1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
পল্লবীর ফুটপাত দখল করে বেপরোয়া চাঁদাবাজি - আজকের কাগজ
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
আমরাই যেচে সর্বনাশ ডেকে এনেছিলাম: টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে সংসদে স্পিকার এবার লোহিত সাগরে সামরিক অবস্থান নেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের ইরানকে অস্ত্র না দিতে শি জিনপিংকে চিঠি পাঠালেন ট্রাম্প হঠাৎ কমলো স্বর্ণের দাম বার কাউন্সিলে নির্বাচন করতে হাইকোর্টে রিট ব্যারিস্টার সুমনের দুই মাসে ‘ট্র্যাপে ফেলে’ মিরপুরে ১৩ ধর্ষণ, অভিযুক্ত রাব্বি গ্রেপ্তার নাগরিকদের ‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ লাল মুক্তিবার্তা ও ভারতীয় তালিকা থেকে ৬৪৭৬ ‘ভুয়া’ মুক্তিযোদ্ধা বাদ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এখন প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ইস্টার্ন রিফাইনারি ‘লো-ফিডে’ চালু, সরবরাহ ব্যবস্থায় প্রভাব পড়বে না: জ্বালানি মন্ত্রণালয়

পল্লবীর ফুটপাত দখল করে বেপরোয়া চাঁদাবাজি

বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২৯ মার্চ, ২০২৪ ৩:২৩ পিএম
শেয়ার করুন

রাজধানী মিরপুরের পল্লবী এলাকার অধিকাংশ সড়কের দু-পাশ ঘিরে গড়ে উঠেছে ফুটপাত। এ সকল ফুটপাত পথচারীদের চলাচল করার জন্য নির্মাণ করা হলেও রাস্তায় যাতায়াত কারী পথচারীদের চলাচলের নেই কোন সুযোগ। ফুটপাত দখল করে গড়ে উঠেছে নানা পসরা সাজিয়ে বাহারি রকমের দোকান। বিভিন্ন সময়ে সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তারা উচ্ছেদ অভিযান করে ভেঙ্গে দেয়া হয়। করা হয় তখন অনেক কেই জেল ও জরিমানাও। তার পরেও ফুটপাত কোন মতেই দখল মুক্ত রাখা সম্ভব হচ্ছে না। সিটি কর্পোরেশনের অভিযান শেষ হলেই হলো, ব্যস! এক দিকে উচ্ছেদ শেষে অন্যদিকে আবারও জায়গা দখলে নিতে মরিয়া হয়ে ওঠে একটি স্বার্থলোভী চাঁদাবাজ মহল। ফের ভ্যান কিংবা টং দোকান বসানো শুরু করে সরকার দলের নাম পরিচয় ব্যবহার করে স্থানীয় কতিপয় নেতা ও পাঁতি নেতা, মাস্তান, পাঁতি মাস্তান, থানার কথিত দালালরা। আবার তাদের নিয়োগকৃত লাইনম্যানও রয়েছে ফুটপাত দখলের ভূমিকাতে। আছে টাকা কালেকশনের ক্যাশিয়ার ! আর এ কারনে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করার পরেও কোন সুফল ভোগ করতে পারছে না রুপনগর বাসী। আর এই দখল দারিত্ব টিকিয়ে রাখতে চলে নানা রকমের গুরুপিং।

নিজেদের মধ্য জায়গা ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে হয় হাতা-হাতি, মারা-মারি, অনেক সময়ে খুনাখুনিরমত ঘটনাও ঘটে এই ফুটপাত দখলকে কেন্দ্র করে। সূত্রে জানা গেছে, পল্লবী থানাধীন ৬নং ওয়ার্ডের ৭ নাম্বার সেকশনের কাচাঁবাজারে তিন শতাধীক ভ্যানের উপর মাছ, মুরগী, তরকারি ফলমূল, চটপটি-ফুচকা, ঝালমুড়ি, কসমেটিক, জুতা, কাপর সহ বিভিন্ন দোকান বসিয়ে প্রতিদিন লক্ষটাকা চাঁদাবাজি করছে একটি চক্র। প্রতিটি শাকসবজির ভ্যানের থেকে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা ও মাছের দোকান থেকে ৩০০/৪০০ টাকা করে চাঁদা নেওয়া হচ্ছে। সেই হিসেবে মাসে অর্ধ কোটি টাকা চাঁদাবাজি করছে এই কাঁচাবাজার থেকে।


এই চাঁদার টাকা কালেকশন করছে স্থানীয় কাউন্সিলরের নাম ব্যবহার করে তাড়ি আত্মীয়। সাত নাম্বার সেকশনে সক্রিয় চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত ৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পির ছোটবোনের স্বামী অপু (৩২) অপুর হয়ে মাঠ থেকে টাকা উঠায় ম্যানেজার সোহেল, ফয়সাল, টনি, সোহাগ, কারেন্ট দুলাল। লাইনম্যান সুমনের মাধ্যমে চাঁদা ভাগ পৌঁছে যাচ্ছে স্থানীয় কাউন্সিলর রাজনৈতিক নেতা, স্থানীয় থানা, টহল পুলিশ ও পি আই এর পকেটে। এ ছাড়া অভিযোগ উঠেছে নতুন করে রূপনগর থানা এলাকার চাঁদা উঠানোর দায়িত্ব পেয়েছেন সাবেক ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক মোঃ এহসান তালুকদার রনি, শুধু তাই নয় এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাস চাঁদাবাজ ও একাধিক মামলার আসামি বাঘা রুবেলকে নিয়ে গরে তুলেছেন অপরাধের রাজত্ব, কাউন্সিলর এর নাম ভাঙ্গিয়ে এলাকার বিভিন্ন সাধারণ মানুষকে ডেকে আনে কাউন্সিলরের অফিসে।
রুপনগর আবাসিকের ফুটপাতের প্রায় ২০০ টি দোকান থেকে চাদাঁ তোলেন ৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী আব্দুল হাই হারুনের হয়ে মাসুমের ছেলে পলাশ। ইস্টার্ন হাউজিং ফুটপাতের ২০০ টি দোকান থেকে ২২০ টাকা করে চাঁদা আদায় করেন খোকন ও কারেন্ট বাবু। চাঁদা কালেকশন করেন রানার ছেলে জুয়েল তার নামে কয়েকদিন আগে রূপনগর থানা একটি চাঁদাবাজীর মামলাও হয়েছে। অন্যদিকে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর নাম ভাঙ্গিয়ে ফুটপাতের ২৩০ দোকান থেকে ২০০ টাকা করে চাঁদা উঠান চাঁদাবাজ আল ইসলাম তার নামে থানা একাধিক মামলা রয়েছে। এ সকল চাঁদাবাজদের সাথে পেট্রোল ইন্সপেক্টর আলতাফের সাথে হরদম মহরম সম্পর্ক রয়েছে এ কারণেই কোন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না চাঁদাবাজের বিরুদ্ধে। যে কারণে দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে চাঁদাবাজরা,এ বিষয়ে জানার জন্য পল্লবীর পেট্রল ইন্সপেক্টর (পিআই)এর মুঠোফোনে ফোন দিলে তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি।

নাম না প্রকাশের অনেক ব্যবসায়ীরা বলেন, “শুধু দোকান ভাড়া দিয়েই ক্ষান্ত নয় আলাদা আলাদা পজিশন বুঝে দিতে হয় মোটা অংকের টাকা”। “কোন কোন পজিশনে দশ হাজার থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা”। অসহায়ত্ব প্রকাশ করে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বলেন, “এ কারণেই পণ্যের দাম বিশিতে বিক্র করতে হচ্ছে তাদের”। “আর নিম্নবিত্ত আয়ের মানুষের হতাশার কারণে হচ্ছে এই চাঁদাবাজি”। অতি শীঘ্রই এই চাঁদাবাজদের কে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় জনগন ও সচেতন নাগরিকরা।

এবিষয়ে র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন জানান, রমজান ও ঈদকে সামনে রেখে রাজধানীতে চাঁদাবাজ-ছিনতাইকারী চক্রের তৎপরতা বেড়েছে। এরা বিভিন্ন স্থানে সবজি ও ফলের দোকান, ফুটপাতের অস্থায়ী দোকান থেকে চাঁদা আদায় করছে এমন অভিযোগ আসছে, র‌্যাব অভিযোগ পেয়ে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এসব চাঁদাবাজকে অতি দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। ছিনতাই-চাঁদাবাজদের মদদদাতা যারা তাদের বিরুদ্ধেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এই বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *