1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি সংকট কেটে যাবে: প্রধানমন্ত্রী - আজকের কাগজ
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
নিরাপত্তা উদ্বেগে পাকিস্তান যাচ্ছেন না জেডি ভ্যান্স: ট্রাম্প বিগত সময়ের অপরাধ অনুসন্ধানে বিচারিক কমিশন গঠন করা হবে: জবি উপাচার্য কুড়িগ্রামে ৭৬ কেজি গাঁজাসহ আটক ১ চৌদ্দগ্রামে পিআইও’র বিরুদ্ধে নামমাত্র কাজ দেখিয়ে বরাদ্দের অর্থ লুট,অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ কুড়িগ্রামে বাইক চোরচক্র ধরা, ৯ গ্রেপ্তার চার দাবিতে ববি শিক্ষার্থীদের ঢাকা–কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ, জনসাধারণের ভোগান্তি রাণীশংকৈলে শাটারিং খুলতে গিয়ে সেফটি ট্যাংকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু মেরিন ড্রাইভে ভাড়ায় চালিত গাড়িতে আগুন: বেঁচে গেল যাত্রীরা খাল খননের মাধ্যমে কৃষি জমি তিন ফসলিতে রূপান্তর করা হবে: আবুল কালাম এমপি খাল খননে যশোর ও সিলেটে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি সংকট কেটে যাবে: প্রধানমন্ত্রী

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২২ ১২:১৪ পিএম
শেয়ার করুন

বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি সংকট আগামী মাস থেকে কেটে যাবে জানিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আগামী মাস থেকে হয়তো এত কষ্ট থাকবে না। তারপরও বলব তেল-পানি ব্যবহার করার ব্যাপারে সবাইকে সাশ্রয়ী হতে হবে। কারণ সারাবিশ্বে এখন অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দিচ্ছে। তার প্রভাব থেকে কিন্তু আমরা মুক্ত না।

আজ শনিবার (১৯ নভেম্বর) গণভবনে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সভায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা কথা দিয়েছিলাম ঘরে ঘরে আলো জ্বালব। আমরা প্রত্যেক ঘরে বিদ্যুৎ দিতে সক্ষম হয়েছি। ইউক্রেন যুদ্ধের পর যেহেতু তেল কিনতে অসুবিধা হচ্ছে, গ্যাস আনতে অসুবিধা হচ্ছে আর শুধু আমাদের দেশ না, ইংল্যান্ড, আমেরিকা, জার্মানি সব জায়গায়, তারাই তো জ্বালানি সাশ্রয়ের দিকে নজর দিচ্ছে। তারা নিজেরাই তো হিমশিম খাচ্ছে। সে কারণেও কিছু দিনের জন্য আমাদের কষ্ট পেতে হয়েছে।

দেশবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, আমাদের যেহেতু জমি আছে, ১ ইঞ্চি জমি যাতে খালি না থাকে। যে যা পারেন উৎপাদন করেন। ছাদ বাগান করেন, জমিতে ফসল ফলান। কারণ সারা বিশ্বে অর্থনৈতিক অবস্থা কিন্তু খুবই খারাপ। খুবই ভয়ানক অবস্থা। সেখানে আমরা যে এখনো চলছি, আমাদের নিজেদের উৎপাদন নিজেরা বাড়াতে পারলে আমাদের কোনোদিন দুর্ভিক্ষের আঁচ বাংলাদেশে লাগবে না। এটা হলো বাস্তবতা।

শেখ হাসিনা বলেন, বেশি দাম দিয়ে সব জিনিস কিনে নিয়ে এসে কম দামে দিচ্ছি, যাতে কোনো মানুষ খাদ্যে কষ্ট না পায়। টিসিবির কার্ডের মাধ্যমে চাল, ডাল, তেল, চিনি ভর্তুকিতে দিচ্ছি। ১ কোটি মানুষ এটা পাচ্ছে। প্রায় ৫০ লাখ মানুষকে আমরা ১৫ টাকায় দিচ্ছি আর ৫০ লাখ পরিবার পাচ্ছে বিনা পয়সায়। এখানে যারা বয়োবৃদ্ধ তাদের দিচ্ছি।

বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল হিসাবে সারা বিশ্বে সমাদৃত উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, আমাদের দেশের কিছু মানুষ খালি চোখে দেখে না। তাদের কিছুই ভালো লাগে না। তারা গণতান্ত্রিক সরকার থাকলে ভালো থাকে না। একটু অগণতান্ত্রিক সরকার হলে তাদের মূল্যটা বাড়ে, তাদের ভালো লাগে। বাংলাদেশে সেই খেলায় খেলতে চায় তারা। বারবার তো সেই খেলা চলেছে দীর্ঘদিন। বিএনপির সময়ে দেশে কি নির্বাচন হয়েছে তা দেশের মানুষ অবহিত। এখন দেশের সব রাজনৈতিক দল রাজনীতি করারও সুযোগ পাচ্ছে।

তিনি বলেন, ২০০৮ এর নির্বাচনের পর একটানা গণতান্ত্রিক ধারা আছে বলেই আজ বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং বিশ্বে আবার সেই মর্যাদা পেয়েছে। এখন তো আর কেউ বাংলাদেশকে ছোট চোখে দেখতে পারে না। আমরা বিজয়ী জাতি, জাতির পিতার ডাকে সাড়া দিয়ে আমরা মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জন করেছি। কাজেই বিজয়ী জাতি হিসাবেই আমরা মাথা উঁচু করে চলব।

গৃহহীন-ভূমিহীন মানুষদের জমিসহ ঘর নির্মাণ করে দিতে সরকার কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের এই অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা অব্যহত থাকুক, জাতির পিতা এদেশটা স্বাধীন করে গেছেন। আমরা আমাদের কর্মসূচি ২০০৮ সালে রূপকল্প ২০২১ ঘোষণা দিয়েছিলাম। সেটা অলরেডি বাস্তবায়ন করে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি। সেটা ধরে রেখে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এই বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *