
গাজীপুরের শ্রীপুরে বেশি বেতনে চাকুরির প্রলোভনে এক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে(১৪) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ডাচ বাংলা ব্যাংকের এটিএম বুথের নিরাপত্তা কর্মীর বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহম্মদ আব্দুল বারিক।
রবিবার (১৫ জুন) সকালে উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের মুলাইদ গ্রামের এমসি বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আজ সোমবার ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে শ্রীপুর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
ধর্ষণের শিকার কিশোরী (১৪ নেত্রকোনা জেলার বাসিন্দা। তিনি পরিবারের সাথে এমসি বাজার এলাকার জনৈক আব্দুস সালামের বাড়িতে পরিবারের সাথে ভাড়া থেকে স্থানীয় একতা স্পিনিং মিলস এ চাকুরি করেন।
অভিযুক্ত মো. লিটন নিয়া (৪০) এর বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি। তিনি উপজেলার মুলাইদ গ্রামের জনৈক আতাবুদ্দিন মুসার বাড়িতে ভাড়া থেকে এমসি বাজার এলাকার তালহা স্পিনিং মিলস্ লিমিটেড কারখানার সামনের ডাচ বাংলা ব্যাংকের এটিএম বুথে নিরাপত্তা প্রহরী হিসেবে চাকুরী করেন। তিনি ফাস্ট সলিউশন লিমিটেড নামক সিকিউরিটি কোম্পানির সদস্য।
ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা জানান, তিনি তালহা স্পিনিং মিলস লিমিটেড কারখানার সামনের বুথে টাকা তুলতে গেলে ঐ নিরাপত্তা কর্মীর সাথে পরিচয় হয়। পরে অধিক টাকা বেতনে চাকুরি দেওয়ার কথা বলে কিশোরীর বাবাকে বলেন তার মেয়েকে তালহা স্পিনিং মিলস লিমিটেড কারখানায় পাঠাতে। পরবর্তীতে রবিবার সকালে কিশোরীর বাবাকে ফোন করেন নিরাপত্তা কর্মী। ফোন করে বলেন, আমার তালহা মিলের জিএম এর সাথে কথা হয়েছে দ্রুত আপনার মেয়েকে পাঠিয়ে দিন ।এখনই চাকুরী হবে। পরে কিশোরীর বাবা তালহা স্পিনিং মিলস লিমিটেড কারখানায় মেয়েকে পাঠালে কারখানার গেটের পাশেই থাকা ডাচ বাংলা ব্যাংকের এটিএম বুথের নিরাপত্তা কর্মী বুথের পূর্ব পাশের ফ্লোরে নিয়ে যায় কিশোরীকে। পরে সেখানে কৌশলে জোরপূর্বক তার মেয়েকে ধর্ষণ করে। তিনি আরও জানান, আমার মেয়ে স্থানীয় একতা স্পিনিং মিলস্ নামক কারখানায় ৬ হাজার টাকা বেতনের চাকুরী করতেন।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহম্মদ আব্দুল বারিক বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে কিশোরীকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কিশোরীর বাবা একটি ধর্ষণ মামলা করেছেন। ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত পলাতক রয়েছে। পুলিশ খুব দ্রুত অভিযুক্ত ধর্ষককে গ্রেপ্তারের জন্য কাজ করছে।