
নওগাঁর মহাদেবপুরে ২৪ আগস্ট সোমবার রাতে চাঁন্দাশ ইউনিয়নের চাকলা গ্রামে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে। ডাকাতদল বসতবাড়ির দরজা ভেঙে ঘরের ভিতরে ঢুকে মেডিসিন স্প্রে করে গৃহকর্তা আব্দুস সাত্তারকে অজ্ঞান করে নগদ দেড় লক্ষ টাকা, ৩ ভরি স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ৯ লক্ষ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। আব্দুস সাত্তার চাকলা গ্রামের মোঃ মকবুল হোসেনের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, আব্দুস সাত্তারের নিকট আত্নীয় মারা যাওয়ায় ওইদিন সকালে তিনিসহ তার পরিবারের লোকজন সেখানে যান। দুপুরে জানাজা শেষে আব্দুস সাত্তার ফিরে এলেও তার স্ত্রী, সন্তান সেখানেই থেকে যান। রাতের খাবার খেয়ে তার বাবা ও তিনি ঘুমিয়ে পড়েন। তিনি নিয়মিত নামাজ আদায় করেন। মঙ্গলবার সকালে ঘুম থেকে না উঠলে স্থানীয়রা তাকে বাড়ির বাইরে থেকে তাকে ডাকাডাকি করে। তাতে সাড়া না দিলে বিকল্প রাস্তায় বাড়ির ভিতরে গিয়ে দেখে ঘরের দুইটি দরজা ভাঙ্গা। পাশে তার বাবার ঘরের দরজায় বাইরে থেকে শিকল তুলে দেয়া রয়েছে। এ সময় তারা ঘরের ভিতর থাকা সোকেস, সাব-বাক্স, ডেসিন টেবিল, টিভিসহ অন্যান্য আববাবপত্র ভাঙ্গা ও কাপড় চোপড় এলোমেলো অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। এছাড়াও দোতলায় গিয়ে খাটের উপর অজ্ঞান অবস্থায় আব্দুস সাত্তারকে পড়ে থাকতে দেখেন।স্থানীয়রা জানান, আব্দুস সাত্তারে গলায়, মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।প্রতিবেশীরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে মহাদেবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে দেন। রাত ৮ টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তার জ্ঞান ফেরেনি বলে স্বজনরা জানান। এ ব্যাপারে আব্দুস সাত্তারের জামাই মোঃ ইলিয়াস কাঞ্চন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ওমর ফারুক বলেন, ভিকটিম এখনো অসুস্থ থাকায় ঘটনার বিষয়ে পুরোপুরি জানা যাচ্ছে না, তিনি সুস্থ হলে ঘটনার সঠিক কারণ জানা যাবে। এছাড়াও ঘটনাস্থলে অফিসারদের পাঠানো হয়েছে। তারা ফিরে এলে প্রয়োজনীয় আইনুনুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।