1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
যখন তখন ভিটামিন নয়,চিকিৎসকের পরামর্শ নিন - আজকের কাগজ
বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৭:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
জাতীয় ঐক্যের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকার লাগিয়ে প্রাইভেট কারে নেওয়া হচ্ছিল ইয়াবা, আটক ৩ শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের আলটিমেটাম দিয়ে শাহবাগ ছাড়ল শিক্ষার্থীরা বিনা প্রেসক্রিপশনে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি রোধে কঠোর অভিযান চলবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী পিরোজপুরে ঝর্ণা হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হাইকোর্টে খালাস পুলিশের ৫ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি স্থানীয় নির্বাচন : ২৭ আগস্ট ভোটকেন্দ্রের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ পৈতৃক ভিটায় মসজিদ নির্মাণ করছেন নায়িকা ববিতা বাংলাদেশে বিয়ে করা নিয়ে নাগরিকদের কঠোর বার্তা চীনের আ.লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধ নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

যখন তখন ভিটামিন নয়,চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

ডা. এমএ মান্নান
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২২ ১২:৫৯ পিএম
শেয়ার করুন

ভিটামিন খাওয়া নিয়ে আমাদের অনেকেরই কিছু ভ্রান্ত ধারণা আছে। ফলে এমনিতে আপনার যখন প্রয়োজন নেই তখন তা টাকার অপচয় ছাড়া কিছু না। বরং উল্টো স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়। বিচার-বিবেচনা না করে কোনো কিছুই খাওয়া উচিত নয়। একটা ভিটামিনের মধ্যে অনেক ধরনের কম্পোনেন্ট থাকে। একটি উপাদান হয়তো আপনার শরীরের জন্য কাজে এলো। কিন্তু বাকি উপাদানের অতিরিক্ত প্রবেশ সমস্যা তৈরি করতে পারে। চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। তিনি রোগ বুঝে ওষুধ এবং সেটি কত দিন খাওয়া যাবে, তা বলে দেবেন মাত্রাধিক কোনো কিছু খাওয়া ঠিক নয়। আর তা যদি খাবার না হয়ে হয় ভিটামিন। তখন বিপদের মাত্রা আরও বেড়ে যাবে বৈকি। অযথা ভিটামিন সেবনে বরং হিতে বিপরীত হতে পারে।

অনেক সময় ভটামিন আমরা আপনমনে বা অন্যের পরামর্শ বা অন্যদের দেহে সুফল এনেছে তা শুনেই খেয়ে ফেলি। চিকিৎসকের পরামর্শ বা ব্যবস্থাপত্রের ধার ধারি না। অথচ শরীরে প্রয়োজনের বেশি মাত্রায় ভিটামিন গ্রহণ করলে তা থেকে হতে পারে মারাত্মক ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা।
বিশেষ করে তেলে দ্রবীভূত ভিটামিনগুলো যেমন ভিটামিন এ, ডি, ই ও কে মাত্রাধিক সেবনে শরীরের বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে। এ অবস্থাকে আমরা চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় বলি হাইপারভিটামিনোসিস। স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে প্রকৃতি থেকে আহরিত ভিটামিনই আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধে ভূমিকা রাখতে পারে। এজন্য ভিটামিন ওষুধ কিনে বাড়তি পয়সা খরচ করার দরকার নেই।

ভিটামিন এ :

ভিটামিন ‘এ’র সম্পূরক ট্যাবলেড অধিক পরিমাণে সেবন করলে ত্বক শুস্ক হয়ে যেতে পারে। শুধু তাই নয়, এর জন্য গায়ের রং ফ্যাকাসে হয়ে যায়, নখ ভেঙে গুঁড়া হয়ে পড়ে, ক্লান্তি জেঁকে ধরে, পেটের ব্যথা অনুভূত হয় এবং সবচেয়ে যেটা আশঙ্কাজনক তা হচ্ছে, চোখের দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যায়। সুডোটিউমার সেরিব্রি বা ব্রেইনের ভেতরের উচ্চচাপ দেখা দিতে পারে উচ্চমাত্রার ভিটামিন সি সেবনে। ভিটামিন ‘এ’র সবচেয়ে সমৃদ্ধিশালী উৎস হচ্ছে রঙিন ফল এবং শাকসবজি। যেমন- আম, মিষ্টি আলু, গাজর, পেঁপে, কুমড়া।

ভিটামিন বি :

লম্বা সময় কাজ করার ফলে রাতে মাংসপেশিতে টান পড়তে পারে। এটা ভিটামিন বি টুয়েলভের অভাবজনিত একটি রোগ। এই রোগের চিকিৎসায় ভিটামিন বি টুয়েলভের সম্পূরক ওষুধ দেওয়া হয়। এ ছাড়া মেরুদণ্ডের স্নায়ুক্ষয় ভিটামিন মারাত্মক অভাবজনিত কারণে দেখা দিতে পারে। আবার দীর্ঘদিন এই ট্যাবলেড সেবনের ফলে স্নায়ুতন্ত্রের ক্ষতিও হতে পারে। এ জন্য শরীর এমনকি অসাড় হয়ে যেতে পারে। তাই যে কোনো ভিটামিন সেবনের আগে ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করে তার মাত্রা জেনে নেওয়া আবশ্যক। শাক, ডাল, অঙ্কুরিত ছোলা, শিমজাতীয় শস্য এবং চর্বিবিহীন মাংস প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় নিশ্চিত করতে হবে।

ভিটামিন সি :

ভিটামিন সি দেহের লৌহ উপাদান শোষণের কাজে ব্যবহূত হয়। এ ছাড়া ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ঠান্ডা, কাশি, অ্যালার্জিকে প্রতিরোধ করে। এত গুণসমৃদ্ধ ভিটামিনটি যদি অতিরিক্ত খাওয়া হয় তাহলে পেটে ব্যথাসহ বমি বমি ভাব হতে পারে। হাড়ের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি হতে পারে। লেবু, আমড়া, তেঁতুল, টমেটো, জাম্বুরা, পেয়ারা, কমলা, সজনে, বেল- এসব সাধারণ ফলমূলে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি।

ভিটামিন ডি :

একটি গবেষণায় দেখা গেছে, উন্নয়নশীল দেশের মানুষের মধ্যে ৮০ শতাংশ মানুষই ভিটামিন ডির অভাবে ভোগে। এই অভাব পূরণের জন্য সবাই কম বেশি ভিটামিন ডির সম্পূরক ওষুধ খেয়ে থাকেন।এই সম্পূরক ট্যাবলেড রক্তে ভিটামিন ডির ঘনত্ব বৃদ্ধি করে যা দেহের নরম অঙ্গ যেমন হূৎপিণ্ড, বৃক্ক, ফুসফুসে গিয়ে জমা হতে থাকে। এতে হৃদরোগ মায়োপ্যাথি ছাড়াও আরও অনেক ধরনের রোগ হতে পারে। তাই সাধারণ মানুষের কথা আর চটকদার হেলথ টিপসে বশীভূত হয়ে কিছুতেই ভিটামিন ডির ওষুধ খাওয়া যাবে না। ডিমের কুসুম ও প্রাণীর কলিজা বা যকৃৎ এবং মাংস দেহের ভিটামিন ডি বাড়াতে খুবই কার্যকর। এ ছাড়া সকাল সকাল গায়ে রোদ লাগালেও শরীরে ভিটামিন ডি তৈরি হয় নিজে থেকেই।

সূত্র:সমকাল

এই বিভাগের আরো খবর