1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
জনগণের জীবনমান উন্নয়ন বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী - আজকের কাগজ
শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
জনগণের জীবনমান উন্নয়ন বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যদি দেশে ফেরে, তা হবে ফাঁসির রায় কার্যকরের জন্য: নাহিদ ইসলাম মৌলভীবাজারে পাঁচ স্থানে ভেঙে গেছে বাঁধ হিলিতে পুলিশের অভিযানে চোর ও অগ্নিসংযোগকারীসহ গ্রেপ্তার ৩ “গোমতীর পানি বাড়ছে শুনলেই বুকটা মুচড়িয়ে উঠে” তলিয়ে গেছে উপকূলী চরাঞ্চল ভাসমান মানুষের মাঝে ত্রাণ নিয়ে হাজির হলেন ইউএনও দ্রুত জুলাই জাদুঘর খুলে দেওয়া হবে: সংস্কৃতিমন্ত্রী সাতকানিয়া-বাঁশখালীতে বন্যার পানিতে পানিবন্দি হাজারো মানুষ প্রাথমিকের বৃত্তির ফল ফাঁস করা সেই কর্মকর্তা বরখাস্ত ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা শেখ হাসিনার: রয়টার্স

জনগণের জীবনমান উন্নয়ন বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬ ৮:৫৪ পিএম
শেয়ার করুন

জনগণের জীবনমান উন্নয়ন এবং প্রত্যেক নাগরিকের জন্য সুস্থ, শিক্ষিত, দক্ষ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১১ জুলাই) বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে শুক্রবার (১০ জুলাই) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী জানান, জনমিতিক সম্ভাবনাকে টেকসই উন্নয়নের শক্তিতে রূপান্তর, মানবসম্পদ উন্নয়ন, সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ, পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমের শক্তিশালীকরণ এবং নারী ও যুবসমাজের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও আত্মনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, “আমাদের উন্নয়ন-অভিযাত্রার অন্যতম লক্ষ্য হলো তরুণদের সম্ভাবনাকে জাতীয় অগ্রগতির চালিকাশক্তিতে পরিণত করা। সে লক্ষ্যে শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্যসেবা এবং পরিবার পরিকল্পনাকে সমন্বিত করে সরকার বহুমাত্রিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। এ প্রেক্ষাপটে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আমি দেশবাসী, বিশেষ করে নবীন প্রজন্মকে দিবসটির চেতনা ধারণ ও বাস্তবায়নে সক্রিয় অংশীদার হওয়ার আহ্বান জানাই।

এ বছরের বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের প্রতিপাদ্য ‘তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রত্যয়ে সুন্দর আগামী গড়ি’ আমাদের জাতীয় উন্নয়ন দর্শনের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত।”
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে এমন একটি প্রজন্মের ওপর, যারা হবে শিক্ষিত, দক্ষ, প্রযুক্তিবান্ধব, সুস্থ, মানবিক ও উদ্ভাবনী। তরুণদের স্বপ্ন ও সম্ভাবনার বিকাশে রাষ্ট্রকে এমন একটি পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে, যেখানে তারা মানসম্মত শিক্ষা গ্রহণ করবে, কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে, উন্নত স্বাস্থ্যসেবা লাভ করবে এবং নিজেদের ইচ্ছা, সক্ষমতা ও মূল্যবোধের ভিত্তিতে নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও সুখী পরিবার গড়ে তুলতে পারবে।

আজকের তরুণরাই তথ্য-প্রযুক্তিনির্ভর ও জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির প্রধান শক্তি জানিয়ে তিনি বলেন, সরকার এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে অঙ্গীকারবদ্ধ, যেখানে প্রত্যেক তরুণ-তরুণী যুগোপযোগী দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে দেশীয় ও বৈশ্বিক শ্রমবাজারে নিজেদের সক্ষমতার স্বাক্ষর রাখবে এবং জাতীয় উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

‘আমরা বিশ্বাস করি, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং উন্নত স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিশ্চিত হলে তরুণরা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা গ্রহণ করতে পারবে এবং দায়িত্বশীল পরিবার গঠনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তেও সচেতন ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে,’ যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তারেক রহমান জানান, একটি উন্নত জাতি গঠনের পূর্বশর্ত হলো সুস্থ জনগোষ্ঠী। সেই লক্ষ্য অর্জনে সরকার সবার জন্য সহজলভ্য, মানসম্মত ও জবাবদিহিমূলক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। একই সঙ্গে পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমকে আরো কার্যকর করা, প্রযুক্তিনির্ভর স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে। এ সমন্বিত প্রচেষ্টাই ভবিষ্যতের স্বাস্থ্যব্যবস্থার ভিত্তি সুদৃঢ় করবে।

‘তবে বাল্যবিবাহ, কিশোরী মাতৃত্ব এবং অপুষ্টির মতো চ্যালেঞ্জ এখনো আমাদের তরুণ প্রজন্মের বিকাশ ও অগ্রযাত্রার পথে বড় বাধা হয়ে রয়েছে। এসব সমস্যা শুধু একজন কিশোরী বা একটি পরিবারের নয়; এগুলোর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়ে মানবসম্পদ উন্নয়ন, শিক্ষার ধারাবাহিকতা, নারীর ক্ষমতায়ন, মাতৃ ও শিশুর স্বাস্থ্য এবং জাতীয় উৎপাদনশীলতার ওপর। এ কারণে সরকার বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, কিশোর-কিশোরীদের জন্য মানসম্মত যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, পুষ্টি উন্নয়ন এবং জীবনদক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা ও সেবা জোরদারে সমন্বিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে,’ বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বাণীতে বলেন, ‘আমার দৃঢ় বিশ্বাস, প্রত্যেক তরুণ-তরুণী যদি সুস্থ, শিক্ষিত, দক্ষ ও আত্মবিশ্বাসী হয়ে বেড়ে ওঠার সমান সুযোগ পায়, তবে তারাই আগামী দিনের সম্ভাবনাময়, সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রধান চালিকাশক্তিতে পরিণত হবে। বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আসুন, আমরা সবাই মিলে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলি, যেখানে প্রত্যেক তরুণের আশা, আকাঙ্ক্ষা ও সম্ভাবনা বাস্তবে বিকশিত হবে এবং একটি নিরাপদ, সমৃদ্ধ ও মানবিক ভবিষ্যৎ নির্মাণে তারা অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। আমি বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত সব কর্মসূচির সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করছি।’

এই বিভাগের আরো খবর