1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
শতাধিক যাত্রী নিয়ে চরে আটকা পড়েছে ‘সুগন্ধা’ লঞ্চ - আজকের কাগজ
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
যৌক্তিক হারে গণপরিবহন ভাড়া না বাড়ালে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি জাতীয় ক্যানসার হাসপাতালের উপপরিচালককে ছুরিকাঘাত ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছি: প্রধানমন্ত্রী কুড়িগ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে বৃদ্ধ পিতাকে পিটিয়ে ঘরে বন্দি ইরানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর আজ, দাবি ট্রাম্পের মন্ত্রীদের প্রটোকল দিতে ডিসি-এসপিদের নতুন নির্দেশনা ‎পদোন্নতি সংকটে উত্তাল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়: পরশু থেকে পূর্ণাঙ্গ একাডেমিক শাটডাউনের ঘোষণা চৌদ্দগ্রামে বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে জামায়াত-শিবিরের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন নওগাঁয় হাম টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু জবির কেন্দ্রীয় মসজিদে তালা, ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা

শতাধিক যাত্রী নিয়ে চরে আটকা পড়েছে ‘সুগন্ধা’ লঞ্চ

হাতিয়া (নোয়াখালী) প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬ ১০:০৬ পিএম
শেয়ার করুন

গভীর রাতে ঝড়ের মুখে পড়ে ঢাকা-হাতিয়া নৌপথে চলাচলকারী এমভি সুগন্ধা লঞ্চটি চরে উঠে আটকা পড়েছে। জোয়ার আসলেও নদীতে পর্যাপ্ত পানি না থাকায় লঞ্চটি সরানো সম্ভব হয়নি। এতে করে শতাধিক যাত্রী নিয়ে প্রায় ১৫ ঘণ্টা ধরে লঞ্চটি চরে আটকে রয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাত আনুমানিক ৩টার দিকে ঢাকা থেকে হাতিয়ার নলচিরা ঘাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসার পর ইলিশা ঘাটের আগে ঝড়ের কবলে পড়ে লঞ্চটি। প্রবল ঢেউয়ের আঘাতে চরভৈরবী এলাকায় গিয়ে চরে উঠে আটকা পড়ে। বিকেল ৫টার দিকে আটকে থাকা যাত্রীদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ হলে তারা চরম দুর্ভোগ ও অসহায় অবস্থার কথা জানান।

লঞ্চ থেকে কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীকে বিষয়টি জানানো হলেও বিকেল পর্যন্ত উদ্ধার তৎপরতায় দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা।

জানা গেছে, ঢাকা-হাতিয়া নৌপথে যাত্রীসেবার সুবিধা বাড়াতে সরকারি উদ্যোগে এমভি রূপসা ও এমভি সুগন্ধা নামে দুটি নতুন লঞ্চ চালু করা হয়। সোমবার সন্ধ্যায় সদরঘাট থেকে উদ্বোধনী যাত্রা শুরু করে এমভি সুগন্ধা। তবে প্রথম যাত্রার রাতেই দুর্যোগের মুখে পড়ে চরে আটকা পড়ে লঞ্চটি।

লঞ্চে থাকা যাত্রী দিনাজ উদ্দিন বলেন, “রাত ২টার দিকে আমরা চরে আটকা পড়ি। কোস্টগার্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা তিনটি ট্রলার পাঠানোর কথা জানায়। কিন্তু ১৫ ঘণ্টা পার হলেও এখনো কোনো সহায়তা পাইনি।

অন্য এক যাত্রী জানান, “আমার স্ত্রী ও আড়াই বছরের এবং ছয় মাসের দুই সন্তানসহ লঞ্চে আটকা আছি। সকাল থেকে বাচ্চাদের জন্য কোনো খাবারের ব্যবস্থা করা যায়নি। নামারও সুযোগ নেই। সন্ধ্যা হয়ে আসছে, আমরা খুবই মানবিক সংকটে আছি।”

লঞ্চটির মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “হঠাৎ ঝড়ের কারণে লঞ্চটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চরের ওপর উঠে যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে নোঙর করা হয়। পরে ভাটার সময় পানি কমে যাওয়ায় আটকে পড়ে। জোয়ার এলেও পর্যাপ্ত পানি না থাকায় সরানো যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে, উদ্ধার জাহাজ পাঠানোর চেষ্টা চলছে।”

এই বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *