1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
৫০ হাজার টাকা ও কয়েকটি চর-থাপ্পড়েই শেষ হলো ধর্ষণের বিচার - আজকের কাগজ
সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ১২:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালের দ্বিতীয় ইউনিট ১৫ আগস্ট উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী খামেনির জানাজায় অংশগ্রহণ করায় বাংলাদেশের প্রতি ইরানের কৃতজ্ঞতা ‘যৌতুকের জন্য’ অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর শরীরে আগুন, ১১ দিন পর মৃত্যু স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে ‘স্যার’ বা ‘মহোদয়’ বলতে হবে সাংবাদিকদের: তানভীর হাসনাত ‘দেশের উন্নয়ন ও দক্ষিণাঞ্চলের অগ্রগতির জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে’ কুড়িগ্রামে শিশু ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মন্দিরের সভাপতি আটক জবির মার্কেটিং বিভাগের ১৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, এআই ও শিল্পসংযোগভিত্তিক শিক্ষায় গুরুত্বারোপ চরফ্যাশনে নজরুল বর্ষপালনের সমাপনীতে শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ টেকনাফে জমি বিরোধে বিএনপি নেতার লাঠির আঘাতে কলেজ শিক্ষার্থী মৃত্যু সরকারের উচ্চপদস্থদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ পোস্ট, গ্রেপ্তার ৬

৫০ হাজার টাকা ও কয়েকটি চর-থাপ্পড়েই শেষ হলো ধর্ষণের বিচার

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬ ৯:১৮ পিএম
শেয়ার করুন

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় ধর্ষণের অভিযোগ স্থানীয় সালিশে নিষ্পত্তির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রকাশ্যে ধর্ষণের কথা স্বীকার করার পর তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং কয়েকটি চর-থাপ্পড় দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
শনিবার (৪ জুলাই) সকালে প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী উপজেলার চণ্ডীপাশা ইউনিয়নের কুরাটি বাজারে এ সালিস অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, কুরাটি গ্রামের নিরু মোদকের ছেলে লিটন মোদক (৪০) গত বৃহস্পতিবার পাশের বাড়ির এক কিশোরীকে নিজের বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ। পরে কিশোরী বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানালেও সামাজিক লজ্জার ভয়ে তারা তাৎক্ষণিকভাবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর শরণাপন্ন হননি।

পরে স্থানীয় মাতব্বরদের কাছে বিচার চাইলে শনিবার কুরাটি বাজারে সালিশের আয়োজন করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, বাজারের খোলা স্থানে চেয়ার বসিয়ে শতাধিক মানুষের উপস্থিতিতে সালিস অনুষ্ঠিত হয়। অভিযুক্ত লিটন মোদককে হাত বাঁধা অবস্থায় সেখানে আনা হয়। অন্যদিকে নির্যাতনের শিকার কিশোরী পাশের একটি বাড়িতে অবস্থান করছিলেন।

সালিস চলাকালে মোবাইল ফোনের লাউডস্পিকারে কিশোরীর বক্তব্য শোনানো হয়। পরে অভিযুক্তের কাছে জানতে চাইলে তিনি অভিযোগ স্বীকার করে ক্ষমা চান বলে উপস্থিত কয়েকজন জানান।
এরপর উপস্থিত কয়েকজন অভিযুক্তকে লাথি, কিল-ঘুষি ও চর-থাপ্পড় মারেন। পরে সালিসকারীরা সর্বসম্মতিক্রমে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করার সিদ্ধান্ত নেন এবং শারীরিকভাবে সামান্য শাস্তি দিয়ে বিষয়টির নিষ্পত্তি ঘোষণা করেন।

সালিসে উপস্থিত স্থানীয় ইউপি সদস্য সেলিম খান রিপন বলেন, তিনি কিছু সময় সেখানে ছিলেন।

তাঁর ভাষ্য, অভিযুক্ত ধর্ষণের অভিযোগ স্বীকার করেছিলেন। তবে সালিসের পুরো কার্যক্রমে তিনি ছিলেন না।
সালিসকারী আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘সালিসে যেতে চাইছিলাম না। এলাকার চাপে যেতে হয়েছে। সালিসে ধর্ষক অকপটে সব স্বীকার করে ক্ষমা চাইলে কিছু শাস্তি দিয়ে তাকে ক্ষমা করে দেওয়া হয়।’

আরেক সালিসকারী মন্টু খা বলেন, ‘উপস্থিত আছলাম, চর-থাপ্পড় দিয়া মীমাংসা কইর‌্যা দিছি।’ এ সময় তিনি বলেন, ‘আপনার লগে আমি দেহা করবামনে। কিছু করুইন না যে।’

এ বিষয়ে নান্দাইল থানার ওসি (তদন্ত) মো. মোজাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ধর্ষণের মতো ফৌজদারি অপরাধ স্থানীয় সালিসের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা আইনত অবৈধ। ভুক্তভোগীর পরিবার লিখিত অভিযোগ দিলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি ঘটনাটি সম্পর্কে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।’

এই বিভাগের আরো খবর