1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
এবার লোহিত সাগরে সামরিক অবস্থান নেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের - আজকের কাগজ
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
আমরাই যেচে সর্বনাশ ডেকে এনেছিলাম: টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে সংসদে স্পিকার এবার লোহিত সাগরে সামরিক অবস্থান নেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের ইরানকে অস্ত্র না দিতে শি জিনপিংকে চিঠি পাঠালেন ট্রাম্প হঠাৎ কমলো স্বর্ণের দাম বার কাউন্সিলে নির্বাচন করতে হাইকোর্টে রিট ব্যারিস্টার সুমনের দুই মাসে ‘ট্র্যাপে ফেলে’ মিরপুরে ১৩ ধর্ষণ, অভিযুক্ত রাব্বি গ্রেপ্তার নাগরিকদের ‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ লাল মুক্তিবার্তা ও ভারতীয় তালিকা থেকে ৬৪৭৬ ‘ভুয়া’ মুক্তিযোদ্ধা বাদ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এখন প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ইস্টার্ন রিফাইনারি ‘লো-ফিডে’ চালু, সরবরাহ ব্যবস্থায় প্রভাব পড়বে না: জ্বালানি মন্ত্রণালয়

এবার লোহিত সাগরে সামরিক অবস্থান নেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ৬:৫০ পিএম
শেয়ার করুন

লোহিত সাগরে সামরিক অবস্থান নেবে ইরান, পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্র পথটি বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। দেশটির সামরিক বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড সেন্টারের প্রধান আলী আবদুল্লাহি এক বিবৃতিতে এ হুঁশিয়ারি দেন। তিনি জানান, হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ চলছে, ইরানও কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে।

বুধবার ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনে বিবৃতিটি প্রচারিত হয়। তাতে আলী আবদুল্লাহি বলেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ অব্যাহত রাখে এবং ইরানের বাণিজ্যিক জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাংকারের জন্য নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করে, তাহলে তা হবে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের একটি পূর্বসূচনা। এর প্রতিক্রিয়ায় ইরানের সশস্ত্র বাহিনী পারস্য উপসাগর, ওমান সাগর এবং লোহিত সাগরে কোনো ধরনের আমদানি কিংবা রপ্তানি কার্যক্রম চলতে দেবে না।

এদিকে ইরানকে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যে কোনো প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি বলেছেন, ইরানের জনগণ এ ধরনের পদক্ষেপ কখনো মেনে নেবে না।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) তেহরানে জরুরি পরিসেবা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি আরও বলেন, তেহরান যুদ্ধ বা অস্থিতিশীলতা নয়, বরং সব সময়ই গঠনমূলক আলোচনার পক্ষে।

তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, আন্তর্জাতিক আইন ও মানবিক নীতিমালার আওতায় বেসামরিক নাগরিক, শিশুদের লক্ষ্যবস্তু বানানো এবং স্কুল ও হাসপাতালসহ গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলো ধ্বংস করার পেছনে কী যুক্তি থাকতে পারে?

প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ জোরদার করেছে। ফলে দেশটির সামুদ্রিক বাণিজ্য প্রায় পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্টকম জানিয়েছে, অবরোধ কার্যকর হওয়ার ৩৬ ঘণ্টার মধ্যেই ইরানে যাওয়া-আসা করা প্রায় সব জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

সেন্টকমের কমান্ডার ব্র্যাড কুপার বলেন, ইরানের অর্থনীতির প্রায় ৯০ শতাংশই আন্তর্জাতিক সমুদ্র বাণিজ্যের ওপর নির্ভরশীল। ফলে এই অবরোধ দেশটির ওপর বড় অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করবে।

এই বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *