
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় আনন্দঘন বাসর রাতে মোর্শেদা আকতার নামের এক নববধূ তার স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে দিয়েছে।
শুক্রবার দিবাগত রাতে উপজেলার খোর্দ্দকোমরপুর ইউনিয়নের দৌলতপুর ময়নাপাড়া গ্রামে এঘটনাটি ঘটে।পরেরদিন শনিবার ঘটনাটি জানাজানি হলে গোটা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয়রা জানান,পাইকা দৌলতপুর গ্রামের ময়নুল ইসলামের ছেলে নজরুল ইসলামের(২৩) সাথে পার্শ্ববর্তী পলাশবাড়ী উপজেলার বেতকাপা ইউনিয়নের রাজনগর গ্রামের মোর্শেদা আক্তারের পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয়।
বিয়ের সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষে রীতি অনুসারে নবদম্পতির জন্য সাজানো হয় বাসর ঘর।সেই বাসর ঘরে রাত কাটাতে গিয়ে নববধূ মোর্শেদা আকতার পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে স্বামী নজরুল কে কোন কিছু বুঝতে না দিয়ে তার গোপনাঙ্গ নতুন ব্লেড দিয়ে কেটে দেয়।এরইমধ্যে হঠাৎ মধ্যরাতে নজরুল প্রাণফাটা চিৎকার দিলে আশেপাশের লোকজন তার বাড়িতে ছুটে এসে তাক রক্তাত্ত অবস্থায় দেখতে পান।পরে ওই রাতেই নজরুলকে মুমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে তার আত্নীয় স্বজন দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যায়।
মর্মস্পর্শী এঘটনায় স্বামী বেচারার আনন্দঘন মুহুর্তের রাতটি যেন বিষাদে পরিণত হয়ে যায়।
এ ঘটনায় উত্তেজিত এলাকাবাসি ও স্বজনরা নববধূ মোর্শাদা আক্তারকে ঘরে তালাবদ্ধ করে আটকে রাখে।
তবে চাঞ্চল্যেকর ঘটনার বিষয়ে স্থানীয়দের মাঝে নানা আলোচনা সমালোচনার ঝড় বইছে।
এপ্রসঙ্গে জানতে চাইলে খোর্দ্দকোমরপুর ইউপি চেয়ারম্যান নওশা আকন্দ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাটি জানার পরেই মেয়ে পক্ষ এবং পুলিশকে অবগত করা হয়েছে।
সাদুল্লাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তাজ উদ্দিন খন্দকার বলেন,খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে থানায় এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ হয়নি। কোন সময় অভিযোগ হলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে অনেকেই ধারনা করছেন মেয়েটির হয়তো মানসিক সমস্যা আছে। তবে একটি সুত্র জানায়,ঘটনার পর থেকেই বিষয়টি স্থানীয়ভাবে আপোষের জন্য দিনভর দেন দরবার চলছে।