1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
  4. : temp-login-BxH6QyEPU5XH7Ed :
যুক্তরাষ্ট্রে আসছে দুই বছরের তীব্র সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক সংকট - আজকের কাগজ
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ইউটিউব দেখে জাল টাকা তৈরির কারখানা: হায়দরাবাদে আটক ৪ বার্ষিক ৯ হাজার কোটি টাকার বাণিজ্যে মুখর খুলনার প্রাচীন বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটদের জয়ে ট্রাম্পের চ্যালেঞ্জ যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে জয়ী গাজায় চিকিৎসাসেবা দেওয়া সেই চিকিৎসক ভারতের রাজত্বে ভাগ বসাবে কে: সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ইয়েমেনে সৌদি জোটের হামলায় ২০ জনের প্রাণহানি: হুথিদের দাবি কিশোরগঞ্জে সাবেক এমপি আখতারুজ্জামানের ছেলেকে আঘাত, ঢাকায় স্থানান্তর ইরান যুদ্ধে নতুন অর্থ বন্ধের দাবি ডেমোক্র্যাট সিনেটরের যুক্তরাষ্ট্রে আসছে দুই বছরের তীব্র সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক সংকট পোশাকশিল্পে অস্থিরতা পরিকল্পিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন

যুক্তরাষ্ট্রে আসছে দুই বছরের তীব্র সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক সংকট

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬ ৭:০৯ এএম
শেয়ার করুন

মার্কিন কংগ্রেসের উভয় কক্ষে ডেমোক্র্যাটরা জয়লাভ করায় ওয়াশিংটনে এক নজিরবিহীন রাজনৈতিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে যাচ্ছে। সাধারণত আইনসভার নিয়ন্ত্রণ হাতছাড়া হলে দেশজুড়ে স্থবিরতা দেখা দেয়, তবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষেত্রে এই পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে। প্রথাগত রক্ষণশীল আদর্শের বদলে ট্রাম্প লেনদেনমূলক রাজনীতিতে বিশ্বাসী হওয়ায় আগামী দুই বছর কোনো রাজনৈতিক অচলাবস্থা নয়, বরং রাষ্ট্রপতির নির্বাহী ক্ষমতা ও কংগ্রেসের আইনগত অধিকারের মধ্যে তীব্র সাংবিধানিক লড়াইয়ের সাক্ষী হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

ট্রাম্প রিপাবলিকান পার্টির ঐতিহ্যগত মুক্তবাজার বা সীমিত সরকারি হস্তক্ষেপের নীতি থেকে সরে এসে নিজস্ব সুরক্ষাবাদী বাণিজ্য ও দেশীয় শিল্পকে প্রাধান্য দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছেন। অনেক ক্ষেত্রে ডেমোক্র্যাটদের প্রগতিশীল ধারার সাথে তার চিন্তার মিল থাকায় তিনি বিষয়ভিত্তিক সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেন। তবে যেখানেই মতবিরোধ হবে, সেখানেই তিনি কংগ্রেসকে এড়িয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা বা বিশেষ নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে নিজের সিদ্ধান্ত কার্যকর করার চেষ্টা করবেন। ডেমোক্র্যাটদের যেকোনো আইনি বাধা বা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ট্রাম্প আদালতের দীর্ঘসূত্রিতাকে তার অন্যতম প্রধান কৌশল হিসেবে ব্যবহার করবেন।

সবচেয়ে বড় সংঘাতের ক্ষেত্র হতে পারে পররাষ্ট্রনীতি, বিশেষ করে ইরান ও মধ্যপ্রাচ্য ইস্যুতে। সংবিধান রাষ্ট্রপতিকে পররাষ্ট্রনীতিতে ব্যাপক স্বাধীনতা দিলেও, ডেমোক্র্যাট নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেস যুদ্ধ ক্ষমতা সংক্রান্ত আইন ও বাজেট আটকে ট্রাম্পের সামরিক পদক্ষেপগুলো নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালাবে। এর বিপরীতে ট্রাম্প সংবিধানের দ্বিতীয় অনুচ্ছেদের দোহাই দিয়ে যেকোনো আইনি সীমাবদ্ধতাকে অগ্রাহ্য করে একতরফা সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতে অটল থাকবেন।

এদিকে, ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ব্যবহার করে ট্রাম্প প্রশাসনকে চাপে রাখতে নিয়মিত তদন্ত ও অভিশংসনের অস্ত্র ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে। নিয়মিত কমিটিগুলোতে তার মন্ত্রিসভার সদস্য ও নীতি নির্ধারণী সিদ্ধান্তের বিষয়ে লাগাতার সমন ও অনুসন্ধান চালানো হতে পারে। তবে ট্রাম্প এই প্রাতিষ্ঠানিক চাপকে ভয় না পেয়ে বরং একে প্রতিপক্ষের অন্যায্য ষড়যন্ত্র হিসেবে প্রচার করে সমর্থকদের মধ্যে নিজের জনপ্রিয়তা বাড়ানোর মাধ্যম হিসেবে দেখবেন। সিনেটে ট্রাম্পকে ক্ষমতাচ্যুত করার মতো দুই-তৃতীয়াংশ ভোট পাওয়া কার্যত অসম্ভব বলে এই অভিশংসন প্রক্রিয়া কেবল সাংবিধানিক অস্থিরতা বাড়াবে।

সামগ্রিকভাবে, আগামী দুই বছর ওয়াশিংটনের শাসনব্যবস্থা একের পর এক সাংবিধানিক সংকটের মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হবে। ট্রাম্পের একক নির্বাহী ক্ষমতা ব্যবহারের প্রবণতা এবং ডেমোক্র্যাটদের কঠোর অবস্থানের ফলে মার্কিন রাজনৈতিক কাঠামোর যে চরম পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে, তার আধুনিক কোনো দৃষ্টান্ত আগে কখনো দেখা যায়নি।

এই বিভাগের আরো খবর