
বিশ্ববিদ্যালয়ে বিগত সময়ের নানা অপরাধ ও অনিয়ম অনুসন্ধানে একটি বিচারিক কমিশন গঠন করা হবে। এই কমিশন গঠনের মাধ্যমে অতীতের ঘটনাগুলো খতিয়ে দেখে দায়ীদের চিহ্নিত করা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দিন।
রোববার (১৯ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত বেদখল হলসমূহ পুনরুদ্ধার সংক্রান্ত এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
উপাচার্য বলেন, “আমি অনেকদিন ধরেই এই বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ করছি। এখানে অনেকেই বিগত সময়ে অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিল। এসব বিষয় খুঁজে বের করতে একটি বিচারিক কমিশন গঠন করা হবে, যা তিন মাস ধরে কাজ করবে।”
তিনি আরও বলেন, শিক্ষক সমিতির নির্বাচন পরিচালনার সময় ‘জবি ঐক্য’র কাছে অতীতের বিভিন্ন তথ্য চাওয়া হয়েছিল, তবে সেগুলো পাওয়া যায়নি। সে সময় অতীতের বিষয় অনুসন্ধান করায় নানা ধরনের মন্তব্যের মুখোমুখি হতে হয়েছে। আমি তাদের বলেছি, নির্বাচনে প্রয়োজনে হারলেও সমস্যা নেই, তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধের কুশীলবদের খুঁজে বের করব। তাদের শাস্তি হবে না এটা ভাবার কোনো সুযোগ নেই।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন বলেন, হল উদ্ধারে আইনি প্রক্রিয়া ও কাগজপত্র সংগ্রহে যতই অর্থ লাগবে তার সংকুলান বিশ্ববিদ্যালয় করবে। সামাজিক, আইনগত ও রাজনৈতিকভাবে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারলে হল পুনরুদ্ধারে সফলতা আসবে।
এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোঃ শেখ গিয়াস উদ্দিন, শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মঞ্জুর মুর্শেদ ভূঁইয়াসহ সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, কর্মকর্তা, জকসু প্রতিনিধি, বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
Leave a Reply