জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশনে যোগ দিতে চলতি সপ্তাহে নিউ ইয়র্কে একত্রিত হচ্ছেন বিশ্বের শীর্ষ নেতারা। টানা দ্বিতীয় বছরের মতো প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পোডিয়ামে প্রত্যাবর্তনের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে এই আন্তর্জাতিক
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইরানের একটি স্কুল ও ক্রীড়া স্থাপনায় মার্কিন সামরিক হামলা যুদ্ধাপরাধের শামিল। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘের একটি ফ্যাক্ট–ফাইন্ডিং মিশন বা তথ্য অনুসন্ধানী দল এ কথা জানিয়েছে। এ–সংক্রান্ত জাতিসংঘের
পাকিস্তানের ইসলামাবাদের একটি হাসপাতালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৪ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সরকারি তদন্তে চরম অব্যবস্থাপনা ও অগ্নিনিরাপত্তার গুরুতর ঘাটতির তথ্য উঠে এসেছে। তদন্ত কমিটি ঘটনাটিকে ‘পদ্ধতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যর্থতা’ হিসেবে উল্লেখ
পবিত্র নগরী মক্কার দক্ষিণে একটি ড্রোন প্রতিহত করার দাবি করার পর মক্কাকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠী। বুধবার হুথি-পরিচালিত সাবা বার্তা সংস্থার এক প্রতিবেদনে এ
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে কারাগারে ‘ধীরে ধীরে হত্যা করা হচ্ছে’ বলে দাবি করেছেন তার দুই ছেলে। আশঙ্কা প্রকাশ করে তারা দেশটির সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের বিরুদ্ধে তাদের বাবার ওপর ‘ব্যক্তিগত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত দুটি পৃথক আমন্ত্রণ জানিয়েছিল বলে দাবি করেছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এর একটি ছিল দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্য এবং অন্যটি বঙ্গোপসাগরীয় বহুমাত্রিক কারিগরি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা উদ্যোগের (বিমসটেক)
যুক্তরাজ্যের সাংবিধানিক ভবিষ্যৎ ও অখণ্ডতা নিয়ে নতুন করে তৈরি হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা। ইতিহাসের প্রথমবারের মতো ওয়েলস, স্কটল্যান্ড এবং উত্তর আয়ারল্যান্ড, এই তিনটি অঞ্চলই একযোগে স্বাধীনতার পক্ষের বা বর্তমান ইউনিয়নবিরোধী
ভারতের নয়াদিল্লিতে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন শুরুর আগে জোটের সদস্যদেশগুলো একটি যৌথ ঘোষণার বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছে। শনিবার বিকেলে ঘোষণাপত্রটি প্রকাশ করা হবে। এতে কোনো দেশের নাম সরাসরি উল্লেখ না করে ‘সব
ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের দমনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপের অনুরোধ জানিয়েছেন সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান। তবে হোয়াইট হাউজ এই মুহূর্তে সরাসরি কোনো সামরিক অভিযানে
দীর্ঘ ছয় মাস ধরে ইরানের সঙ্গে চলা যুদ্ধ আগামী নভেম্বরে মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরই শেষ হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট