1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
রুয়েটে অবশেষে চালু হচ্ছে ইউনিক কোডিং সিস্টেম - আজকের কাগজ
সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ১০:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
মমতার সাম্রাজের পতনের আগেই নবান্নে কেন্দ্রীয় বাহিনী, চলছে কড়া তল্লাশি সারাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৪ ‘ছেলেকে কোনোদিন থাপ্পড়ও মারিনি, কেন তাকে এত কষ্ট দিয়ে মারলো?’ মৌমাছির আক্রমণে কুড়িগ্রামে ৩ জামায়াত নেতাকর্মী আহত বিনিয়োগকারীদের টানতে প্রকল্প অনুমোদন সহজ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মমতার গাড়ি দেখে মারমুখী বিজেপি কর্মীরা, ‘চোর-চোর’ স্লোগান ঢামেকে পুলিশ-এনএসআই যৌথ অভিযান, ৪৫ দালাল আটক এমপিওভুক্তির দাবিতে শিক্ষকদের ১২ দিনের আলটিমেটাম আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরাতে মন্ত্রণালয়গুলো সক্রিয়ভাবে কাজ করছে : আইনমন্ত্রী

রুয়েটে অবশেষে চালু হচ্ছে ইউনিক কোডিং সিস্টেম

রুয়েট প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৪ মে, ২০২৬ ৭:২৩ পিএম
শেয়ার করুন

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) উত্তরপত্র মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় দীর্ঘদিনের আলোচিত ইউনিক কোডিং পদ্ধতি চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। গত ২ মে অনুষ্ঠিত একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রাথমিকভাবে ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের (২৫ সিরিজ) তিনটি বিভাগ—কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, বিল্ডিং ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন ম্যানেজমেন্ট (বিইসিএম) এবং ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে এ পদ্ধতি চালু করা হবে। এতে পরীক্ষার্থীর নাম-পরিচয় গোপন রেখে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা হবে, যা মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রশাসনের নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, প্রাথমিক বাস্তবায়ন সফল হলে এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোতে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া গেলে পরবর্তী একাডেমিক কাউন্সিল সভায় বিষয়টি এজেন্ডাভুক্ত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বর্ষ ও বিভাগের জন্য কোডিং সিস্টেম সম্প্রসারণ করা হবে। এ উদ্যোগকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ একাডেমিক সংস্কার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে শিক্ষার্থীদের উত্থাপিত ১২ দফা দাবির অন্যতম ছিল এই কোডিং পদ্ধতি চালু করা। পরে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে শিক্ষকদের প্রতিহিংসার শিকার হওয়ার অভিযোগ উঠলে বিষয়টি শিক্ষার্থীদের কাছে আরও গুরুত্ব পায়। তবে দীর্ঘদিন দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় প্রশাসনের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্নও তৈরি হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালের ২৬ জুলাই রুয়েট কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে কোডিং সিস্টেম দ্রুত চালুর দাবি জানান। তখন প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত বাস্তবায়নের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল।

এ সম্পর্কে ১২ দফা আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক ও ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের সাবেক শিক্ষার্থী মো. মাঈন উদ্দীন জানান,”৫ই আগস্ট পরবর্তী রুয়েট প্রশাসনের নিকট ১২দফা দাবির অন্যতম একটি ছিলো কোডিং সিস্টেমের প্রবর্তন। ইতিপূর্বে শিক্ষকদের বিরাগভাজন হয়ে একাডেমিক রেজাল্ট খারাপ হওয়া এবং এর ফলে শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হওয়ার ঘটনা অহরহ ঘটেছে। এটি এখন বাস্তবায়ন হলে এধরনের ঘটনা থেকে শিক্ষার্থীরা মুক্তি পাবে বলে বিশ্বাস করি। এ ন্যায্য দাবি পূরণে রুয়েট প্রশাসনের আরও অগ্রগামী ভূমিকা প্রত্যাশা করি।”

এদিকে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মহিউদ্দিন নাহিদ বলেন,”কোডিং সিস্টেম আমাদের ১২দফার গুরুত্বপূর্ণ দাবি ছিল। প্রশাসনের সাথে একাধিকবার আলোচনা এবং বিভিন্ন সময়ে আন্দোলনও হয়েছে এ বিষয়ে। সে সময় আমাদের দ্রুত চালুর আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। এখন আর আশ্বাস নয়, কালবিলম্ব না করে এর দৃশ্যমান ফলাফল চাই। দীর্ঘ সময় পরে এখন বাস্তবায়নের পথে, তবে আরও গতিশীল হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করি।”

অবশেষে শিক্ষার্থীদের বহুল প্রত্যাশিত কোডিং সিস্টেম চালু হতে যাচ্ছে। এটি শিক্ষার্থীদের জন্য যেমন স্বস্তিদায়ক তেমনি রুয়েটের অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি একাডেমিক স্বচ্ছ ব্যবস্থায় সংস্কার ও আধুনিকায়নে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাওয়া।

এই বিভাগের আরো খবর