
জনতা ব্যাংক পিএলসির সাবেক চেয়ারম্যান অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. আবুল বারকাতের ধানমণ্ডি ও মোহাম্মদপুরের দুটি ফ্ল্যাট ক্রোকের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে ২৯ লাখ টাকা মূল্যের একটি গাড়ি এবং তার ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার এ আদেশ দেন ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবির।
এদিন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ ফ্ল্যাট ক্রোকসহ গাড়ি ও ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, ড. আবুল বারকাতের বিরুদ্ধে বিভিন্ন কোম্পানিকে অবৈধভাবে ঋণ দেওয়ার মাধ্যমে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধানকালে তার নিজ নামে ৪৯ লাখ ৬১ হাজার ৩৮৪ টাকা মূল্যের স্থাবর সম্পদ এবং ৩ কোটি ৫০ লাখ ৩১ হাজার ৬৫ টাকা ও ১০ হাজার ২৫ মার্কিন ডলারের অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে।
আবেদনে আরও বলা হয়, বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নামে থাকা স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ বিক্রি বা হস্তান্তরের চেষ্টা চলছে। অভিযোগের নিষ্পত্তির আগে এসব সম্পদ হস্তান্তর, স্থানান্তর, রূপান্তর বা বিক্রি হয়ে গেলে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।
এ কারণে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নামে থাকা সম্পত্তি মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ১৪ ধারা এবং দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭-এর ১৮ বিধি অনুযায়ী অবিলম্বে ক্রোক ও অবরুদ্ধ করা প্রয়োজন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
শুনানি শেষে আবুল বারকাতের স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক এবং গাড়িসহ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ দেন বিচারক।