1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
রুয়েটে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ প্রজ্ঞাপনেই, বৃক্ষরোপণের পর পরিচ্ছন্নতা অভিযানে ছাত্রদলপন্থীরা - আজকের কাগজ
বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
চেয়ার বা সোফার পেছনে জাতীয় পতাকা ব্যবহার বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশ সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের দ্বিতীয় স্ত্রী বিদিশা গ্রেপ্তার ঢাকা ওয়াসার এমডিসহ শীর্ষ ৪ পদে রদবদল চীনের জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কিনবে বাংলাদেশ, প্রস্তুত খসড়া চুক্তিপত্র ৪৮তম বিশেষ বিসিএসে আরও ১৮৪ জনকে নিয়োগ পুলিশের ঊধ্বর্তন ১৭ কর্মকর্তাকে বদলি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ব্রিটিশ পাসপোর্ট ত্যাগ ও নিয়োগ নিয়ে যা বললেন আইনমন্ত্রী কালিয়াকৈরে ১০৫০ পিচ ইয়াবা সহ তিনজন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার খালেদা জিয়া’র গাড়িবহরে হামলায় শ্রমিক লীগ সভাপতি’র কাশেমের ৫ দিনের রিমান্ড রিফুজি জীবন ছেড়ে স্বদেশ ফেরার আকুতি-রোহিঙ্গাদের

রুয়েটে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ প্রজ্ঞাপনেই, বৃক্ষরোপণের পর পরিচ্ছন্নতা অভিযানে ছাত্রদলপন্থীরা

রুয়েট প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬ ৮:৩৯ পিএম
শেয়ার করুন

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ থাকার পরও ক্যাম্পাসে বিভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের শিক্ষার্থীদের প্রকাশ্য কার্যক্রম নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। সম্প্রতি ছাত্রদলপন্থী শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির পর এবার চার শিক্ষার্থীর উদ্যোগে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়েছে। একই সময়ে শিক্ষার্থীদের একাংশের অভিযোগ, ক্যাম্পাসে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কার্যক্রমও বিভিন্ন আয়োজনের মাধ্যমে চলমান রয়েছে।

রোববার (২৩ আগস্ট) রুয়েট ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ছাত্রদলপন্থী চার শিক্ষার্থীর উদ্যোগে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়। এর আগে গত ১৯ আগস্ট ২০ সিরিজের বিদায়কে স্মরণীয় করে রাখতে ছাত্রদলপন্থী দুই শিক্ষার্থীর উদ্যোগে ক্যাম্পাসের ১৫২ একরজুড়ে ১৫২টি চারাগাছ রোপণ করা হয়।

পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিতে শহীদ মিনার, প্রশাসনিক ভবন, বেলতলা, জিয়া হল, সেলিম হলসহ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান পরিষ্কার করা হয়। বিভিন্ন স্থানে পড়ে থাকা ময়লা-আবর্জনা অপসারণের পাশাপাশি নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ফেলার জন্য ডাস্টবিন স্থাপন করা হয়।

আয়োজকদের দাবি, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাস গড়ে তোলা, শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সচেতনতা তৈরি এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার লক্ষ্যেই এ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছে। কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন সিরিজের ছাত্রদলপন্থী শিক্ষার্থীরাও অংশ নেন।

কর্মসূচির আয়োজকদের মধ্যে রয়েছেন ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের মেকাট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের আর. এম. ফয়সাল আরাফাত, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের পুরকৌশল বিভাগের এ. কিউ. এম. কায়েস বিন মাহবুব ও ওসমান বিন মাহফুজ এবং ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের আল শাহীদ সৈকত।

আয়োজকদের কেউই রুয়েট ছাত্রদলের কোনো আনুষ্ঠানিক পদে নেই। তবে তারা ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের আদর্শের অনুসারী হিসেবে পরিচিত বলে জানা গেছে। রুয়েটে ছাত্রদলের কোনো আনুষ্ঠানিক কমিটিও নেই। এর আগে একই ধরনের পরিচয়ে দুই শিক্ষার্থীর উদ্যোগে ১৫২টি গাছ লাগানোর কর্মসূচি নিয়েও আলোচনা হয়।

রুয়েটে ২০২৪ সালের ১০ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের সব ধরনের রাজনৈতিক সংগঠন ও অঙ্গসংগঠনের কার্যক্রমে সম্পৃক্ততা নিষিদ্ধ করা হয়। সিদ্ধান্তটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫তম জরুরি সিন্ডিকেট সভায় নেওয়া হয়েছিল।

তবে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকার মধ্যেই চলতি বছরের এপ্রিল মাসে রুয়েটে ছাত্রদলপন্থী শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক কার্যক্রম, দেয়াল লিখন ও কর্মসূচি নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের একটি অংশ নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগ তুলে প্রশাসনের জবাবদিহি দাবি করে।

এদিকে, রুয়েটে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কার্যক্রম নিয়েও শিক্ষার্থীদের একাংশের মধ্যে অভিযোগ রয়েছে। তাদের অভিযোগ, ছাত্রশিবিরের রাজশাহী মহানগর বা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ব্যানারে রুয়েটের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিভিন্ন কার্যক্রম, এমনকি নবীনবরণের মতো আয়োজনও করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ফলে রুয়েটে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনৈতিক কমিটি না থাকা এবং সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ থাকার পরও বিভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের শিক্ষার্থীদের সংগঠিত ও প্রকাশ্য কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। শিক্ষার্থীদের একাংশের অভিযোগ, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তটি বর্তমানে অনেকটা প্রজ্ঞাপনেই সীমাবদ্ধ রয়েছে; বাস্তবে এর প্রয়োগ নিয়ে প্রশাসনের দৃশ্যমান কঠোরতা নেই।

এই বিভাগের আরো খবর