
সারা বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশেও যখন ইজরায়েল নৃশংস হত্যাকান্ডের বিরুদ্ধে উত্তাল হয়ে মাঠে নেমেছে মুসলমান তৌহিদী জনতা, তখন থেমে নেই পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের শিক্ষার্থীরা। আজ বেলা ১১ টায় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করার পর পুরান ঢাকার বিভিন্ন স্থান প্রদক্ষিণ করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে মিলিত হয় রাজু ভাস্কর্যের সামনে। সেখানে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল করেন শিক্ষার্থীরা।
এবিষয়ে সোহরাওয়ার্দী কলেজের শিক্ষার্থী শাকিল আহমেদ বলেন, একজন মুসলিম হিসেবে না শুধু একজন মানুষ এর বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া সত্যি আমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
আমি চাই সকল ধরনের বেসামরিক মানুষের ওপর হামলা,শিশু হত্যা এগুলো বন্ধ হোক। কোনো পক্ষই হোক না কেন,নিরীহ মানুষের ক্ষতি যেন না হয়। হামলাকারীদের আন্তজার্তিক আইনানুযায়ী যুদ্ধাপরাধ অপরাধে বিচারের দাবি জানাচ্ছি।
আরেক শিক্ষার্থী, মো: নাইমুল ইসলাম বলেন,ফিলিস্তিনের জনগণের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে রাস্তায় নেমেছি। কারণ সেখানে আমার ভাই বোন শিশুদের নৃশংসভাবে হত্যা করা হচ্ছে।
ইসরায়েলি বাহিনীর ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। এবং বিশ্ব নেতাদের প্রতি আহ্বান থাকবে অনতিবিলম্বে এই যুদ্ধের চির অবসান কল্পে পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল জনসাধারণকে বলবো, ইসরাইলের সকল পণ্য বয়কট করুন। এবং তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান।
এছাড়াও আরেক শিক্ষার্থী আলামিন বলেন, আজ মজলুমের কান্নার শব্দটা বন্ধ হয়ে গেছে গাজায়। বিশ্ব মানবতা বলে আর রইলো না কিছুই। এরপরও সারাবিশ্বে ডাকা স্ট্রাইক ফর গাজা কর্মসূচিতে সারা বাংলাদেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ন্যায় নো স্কুল, নো ইউনিভার্সিটি, নো ওয়ার্ক – এর প্রতি সংহতি জানিয়েছে সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ এর সাধারণ শিক্ষার্থীরা এবং তারই অংশ হিসাবে একটা বিক্ষোভ মিছিল হয়ে। সেই সাথে আমি সকলকে অনুরোধ করবো ইসরায়েলের পন্য বয়কট তীব্র ভাবে পালন করে তাদের অর্থনীতি যতোটা সম্ভব ক্ষতি করা যায় করুন। এটা অর্থনৈতিক জিহাদ, আপনার আমার ক্ষুদ্র প্রয়াস বাটারফ্লাই ইফেক্টের ন্যায় কাজ করবে ইন শাহ আল্লাহ। অচিরেই আজাদী মিলবে ফিলিস্তিনের এই কামনাই করি।