশ ব্যাংক ভোলায় পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে তোফায়েল আহমেদকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি আলোচনা স্থগিত করছে ইরান হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যু ৫৮৮ সাংবাদিকদের দায়িত্ব পালনে বাধা মোকাবিলায় সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’: তথ্যমন্ত্রী হিলিতে ৩ থানার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি সুজন গ্রেফতার চরফ্যাশনে হত্যা চেষ্টায় হামলায় নারীসহ আহত-৫ কুমিল্লা বিজিবির অভিযানে ১ কোটি ১৩লক্ষ টাকা মুল্যের মাদক ও চোরা চালানিপণ্য জব্দ

দলে দলে বাড়ি ফিরছে গাজার মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৫ ৬:১২ পিএম
শেয়ার করুন

দুই বছরের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ায় গাজার হাজার হাজার বাস্তুচ্যুত মানুষ তাদের বিধ্বস্ত ঘর-বাড়িতে ফিরতে শুরু করেছে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ইসরাইলি বাহিনীও ধীরে ধীরে তাদের অবস্থান থেকে সরে যাচ্ছে। ফলে, গাজা নগর ও আশপাশের এলাকাগুলোতে মানুষের ফিরে আসার ঢল নেমেছে।

বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, গাজার উত্তরাঞ্চলে হাজার হাজার মানুষ আল-রশিদ সড়কে রাতভর অপেক্ষা করার পর সেনা প্রত্যাহারের খবর পেয়ে বাড়ির দিকে অগ্রসর হন। তবে গাজার ৫৩ শতাংশ এলাকা, বিশেষত সীমান্তবর্তী বাফার জোন, রাফা, খান ইউনিস, বেঈত হানুন ও ফিলাডেলফি করিডর এখনো ইসরাইলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

ইসরাইলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ) সতর্ক করেছে, এসব এলাকায় প্রবেশ করা বিপজ্জনক হতে পারে।টেলিগ্রামে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইডিএফ জানিয়েছে, শুক্রবার (১০ অক্টোবর) স্থানীয় সময় দুপুর ১২টায় (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা) থেকে সেনারা গাজার কিছু এলাকা থেকে সরে এসে ‘নতুন নির্ধারিত সীমানা বরাবর অবস্থান নেয়া শুরু করেছে’।

ইসরাইলি গণমাধ্যম চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনায় উল্লেখিত এবং হামাস ও ইসরাইলের সম্মত হওয়া এলাকাগুলো থেকে সেনা প্রত্যাহার শুরু হয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই সেনা প্রত্যাহার সম্পন্ন হবে।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, ইসরাইলি সেনাবাহিনী রাফাহ ও খান ইউনিস (দক্ষিণ) এবং গাজার উত্তরের এলাকা থেকে পূর্ব দিকে প্রত্যাহার করে ইসরাইলের সীমান্তের দিকে সরে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এরই মধ্যে কিছু সামরিক ব্রিগেড এবং ডিভিশন গাজার কেন্দ্র থেকে সরে এসেছে। এদিকে উপত্যকার দক্ষিণ অংশ থেকে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি পরিবারগুলো উত্তরের দিকে যাত্রা শুরু করেছে।

এদিকে গাজায় যুদ্ধবিরতি ‘পর্যবেক্ষণ’ করার জন্য কয়েকটি দেশের সমন্বয়ে গঠিত একটি যৌথ টাস্কফোর্সের অংশ হিসেবে ইসরাইলে ২০০ মার্কিন সেনা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের এক কর্মকর্তা আল জাজিরাকে জানিয়েছেন, ওই ২০০ মার্কিন সেনা এরই মধ্যে ইসরাইলের উদ্দেশে রওনা হয়েছে।

যুদ্ধবিরতি দেখভালে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা পাঠানোর বিষয়টি হামাসের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা গ্যারান্টি বলে মনে করা হচ্ছে যা হামাসকে যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হতে উদ্বুদ্ধ করে।

এদিকে ট্রাম্প নিজেও আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেছেন যে যুদ্ধবিরতি ‘বহাল থাকবে’, তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ইসরাইল এবং হামাস ‘যুদ্ধে ক্লান্ত’ হয়ে পড়েছে।

এদিকে, ইসরাইল ২৫০ জন ফিলিস্তিনি বন্দীর তালিকা প্রকাশ করেছে যাদের মুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনা করছে।

গত ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরে হামাস ইসরাইলের ওপর হামলার মাধ্যমে সর্বশেষ সংঘাত শুরু করার পর থেকে আটক ১ হাজার ৭শ’ জনকে মুক্তি দিবে।

যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পর, ফিলিস্তিনিরা, যারা দুই বছর ধরে প্রচণ্ড বোমাবর্ষণ এবং জাতিসংঘের সতর্কতা অনুযায়ী দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতির মধ্যে ছিলো, খান ইউনিস থেকে তাদের ধ্বংসপ্রাপ্ত বাড়ির দিকে যাত্রা শুরু করেছে।

যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপের বিশাল অংশ থেকে মৃতদেহ উদ্ধার শুরু করেছে।

ইতালি জানিয়েছে, গাজা ও মিশরের মধ্যবর্তী রাফাহ সীমান্তে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ১৪ অক্টোবর একটি পথচারী ক্রসিং পুনরায় চালু করবে।

যুদ্ধবিরতি চুক্তির অধীনে, হামাস দুই বছর আগে ৭ অক্টোবরের হামলায় অপহৃত ২৫১ জন জিম্মির মধ্যে ৪৭ জন জীবিত এবং মৃতকে হস্তান্তর করবে।

২০১৪ সাল থেকে গাজায় আটক এক জিম্মির মরদেহও ফিরিয়ে দেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ব্রিটেন, ফ্রান্স এবং জার্মানির নেতারা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদকে এই পরিকল্পনাকে সমর্থন করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

ট্রাম্প নিশ্চিত করেছেন যে তিনি সোমবার মিশরের এক সভায় ‘অনেক নেতা’র সঙ্গে বৈঠক করবেন। যেখানে ধ্বংসপ্রাপ্ত গাজা নিয়ে আলোচনা হবে এবং তিনি আত্মবিশ্বাসী যে যুদ্ধবিরতি মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক শান্তির দিকে নিয়ে যাবে।

এই বিভাগের আরো খবর