1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
যখন তখন ভিটামিন নয়,চিকিৎসকের পরামর্শ নিন - আজকের কাগজ
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
নিরাপত্তা উদ্বেগে পাকিস্তান যাচ্ছেন না জেডি ভ্যান্স: ট্রাম্প বিগত সময়ের অপরাধ অনুসন্ধানে বিচারিক কমিশন গঠন করা হবে: জবি উপাচার্য কুড়িগ্রামে ৭৬ কেজি গাঁজাসহ আটক ১ চৌদ্দগ্রামে পিআইও’র বিরুদ্ধে নামমাত্র কাজ দেখিয়ে বরাদ্দের অর্থ লুট,অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ কুড়িগ্রামে বাইক চোরচক্র ধরা, ৯ গ্রেপ্তার চার দাবিতে ববি শিক্ষার্থীদের ঢাকা–কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ, জনসাধারণের ভোগান্তি রাণীশংকৈলে শাটারিং খুলতে গিয়ে সেফটি ট্যাংকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু মেরিন ড্রাইভে ভাড়ায় চালিত গাড়িতে আগুন: বেঁচে গেল যাত্রীরা খাল খননের মাধ্যমে কৃষি জমি তিন ফসলিতে রূপান্তর করা হবে: আবুল কালাম এমপি খাল খননে যশোর ও সিলেটে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

যখন তখন ভিটামিন নয়,চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

ডা. এমএ মান্নান
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২২ ১২:৫৯ পিএম
শেয়ার করুন

ভিটামিন খাওয়া নিয়ে আমাদের অনেকেরই কিছু ভ্রান্ত ধারণা আছে। ফলে এমনিতে আপনার যখন প্রয়োজন নেই তখন তা টাকার অপচয় ছাড়া কিছু না। বরং উল্টো স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়। বিচার-বিবেচনা না করে কোনো কিছুই খাওয়া উচিত নয়। একটা ভিটামিনের মধ্যে অনেক ধরনের কম্পোনেন্ট থাকে। একটি উপাদান হয়তো আপনার শরীরের জন্য কাজে এলো। কিন্তু বাকি উপাদানের অতিরিক্ত প্রবেশ সমস্যা তৈরি করতে পারে। চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। তিনি রোগ বুঝে ওষুধ এবং সেটি কত দিন খাওয়া যাবে, তা বলে দেবেন মাত্রাধিক কোনো কিছু খাওয়া ঠিক নয়। আর তা যদি খাবার না হয়ে হয় ভিটামিন। তখন বিপদের মাত্রা আরও বেড়ে যাবে বৈকি। অযথা ভিটামিন সেবনে বরং হিতে বিপরীত হতে পারে।

অনেক সময় ভটামিন আমরা আপনমনে বা অন্যের পরামর্শ বা অন্যদের দেহে সুফল এনেছে তা শুনেই খেয়ে ফেলি। চিকিৎসকের পরামর্শ বা ব্যবস্থাপত্রের ধার ধারি না। অথচ শরীরে প্রয়োজনের বেশি মাত্রায় ভিটামিন গ্রহণ করলে তা থেকে হতে পারে মারাত্মক ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা।
বিশেষ করে তেলে দ্রবীভূত ভিটামিনগুলো যেমন ভিটামিন এ, ডি, ই ও কে মাত্রাধিক সেবনে শরীরের বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে। এ অবস্থাকে আমরা চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় বলি হাইপারভিটামিনোসিস। স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে প্রকৃতি থেকে আহরিত ভিটামিনই আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধে ভূমিকা রাখতে পারে। এজন্য ভিটামিন ওষুধ কিনে বাড়তি পয়সা খরচ করার দরকার নেই।

ভিটামিন এ :

ভিটামিন ‘এ’র সম্পূরক ট্যাবলেড অধিক পরিমাণে সেবন করলে ত্বক শুস্ক হয়ে যেতে পারে। শুধু তাই নয়, এর জন্য গায়ের রং ফ্যাকাসে হয়ে যায়, নখ ভেঙে গুঁড়া হয়ে পড়ে, ক্লান্তি জেঁকে ধরে, পেটের ব্যথা অনুভূত হয় এবং সবচেয়ে যেটা আশঙ্কাজনক তা হচ্ছে, চোখের দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যায়। সুডোটিউমার সেরিব্রি বা ব্রেইনের ভেতরের উচ্চচাপ দেখা দিতে পারে উচ্চমাত্রার ভিটামিন সি সেবনে। ভিটামিন ‘এ’র সবচেয়ে সমৃদ্ধিশালী উৎস হচ্ছে রঙিন ফল এবং শাকসবজি। যেমন- আম, মিষ্টি আলু, গাজর, পেঁপে, কুমড়া।

ভিটামিন বি :

লম্বা সময় কাজ করার ফলে রাতে মাংসপেশিতে টান পড়তে পারে। এটা ভিটামিন বি টুয়েলভের অভাবজনিত একটি রোগ। এই রোগের চিকিৎসায় ভিটামিন বি টুয়েলভের সম্পূরক ওষুধ দেওয়া হয়। এ ছাড়া মেরুদণ্ডের স্নায়ুক্ষয় ভিটামিন মারাত্মক অভাবজনিত কারণে দেখা দিতে পারে। আবার দীর্ঘদিন এই ট্যাবলেড সেবনের ফলে স্নায়ুতন্ত্রের ক্ষতিও হতে পারে। এ জন্য শরীর এমনকি অসাড় হয়ে যেতে পারে। তাই যে কোনো ভিটামিন সেবনের আগে ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করে তার মাত্রা জেনে নেওয়া আবশ্যক। শাক, ডাল, অঙ্কুরিত ছোলা, শিমজাতীয় শস্য এবং চর্বিবিহীন মাংস প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় নিশ্চিত করতে হবে।

ভিটামিন সি :

ভিটামিন সি দেহের লৌহ উপাদান শোষণের কাজে ব্যবহূত হয়। এ ছাড়া ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ঠান্ডা, কাশি, অ্যালার্জিকে প্রতিরোধ করে। এত গুণসমৃদ্ধ ভিটামিনটি যদি অতিরিক্ত খাওয়া হয় তাহলে পেটে ব্যথাসহ বমি বমি ভাব হতে পারে। হাড়ের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি হতে পারে। লেবু, আমড়া, তেঁতুল, টমেটো, জাম্বুরা, পেয়ারা, কমলা, সজনে, বেল- এসব সাধারণ ফলমূলে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি।

ভিটামিন ডি :

একটি গবেষণায় দেখা গেছে, উন্নয়নশীল দেশের মানুষের মধ্যে ৮০ শতাংশ মানুষই ভিটামিন ডির অভাবে ভোগে। এই অভাব পূরণের জন্য সবাই কম বেশি ভিটামিন ডির সম্পূরক ওষুধ খেয়ে থাকেন।এই সম্পূরক ট্যাবলেড রক্তে ভিটামিন ডির ঘনত্ব বৃদ্ধি করে যা দেহের নরম অঙ্গ যেমন হূৎপিণ্ড, বৃক্ক, ফুসফুসে গিয়ে জমা হতে থাকে। এতে হৃদরোগ মায়োপ্যাথি ছাড়াও আরও অনেক ধরনের রোগ হতে পারে। তাই সাধারণ মানুষের কথা আর চটকদার হেলথ টিপসে বশীভূত হয়ে কিছুতেই ভিটামিন ডির ওষুধ খাওয়া যাবে না। ডিমের কুসুম ও প্রাণীর কলিজা বা যকৃৎ এবং মাংস দেহের ভিটামিন ডি বাড়াতে খুবই কার্যকর। এ ছাড়া সকাল সকাল গায়ে রোদ লাগালেও শরীরে ভিটামিন ডি তৈরি হয় নিজে থেকেই।

সূত্র:সমকাল

এই বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *